ভোটের দিন সারাদিন কাটিয়ে রাতের বেলায় হঠাৎ করেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।
গত কয়েক দিন ধরে আমি শুধুমাত্র ভোটের দিন নিয়ে আপনাদের মাঝে প্রচুর কিছু শেয়ার করে ফেলেছি। সত্যি ভোটের দিনটি ছিল আমার খুবই ব্যস্ততম একটা দিন। সেদিন গাড়িতে করে বাড়ি ফিরতে ফিরতে যেমন বারবার ঈশা ফোন করছিল। এদিকে আমার মা ও বারবার ফোন করছিল। এছাড়া বাড়িতে গিয়েও ফোনে বেশ খানিকক্ষণ একটা বিষয় নিয়ে কথোপকথন হয়েছিল। সেই বিষয়টি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব।কিন্তু হঠাৎ করেই যদি কোন কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয় তাহলে সারাদিনটা ফোনে ফোনেই কেটে যায়। যেহেতু আমি বাড়িতে চলে এসেছিলাম।আমাদের সেদিন গুরুত্বপূর্ণ একটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ছিল। এদিকে তো আমি হঠাৎ করেই বাড়িতে এসে বেরিয়ে পড়েছিলাম ঈশার সাথে তার বায়না মেটানোর জন্য ।বাড়িতে ফিরে প্রচন্ড ঝড়-বৃষ্টি মেঘের গর্জন চলছিল ।তাই কারো সাথে ফোনে যোগাযোগ করতে পারছিলাম না।
এদিকে সেদিন আমার সকলের সাথে ফোনে যোগাযোগ করাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় ছিল। যাকেই ফোন করছি তার ফোনেই ফোন লাগছিল না। নয়তো সে ঝড় বৃষ্টির কারণে কথা শুনতে পাচ্ছিল না। গত কয়েকটি পোস্টে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছিলাম আমার বোনের বিয়ের বিষয়ে। বোনের বিয়ের তারিখ এমনকি সমস্ত কিছু অ্যারেঞ্জ করা চলছিল। এর মধ্যেই হঠাৎ করেই ছেলের ঠাকুমা অর্থাৎ বোনের ঠাকুমা শাশুড়ি অসুস্থ হয়ে পড়ে। উনার বয়স হয়েছিল। এর মাঝে অসুস্থ হয়েও নিজেকে সামলে নিয়েছিল। কিন্তু ভোটের আগের দিন অসুস্থ হয়ে আর কোন রেসপন্স হচ্ছিল না। তাই ওরা ভীষণ ভয় পেয়ে গিয়েছিল। ভাবছিল বিয়েটা আবারো একটা বছর দেরিতে হবে ।তাই ওরা প্রচন্ড হুটো পাটা করছিল।
ওদের হটো কারিতা আমি একেবারেই মেনে নিতে পারছিলাম না। কারণ আমাদের বাড়িতে এই বোনেরই শেষ বিয়ের অনুষ্ঠান করা হবে। সকলেই আনন্দ করবো। তাই এইরকম একটা মানসিকতা নিয়ে আমরা রেডি হয়েছিলাম। কিন্তু সত্যিই তো একটা মানুষ পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবে তাদেরও একটা বছর দেরি হবে এক বছরে মানুষের মতামত চেঞ্জ হতে এক সেকেন্ডও সময় লাগে না। তাই ওরা ভীষণ ভয় পাচ্ছিল। আর বোনকে বারবার বলছিল মা তাই আমাকে বারবার ফোন করে আমাকে জিজ্ঞেস করছিল। আমি কি মতামত দেব এই জানবার জন্য। কিন্তু সেদিন ঝড় বৃষ্টির কারণে প্রায় রাত এগারোটা পর্যন্ত কারো সাথে সেভাবে যোগাযোগ করতেই পারিনি । সেদিনকে আমি বারবার সকলের সাথে যোগাযোগ করে কি সিদ্ধান্ত নেব আমার মাথাতেই কাজ করছিল না।
এরপর আমি সকলকে ফোন করে করে জানাই ।এমন কি বোনের মতামত তার নেওয়ার চেষ্টা করছিলাম ।সে কি বলতে চাইছিল ।আমি ভোট দিয়ে বাড়ি ফেরার সময় কান্নাকাটি করছিল ।যে আমি এত তাড়াতাড়ি বিয়ে করতে চাই না। কিন্তু ভাগ্যের লিখন কেউ কি আর খন্ডাতে পারে। যার যখন সময় হবে যার যেভাবে বিয়ে লেখা থাকবে তার ঠিক সেই ভাবেই বিয়ে হবে। বোনকে অনেক বোঝানোর পর ও বোন রাজি হচ্ছিল না। আসলে বিয়ে নিয়ে প্রত্যেকটা মেয়েদের স্বপ্ন থাকে। এখন একেক দিন একেক রকম ভাবে নিত্য নতুন সাজাবার বিষয় রয়েছে।কিন্তু আমাদের হাতে আর কিছুই ছিল না। কিভাবে যে। সেই দিনের রাতে সকলের সাথে হটোকারিতা সিদ্ধান্ত নিতে নিতেই কেটে গিয়েছিল। যাইহোক পরের দিনকে কি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম সেটা পরের পোস্টে আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নেব।
আজ এখানেই শেষ করলাম। আবারও নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল। সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।


Thank you 🙏