কাজ যেন পিছু ছাড়ে না.…..
নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন ?আশা করছি সকলে ভালো আছে। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে। আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।
গত দুদিন প্রচন্ড ব্যস্ততার কারণে কোন পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করে উঠতে পারিনি। তবে আপনাদের মাঝে কোন পোস্ট শেয়ার করতে না পারলে নিজেরই একটু ফাঁকা ফাঁকা লাগে। মনে হয় কোন একটা কাজ হয়তো আজকে আমি করে উঠতে পারিনি। মনের ভিতরে অস্বস্তি হয়। কখন আপনাদের মাঝে পোস্ট শেয়ার করব সেই আশায় থাকি। প্রত্যেক দিনের সমস্ত রকম ব্যস্ততা কিংবা যে কোন কাজকর্ম কোথাও যাওয়া, সমস্ত কিছুই আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নিই। আপনারা নিয়মিত যারা আমার পোস্ট পড়েন তারা জেনে থাকবেন আমি টুকটাক বাড়িতে মাটির কাজ করতে অভ্যস্ত। কৃষ্ণনগরে মৃৎশিল্প বিখ্যাত। যেমন অনেক বড় বড় শিল্পী রয়েছে ।তারা তাদের শিল্পের সাহায্যে বিভিন্ন জিনিস ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করে। ঠিক তেমনি ছোটখাটো শিল্পীর ও অভাব নেই। একেকজনের কাজ একেক রকম।
কৃষ্ণনগরে প্রায় সব ঘরে ঘরে কমবেশি মাটির কাজ চলে। শুধু যে পালেরা মাটির কাজ করে এমনটা নয়। সমস্ত স্বজাতির মানুষই মাটির কাজ করে। তবে আমি ছোট থেকে মামার কাছে কাজ দেখে টুকটাক কাজ শিখেছিলাম। আমার মামারা ছোট থেকে মাটির কাজ করেন। তবে এখনো যে মাটির কাজ আমাকে করতে হবে সেটা আমি কোনদিন ভাবিনি।এভাবে এখনো শিল্পটাকে নিজের মধ্যে জাগিয়ে রাখতে পারব সেটা কোনদিনই ভাবিনি ।কারণ সমস্ত মেয়েদের বিয়ে হয়ে তার শ্বশুরবাড়িতে চলে যায় ।ঘর-সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকে। আমার ক্ষেত্রেও হয়তো সেই রকমটাই হতো। যদি আমরা গ্রামের বাড়িতে চলে যেতাম। যেহেতু কৃষ্ণনগরে রয়েছি নিজের শহর নিজের চেনা সবকিছু। তাই আবারও চেনা মাটির গন্ধে নিজের শিল্পটাকে এখনো জাগিয়ে রেখেছি। জানিনা কতদিন পারবো।
জানিনা এত মাটির পুতুল কোথায় যায়। কারণ মাটির কাজ এমনই একটা জিনিস সারা বছর চলতে থাকে। বহু মানুষ এই জীবিকা নির্বাহ করে তাদের সংসার চালায় জীবন যাপন করে। বেশ কিছুদিন কাজ ছিল না। কাজ না থাকলেও প্রচন্ড মানসিক কষ্ট হয়। মানে চার দেওয়ালের মধ্যে বন্দি থাকতে হয়। আবার যখন প্রচন্ড কাজের প্রেসার থাকে তখন নিজেকে ঠিক রাখতে পারিনা। কখন মনে হয় সমস্ত কাজ শেষ করে নিজেকে একটু সময় দেব। কথায় বলে মানুষের জীবনে সবকিছুতেই মানুষ একটু শান্তি খোঁজে। যাই হোক কাজ করতে আমি ছোট থেকে ভীষণ পছন্দ করি। আর আমার সমস্ত কাজকেই আমার শ্বশুরবাড়ির সকলেই সম্মান দেয়। কখনো কোন কাজে বাধা দেয় না ।এটাই হল আমার সবথেকে বড় পাওয়া।
আমার কোন কাজকে তারা ছোট করে না। আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে ।আমার কাজ দেখে তারা ভীষণ খুশি হয়। আমি এই কাজ করে আমার পরিবারের মানে, মাকে সাহায্য করতে পারি, আমার ভীষণ ভালো লাগে। মাটির কাজের বিভিন্ন জিনিস আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করি। আজকেও আমি আমার ছোট্ট কিছু কাজ আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নেব। বিভিন্ন রকমের পুতুল আমরা বাড়িতে তৈরি করি। তবে আমি পুতুলের কিছু কিছু কাজ করি। সমস্ত কাজ এখনো আমি করে উঠতে পারি না। কাঁচা মাটির কাজগুলোই আমি বেশিরভাগ করে থাকি। আর হয়তো টুকটাক রং করা কিংবা পুতুলের জামা কাপড় পরানো। এইসব কাজগুলোই আমি করি। সংসারে মধ্যে থেকে খানিকটা সময় বের করে আমি এইসব কাজগুলোই করি। তাতে খানিকটা ওনাদের সহযোগিতা হয় ।আমারও কিছু ইনকাম হয়।
আজ এইখানেই শেষ করছি। আবারো নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল ।সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।




TEAM 7
Congratulations! Your post has been upvoted from sc-09 account.Thank you 🙏