কাকু কাকিমার বিবাহ বার্ষিকী সেলিব্রেশন করবার সুন্দর মুহূর্ত
নমস্কার বন্ধুরা ,সকলে কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারও নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেই ভালো লাগবে।
গতকালকে আপনাদের মাঝে কাকু কাকিমার বিবাহ বার্ষিকী সেলিব্রেশন করার বলে কিছু মুহূর্ত ভাগ করে নিয়েছিলাম। আজকে পরবর্তী অংশ টুকু ভাগ করে নেব।সেদিন রান্নাবান্না করতে অনেকটা রাত হয়ে যাওয়ার পর এদিকে বিবাহ বার্ষিকী সেলিব্রেশনের জন্য ছোট্ট করে একটুখানি ডেকোরেশনও করেছিলাম। সবকিছুই করেছিলাম সকলকে আনন্দ দেওয়ার জন্য। এরপর সকলে মিলে প্রথমে বিবাহ বার্ষিকী সেলিব্রেশন করবার জন্য চলে গিয়েছিলাম যেখানে সাজানো হয়েছিল সেখানে।মোটামুটি যতটুকু পেরেছিলাম সেই টুকু আমরা অ্যারেঞ্জ করবার চেষ্টা করেছিলাম। প্রথমে শুভদৃষ্টি থেকে শুরু করে মালা বদল সমস্ত কিছু আমরা করেছিলাম।। কাকু- কাকিমা দুজনেই ভীষণ আনন্দ পেয়েছিল। এছাড়া বড়োরা যারা ছিল সকলেই খুবই আনন্দ করেছিল। এরপর সকলে মিলে একটু ছবি তুলে নিয়েছিলাম। এই ছবিগুলোই আমাদের জীবনে স্মৃতি হয়ে থেকে যাবে।
এরপর কেক কাটা হলো কেক কাটার পর সকলকে কেক দেওয়া হয়েছিল। সেই বিবাহ বার্ষিকী পালনের মুহূর্তে দাঁড়িয়ে কাকিমা বারবার বলছিল হয়তো আমাদের ভাগ্যে ছিল এই দিনটা সেলিব্রেশন করবার জন্য। কথায় বলে ভগবান চাইলে সমস্ত কিছুই করা সম্ভব ।হয়তো ভগবান চেয়েছিল তাদের 30 বছরের বিবাহ বার্ষিকী সেলিব্রেশন করবার জন্য। আসলে বিয়ের পর থেকে কোনদিনই সেভাবে বিবাহ বার্ষিকী সেলিব্রেশন করা হয়নি। এরপর বিবাহ বার্ষিকী পালনের মুহূর্ত হয়ে যাওয়ার পর সকলকে খাবার দেওয়ার বন্দোবস্ত করা হয়েছিল ।কারণ সেদিন অনেকটা রাত হয়ে গিয়েছিল। বেশ কয়েকজনকে নেমন্তন্ন করা হয়েছিল। তারা আবার বাড়ি ফিরবে সেই জন্য তাড়াতাড়ি তাদের খেতে বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
আমি সমস্ত কিছুই নিজের হাতে অ্যারেঞ্জ করেছিলাম। আমি নিজেও ভীষণ আনন্দ করতে ভালবাসি। আর সকলকে নিয়েই থাকতে ভীষণ পছন্দ করি। আমার এই ছোট ছোট আনন্দ গুলো সকলকে আনন্দ দেয়। এই উদ্যোগ গুলো নিতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। আগেকার দিনে কোনদিনই এই সব কিছু পালন করা হতো না ।যত দিন যাচ্ছে এই সবকিছু উদ্যোগ আরো বেড়ে যাচ্ছে। তবে সেদিন অনেকটা রাত হয়ে গিয়েছিল। আর তেমন সাজগোজ করতে পারিনি। কেউই কোনো রকম ভাবে যে পোশাকে ছিল সেই পোশাকে আমরা সেই দিনটাকে সেলিব্রেশন করেছিলাম। তবে সেদিন বিবাহ বার্ষিকীর কথা শুনে কাকিমা হাসিমুখে বলেছিল শুধু বিবাহবার্ষিকী পালন করলেই হবে না আমাদের গিফট দিতে হবে ।খুব অল্প সময়ের মধ্যে সবকিছু আয়োজন করেছিলাম ।তাই সেদিন আর গিফট কেনা হয়ে ওঠেনি কাকিমার গিফট দেওয়া এখনো বাকি রয়েছে।
এরপর সকলকে নিজের হাতে খেতে দেওয়ার পর আমরা নিজেরাও খাওয়া-দাওয়া সেরে নিয়েছিলাম। কারণ তখন প্রায় রাত একটা বেজে গিয়েছিল। বেশি রাত করে খেলে আবার শরীর খারাপ করতে পারে। তাই আর বেশি রাত করিনি। নিজেরা তাড়াতাড়ি খেয়ে আবার বাড়ি ফিরে এসেছিলাম। সত্যি সেই দিনকে এত সুন্দর মুহূর্ত সকলের সাথে কাটাতে পারব। এমনকি সকলকে এতটা আনন্দিত করতে পারব সেটা বুঝে উঠতে পারিনি। যাইহোক আজ এইখানে শেষ করলাম। আমাদের ছোট্ট বিবাহ বার্ষিকী সেলিব্রেশনের মুহূর্ত আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নিলাম।
সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন ।আবারও নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল।



