কাকু কাকিমার বিবাহ বার্ষিকী সেলিব্রেশন

in Incredible India20 hours ago

নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারও নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলের ভালো লাগবে।

IMG_20260603_221828.jpg

গত কালকের পোস্টে আপনাদের মাঝে ঈশাদের বাড়িতে বুদ্ধ পূর্ণিমার সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করেছিলাম। আজকে শেয়ার করব ঈশার মা-বাবা অর্থাৎ কাকু কাকিমার বিবাহ বার্ষিকীর কিছু সুন্দর মুহূর্ত। গতবছরে বুদ্ধ পূর্ণিমার পুজোর দিনে ঈশানের জন্মদিন পড়েছিল। কিন্তু এ বছরে কাকু কাকিমার বিবাহ বার্ষিকী। হয়েছিল। এই সুন্দর দিনে সুন্দর মুহূর্ত পালন করতে ভালো লাগে। তবে এ বছরে পূজোর দিন বলে সেভাবে কিছু আয়োজন করা হয়নি। শুধুমাত্র দোকান থেকে একটা নিরামিষ কেকের অর্ডার দেওয়া হয়েছিল। আমাকে ঈশা আগে থেকেই বলেছিল বৌদি সন্ধ্যাবেলায় এসো আমরা সকলে মিলে সেলিব্রেশন করব। আমি ওদের বাড়িতে প্রচুর লোক ছিল বলে তাই তাড়াতাড়ি যাইনি । এমনিতেই সারাদিন শরীর টা খারাপ ছিল। কিন্তু ও ফোন করার পর রেডি হয়ে চলে গিয়েছিলাম সেলিব্রেশানের মুহূর্ত আনন্দ উপভোগ করব বলে।

IMG20260501212027.jpg

আমি যখন গিয়েছিলাম তখন চলছিল ছবি তোলার মুহূর্ত। আমার জন্যই অপেক্ষা করছিল।আসলে এখনকার দিনে যেকোনো মুহূর্তের আগে ছবি তোলার মুহূর্ত গুলো নজর কাড়ে।এই মিষ্টি মূহুর্ত গুলো বেশ ভালোই লাগে। আসলে আমাদের বাবা মা এরা নিজেদের স্বপ্ন গুলো কখনো পূরণ করেনি। সর্বদা সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভেবে গেছে। কিন্তু প্রত্যেক টা সন্তানের বড়ো হয়ে মা বাবার এই ছোট ছোট স্বপ্ন গুলো পূরণ করা অবশ্যই দরকার। বাবা মা সন্তানের কাছে থেকে ছোট কোন জিনিস পেলে মনে অনেক কিছু পেয়ে গেছে। ওরা অল্পতেই খুশি হয়ে যায়।এগুলোই আমাদের স্মৃতি হয়ে থেকে যাবে। সেদিন ওদের বাড়িতে প্রচুর বাচ্চারা এসেছিল। তারা আর অপেক্ষা করতে পারছে না। সকলেই আগে থেকেই কেক খেতে শুরু করে দিয়েছিল ।তাই বাধ্য হয়ে তাড়াতাড়ি কেকটা কাটা হয়েছিল। আসলে বাচ্চাদের সামনে কোন খাবারের জিনিস রাখলে তারা লোভ সামলাতে পারে না। তারা আগেই ভাবতে চাই ওটার টেস্ট কেমন হবে। তাই হাত বাড়িয়ে আগে খেয়ে নিতে চাই। কিন্তু বাচ্চাদের তো বারণ করলে ওরা শোনে না। কাকু কাকিমার বিবাহ বার্ষিকীর দিন আমরা বেশিরভাগ সময়তেই বাইরে খাওয়া দাওয়া করতে যাই।

কিন্তু এ বছরে ও ছোট্ট করে সাধারণভাবে সেলিব্রেশন করা হলো। কাকু বারবার বলছিল বয়স হয়েছে আর সেভাবে সেলিব্রেশন করতে হবেনা। তবুও ছেলে-মেয়েরা তো সেলিব্রেশন করবেই। যাইহোক সেলেব্রেশন এর পরে সকলের সাথে সুন্দর সুন্দর ছবি তুলে নিয়েছিলাম। এরপর কাকুর বেশ কিছু বন্ধু-বান্ধব তারা এসেছিল। কাকু কাকিমা কে বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানানোর জন্য। এরপর কেক কেটে সকলকে খেতে দেওয়া হয়েছিল ।কেক ছাড়া এ বছরের আর তেমন কিছুই আয়োজন করা হয়নি। হুটো পাটা করে কেকটা কেটে সকলকে দেওয়া হচ্ছিল। কারণ রাতের বেলাতে ঈশাদের আবার আরেক জায়গায় নিমন্তন্ন ছিল। সেখানে গিয়ে নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে হবে। সকলকে তাড়াতাড়ি খাওয়া দাওয়া সেরে বেরিয়ে পড়েছিল।

এ বছরে ছিল কাকু কাকিমা ৩১ তম বিবাহ বার্ষিকী ।ঈশা নিজের হাতে সমস্ত কিছু অ্যারেঞ্জ করেছিল প্রত্যেকবারের মতো। ইচ্ছে ছিল অনেক কিছু করবার কিন্তু কাকিমা আপত্তি জানিয়েছিল তাই আর সেভাবে তেমন কিছু করা হয়ে ওঠেনি।


আজ এখানেই শেষ করলাম। আবার নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল ।সকালে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

Sort:  
Loading...