জন্মাষ্টমীর কেনাকাটা

in Incredible India • 3 days ago

নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।

IMG20260904121956.jpg

সেপ্টেম্বর মাসে ৪ তারিখে ছিল জন্মাষ্টমীর পূজা। জন্মাষ্টমীর পূজাতে কৃষ্ণনগরে প্রায় প্রত্যেকটা বাড়িতে বাড়িতে প্রচুর ধুমধাম সহকারে পূজা করা হয়। তবে আমাদের বাড়িতে এখনো পর্যন্ত সেভাবে করা হয় না ।কারণ শাশুড়ি মা যে টুকুনি পারেন ততটুকুই করেন। এর বেশি পূজা কিছুই করা হয় না। তবে বাঙ্গালীদের বারো মাসে তেরো পার্বণ লেগেই থাকে। আর ঈশাদের বাড়িতে মাঝে মাঝেই সমস্ত পুজো অর্চনায় করা হয়। ওদের বাড়ি সমস্ত পুজোর বাজারের দায়িত্ব ও নিজের হাতেই করে ।তাই জন্মাষ্টমীর আগের দিন বেরিয়ে পড়েছিলাম পুজোর বাজার করবার জন্য। এর আগে কখনোই একা একা গিয়ে পূজোর বাজার করিনি। তবে ওর সাথে গিয়ে পুজোর বাজার সম্পর্কে অনেক কিছু শেখা হয়।

IMG_20260923_141211.jpg

জন্মাষ্টমী পূজার আগের দিন সন্ধ্যাবেলায় বেরিয়ে পড়েছিলাম পুজোর বাজার করবার জন্য।বাজারে গিয়ে দেখি সে তো প্রচন্ড ভিড় ।কারণ বাঙালিদের প্রায় ঘরে ঘরেই সকলেরই গোপাল রয়েছে।গোপালকে পূজা করবার জন্য বাড়ির বেশিরভাগ মেয়ে বৌ বাজার করতে বেরিয়ে পড়েছিল। তবুও আমাদেরও ভিড় ঠেলে বাজার করতে হবে। তাই আমরাও ভিড়ের মধ্যে নিজেদের প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো কিনছিলাম ।প্রথমেই চলে গিয়েছিলাম কিছু জিনিসপত্র কিনবার জন্য। সেখান থেকে সমস্ত কিছু নিয়ে আবারো চলে এসেছিলাম ফলের দোকানে। সেদিন অবশ্য ফলের অথবা ফুলের সমস্ত কিছুর প্রচন্ড দাম ছিল।সেখানে থেকে সমস্ত ফল কিনে নিয়েছিলাম। সব থেকে আকর্ষণীয় জিনিস হলো ফুল। ফুল দেখলেই আমাদের সকলেরই নজর কারে।ঈশাদের ছোট্ট একটা গোপাল ।তাই কি ফুলের মালা নেব সেটাই বুঝে উঠতে পারছিলাম না।

যেখানে গোপালের জন্মস্থান সেখান থেকেই ঈশার বাবা গোপাল ঠাকুরের ছোট্ট একটা মূর্তি নিয়ে এসেছিল। সেটা একেবারেই ছোট্ট ।যাইহোক ফুলের দোকানে গিয়ে কোন ফুল কিনব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। যে ফুল দেখছিলাম সেই ফুল দেখেই সত্যিই ভীষণ ভালো লাগছিল। আর সেদিন তো আরো নিত্য নতুন ফুল আনা হয়েছিল।সেদিন সমস্ত ফুলের প্রচুর দাম ছিল। তার মধ্যে কিছু ফুল পছন্দমত কিনে নিয়েছিলো। গোপালকে যেখানে বসাবে সেখানে কিছুটা ডেকোরেশন এর জন্য কিছু ফুল কিনে নিয়েছিল। বাজারে যেখানে গোপালের জামা কাপড় পাওয়া যায়, সেসব দোকানে তো ঢোকার একেবারেই উপায় ছিল না।সবাই যেন তার নিত্য নতুন পোশাক কিনতেই ব্যস্ত। আমাদের পুজো আসলে যেমন নতুন জামা কাপড় কিনতে ব্যস্ত থাকি। ঠিক তেমনি গোপাল সাজানোর জন্য মানুষজন ব্যস্ত ছিল।

এরপর চলে গিয়েছিলাম জুয়েলারির দোকানে।ঈশা গোপালের জন্য একটা সোনার বালা কিনেছিল। প্রত্যেক বছর ঈশা গোপালের জন্য কিছু না কিছু কেনাকাটা করে।সেই দোকান থেকে পছন্দ করে একটা ছোট্ট সোনার বালা কেনা হয়েছিল। এখন সোনার যা দাম ধরা ছোঁয়ার বাইরে।গোপালকে পড়ানো হবে বলে। সমস্ত বাজার করে দুজন মিলে আবার বাড়ির পথের রওনা দিয়েছিলাম ।কারণ পরের দিন কে আবার সমস্ত কাজ নিজের হাতে করার ইচ্ছে ছিল। সমস্ত ডেকোরেশন করতে হবে। ফিরতে অনেকটা রাত হয়েছিল।


আজ এইখানে শেষ করলাম ।আবার নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল ।সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

Sort:  
 3 days ago 

Beautiful and detailed experience of preparing for Janmashtami!
I really enjoyed reading about your visit to the crowded market and how carefully you selected everything for Gopal, from fruits and flowers to decorations and clothes. The flower market must have been especially beautiful with so many varieties of fresh flowers, even though the prices were high that day.
I also loved the part about buying the little golden bangle for Gopal. It shows how much love and devotion people put into celebrating these traditions. Even though the market was crowded and you returned home late, it seems like the experience was very meaningful and memorable. Thank you for sharing these beautiful preparations and giving us a glimpse into your Janmashtami celebration.

#s34engagement

Loading...