দার্জিলিং এ মিরিক ভ্রমণের অভিজ্ঞতা
নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারও নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে। আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।
আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করব দার্জিলিংয়ের মিরিক ভ্রমণের মুহূর্ত। আমরা দার্জিলিং এর যেখানে ছিলাম সেখান থেকে দূরের অনেক কিছুই দেখা যেত। যেমন হোটেল থেকে আমরা সরাসরি কাঞ্চনজঙ্ঘা পাহাড় দেখতে পেতাম। এ ছাড়া হোটেলের সামনে দিয়ে ট্রয় ট্রেন যাতায়াত করত। তবে যে তিনদিন ছিলাম তিন দিন বিভিন্ন জায়গাতে ঘোরাঘুরি করেছিলাম ।এখনো সব জায়গায় যাওয়ার মুহূর্ত আপনাদের মাঝে শেয়ার করে উঠতে পারিনি। আমরা মিরিক ভ্রমণ করেছিলাম যেদিন বাড়ি ফিরব সেই দিন সকালের দিকে। তবে সেদিন আমার সাথে কাকু ,কাকিমা, ভাই কেউ ছিল না। ওদের বিশেষ কারণের জন্য ফিরে আসতে হয়েছিল। তবে ওরা সেখান থেকে চলে গিয়েছিল সরাসরি জলপাইগুড়িতে। সেখানে ওদের আত্মীয়-স্বজন রয়েছে তাদের বাড়িতে কিছুদিন কাটাবে। আর বিশেষ দরকারের জন্য যেতে বাধ্য হয়েছিল।
তবে আমি ওদের সাথে যেতে চাইনি কারণ প্রথমবার দার্জিলিঙে গিয়েছিলাম ।আর কোনদিন যেতে পারবো কি তার নেই ঠিক সেই জন্য সমস্ত জায়গায় ঘুরে তবেই বাড়ি ফিরতে চেয়েছিলাম। তবে যাদের সাথে ছিলাম তারা ভীষণই ভালো। আমরা সকালের খাবার খেয়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে, বাড়ি ফেরার পথে যে কয়েকটি ঘোরার জায়গা পড়বে সেগুলো আমাদের দেখানোর কথা ছিল। তাই প্রথমেই ঘোরার জায়গা পড়েছিল মিরিক। দার্জিলিংয়ে এদিক ওদিক ঘুরতে গিয়ে সব জায়গাতেই চা বাগান ছিল ।গাড়ি থেকেই চা বাগান গুলো দর্শন করতে পেরেছিলাম ।কিন্তু মিরিক একটা একদম অন্য রকম জায়গা। সেখানে চারিদিকে শুধু চা বাগানে রয়েছে। উঁচু পাহাড়ের ধাপে ধাপে কি সুন্দর করে চা গাছগুলো চাষ করেছে ।
ছোটবেলায় ভূগোল বইতে পড়তাম ধাপ চাষ কাকে বলে। কিভাবে ধাপে ধাপে পাহাড়ের গায়ে গায়ে সব কিছু চাষ করা হয়। তবে এবার স্বচক্ষে দেখে ভীষণ ভালো লেগেছিল। আমরা ওখানে নামার পর সরাসরি চলে গিয়েছিলাম চা বাগানে। শুধু চারিদিকে চা বাগান ছিল ওখানে। ওখানে বেশ কিছুক্ষণ কাটিয়ে ছিলাম। এ ছাড়া যেখানেই যায় সেখানেই তো আগে ছবি না তুললে হয় না। তাই কিছু ছবিও তুলেছিলাম। চারিদিকে প্রকৃতি দেখতে কি অপূর্ব সুন্দর লাগছিল তা বলে বোঝানো যাবে না। তবে চা বাগানে যাতে কোন ক্ষতি না হয় কিংবা পাতা ছেড়া ও বারণ ছিল। যদিও বা পাতা কেউ ছেড়ে তাহলে তাকে ৫০০ থেকে হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। সেটাও লেখা ছিল।
তবে নতুন জায়গায় গিয়ে সকলেই তো একটু উৎসাহ নিয়ে ঘোরাঘুরি করছিল। অনেকে কিছু চা পাতাও লুকিয়ে ছিড়ে ফেলেছিল ।কিন্তু সেগুলো ছিড়ে নিয়ে আসলেও কোন কাজে আসবে না। কারণ চা তৈরি করা হয় অনেক রকম পদ্ধতি আছে। তবে ঘোরাঘুরির মাঝেও যেন মনটা ভীষণ খারাপ করছিল। কারণ সাথে নিজের কেউ না থাকলে নতুন জায়গায় নিজেকে একটু মানিয়ে নিতে সময় লাগে ।আর সকলেই আমার অজানা ছিল। শুধুমাত্র আমি একটু ঘুরবো বলে তাই ওদের সাথে থেকে গিয়েছিলাম। তবে নিজেকে ঘোরার সময়তেও একটু দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়েছিল ।সেই মুহূর্ত আমি আপনাদের মাঝে পরের পোস্টে শেয়ার করে নেব ।
আজ এইখানেই শেষ করছি ।আবারো নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল ।সকলে ভালো থাকুন ,সুস্থ থাকুন।



Congratulations!
Your post has been manually upvoted by the SteemPro team! 🚀
This is an automated message.
If you wish to stop receiving these replies, simply reply to this comment with turn-off
Visit here.
https://www.steempro.com
SteemPro Official Discord Server
https://discord.gg/Bsf98vMg6U
💪 Let's strengthen the Steem ecosystem together!
🟩 Vote for witness faisalamin
https://steemitwallet.com/~witnesses
https://www.steempro.com/witnesses#faisalamin
Thank you 🙏