ভিডিও কলে খুব কাছের প্রিয় মানুষের জন্মদিন সেলিব্রেশন এর মুহূর্ত
নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন আশা করছি সকলেই ভালো আছেন? আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলের ভালো লাগবে।
গত কয়েকটি পরপর পোস্টে আপনাদের মাঝে শান্তিনিকেতন যাওয়ার মুহূর্ত শেয়ার করেছিলাম ।তবে যেদিন শান্তিনিকেতন গিয়েছিলাম সেদিন ছিল 29 শে ডিসেম্বর। এই দিনটিতে আমি একেবারেই বাড়ি ছেড়ে কোথাও যেতে যায়নি ।কারণ ওই দিন ছিল আমার খুব কাছের প্রিয় মানুষের জন্মদিন। মানে ঈশার জন্মদিন ছিল।ওর জন্মদিনে আমার যতই কাজ থাকুক না কেন কোনদিন আমি কোথাও যাই না। তবে এ বছরে খানিকটা বাধ্য হয়ে যেতেই হয়েছিল ।আবার আমি প্রথম থেকেই জানতাম না যে শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যাওয়া হবে। আমি ভেবেছিলাম হয়তো শান্তিনিকেতনে ঘোরানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তাই আমি আবেগের বসেই প্রথমেই রাজি হয়ে গিয়েছিলাম।
প্রথম থেকেই ভেবেছিলাম গিয়ে আবারো রাতের বেলায় ফিরে আসবো। সেইমতো বাড়ি থেকে কথাবার্তা বলেই গিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের কিভাবে জার্নি করতে হয়েছে সেটা তো আপনারা সকলেই পড়েছেন। এদিকে যাবার সময় ঈশার ভীষণ মন খারাপ ছিল। আমার উপর ভীষণ রাগ করেছিল। আসলে প্রথম থেকে সমস্ত প্ল্যানিং করে থাকতে না পারলে তো রাগ হবার কথা।ওর জায়গায় আমি থাকলে হয়তো একই কাজ করতাম। আমার অবশ্য ওর থেকে রাগটা একটু বেশি।আমি কোন রকমে বুঝিয়ে তবেই গিয়েছিলাম যে আমি রাতে বাড়ি ফিরব। সেই মতো ও আমাকে সারাদিন ফোন করছিল তাড়াতাড়ি ফেরার জন্য।কিন্তু শেষমেষ আমি সেদিন ফিরতে পারিনি। আসলে অতটা পথ আর বারবার গাড়িতে ওঠানামা করে ভীষণই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। ইচ্ছে থাকলেও উপায় ছিল না।তাই ফিরে আসার সাহস দেখাইনি। মামার বাড়ি থেকে আমি যদি ফিরে আসতাম তাহলে আরো এক ঘন্টা সময় লাগতো। মানে প্রায় রাত নটা বেজে যেত।
একা মেয়ে মামা ছাড়তে চাননি।তবে গাড়িতে থাকাকালীন আমাকে ভিডিও কলে নিয়ে তবে সকলে মিলে কেক কেটে সেলিব্রেশন করেছিল ।তবে আমি থাকতে পারিনি আমার মন ভীষণ খারাপ হয়ে গিয়েছিল। কাছের মানুষের কোন সেলিব্রেশনের সময় যদি থাকতে না পারি তাহলে আমারও ভীষণ খারাপ লাগে । মাঝে মাঝে পরিস্থিতির কারণে অনেক কিছুই করতে হয়।কারণ আমার সমস্ত কাজে আমি ওকে পাশে পাই । আসলে একটা মানুষ মনের ভিতর জায়গা করতে অনেকটা সময় লাগে।আমাকে জন্মদিনের ছোট্ট ডেকোরেশনের জন্য আগে থেকেই বলে রেখেছিল। যাই হোক জন্মদিনটা আমি ভিডিও কলে দেখলেও সুন্দর করে জন্মদিন পালন করেছিল ওরা। কাছে না থাকতে পারলেও দূর থেকে দেখে আমি ভীষণ খুশি হয়েছিলাম।
এই প্রথমবার কারো জন্মদিন ভিডিও কল করে সেলিব্রেশন করলাম। আমার তরফ থেকে ওর জন্য জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা সব সময় এইরকম হাসিখুশি ভালো থাকো ।এটাই আমি চাই ।তবে এইরকম ভাবে আমাদের বন্ধুত্ব যেন সারা জীবন থাকে। সেদিন প্রায় অনেক টা সময় ধরে ওদের কান্ডকারখানা দেখছিলাম।আর দূর থেকে উপভোগ করছিলাম। সকলের সাথে ভিডিও কলে দেখা সাক্ষাৎ হয়েছিল। তবে ভিডিও কলের কোনো স্কিন শর্ট নিয়নি।ওর কাছে থেকে নেওয়া ছবি শেয়ার করলাম। ভিডিও কলের সুন্দর মুহূর্ত আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।
আজ এই পর্যন্তই। আবারো নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল ।সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।


