বহু অপেক্ষার পর পছন্দের জিনিস কিনলাম

in Incredible Indiayesterday

নমস্কার বন্ধুরা। সকলে কেমন আছেন? আজকে আবারো চলে এসেছি আপনাদের সাথে গতকালকের পোস্টের বাকি পর্ব শেয়ার করার জন্য। আশা করছি আপনাদের সকলের ভালো লাগবে।

গতকালকের পোস্টে আমি তো আপনাদের সাথে ইতিমধ্যে শেয়ার করেছিলাম যে কিভাবে আমি গত চার মাস ধরে অল্প অল্প করে টাকা জমিয়ে রেখেছিলাম কিছু সোনার গহনা কিনবো বলে। আর সেই মতো আমি আমার বর কে নিয়ে চলে গিয়েছিলাম লাইট ওয়েটের গহনা পাওয়া যাবে এমন একটা শপে। তারপর সেখান থেকে কেনা একটা লাইট ওয়েটের নেকলেস আমি ইতিমধ্যে আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। আজকে আমি আর কি কিনেছিলাম সেটা আপনাদের সাথে শেয়ার করব।

1000445498.jpg

নেকলেস টির ওজন এবং দাম আমি আগের দিন আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম। নেকলেস এর সাথে আমি একটা রেগুলার ব্যবহারের জন্য ছোট ইয়ার রিং কেনার কথা বাড়ির থেকে ভেবেই গিয়েছিলাম। তাই নেকলেস পছন্দ করার পর রেগুলার ব্যবহারের জন্য একটা ছোট ইয়ার রিং দেখছিলাম। তবে আমি যেইরকম চাইছিলাম সেই রকম প্রথমে পাচ্ছিলাম না। কিংবা পছন্দ হলেও ওজনটা বেশি হওয়ায় বাজেটের বাইরে চলে যাচ্ছিল। তাই বেশ কিছু সময় ধরেই ইয়ার রিং দেখছিলাম। অবশেষে একটা পছন্দ হয় এবং বাজেটের মধ্যেই আসে। তাই ওটাই নিয়ে নিয়েছিলাম। ওটার ওজন ছিল ৮০০ mg মতো। যার দাম পড়েছিল ১৬,০০০ মতো। মানে ৩৫৫৫ স্টিম মতো।

1000445496.jpg
তারপর আমরা ভেবেছিলাম এই দুটো জিনিস কিনেই ফিরে আসব। তবে দুটো জিনিসের মোট দাম বাদ দিয়েও আরো কিছু টাকা আমার কাছে অবশিষ্ট ছিল। তাই ভাবলাম সেই টাকাটা ফেরত না নিয়ে গিয়ে বরং আরো একটা জিনিস কিনে নেওয়া যাক। সোনার জিনিস তো দরকারের সময় কাজেও লাগবে। আবার পারিবারিক অনুষ্ঠানে পরাও যাবে। পারিবারিক অনুষ্ঠানগুলোতে একটু আধটু সোনার গহনা পরে না গেলেও চলে না। তবে আমার কাছে একটি সোনার কানের দুল আছে যেটা মা বিয়ের সময় আমাকে বানিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু সেটা বেশ বড় তাই ছোটখাটো পারিবারিক অনুষ্ঠানে সেটা পরে দেওয়া যায় না। তাই ভাবলাম ছোটর মধ্যেই একটা কানের দুল কিনি যাতে সব জায়গায় পরা যায়।

তাই একটা লাইট ওয়েটের কানের দুল দেখছিলাম। বেশ কয়েকটা দেখার পর একটা কানের দুল পছন্দ হলো। ওটা আমার থেকেও আমার বরের বেশি পছন্দ হয়েছিল। তাই একবার দেখা মাত্রই ওটার ওজন এবং দামটা জেনে নিয়েছিলাম। দাম শোনার পর দেখলাম সেটা বাজেটের মধ্যেই রয়েছে। তাই আমরা ঠিক করলাম আমরা ওটাই কিনব। ওটার ওজন ছিল ১.৫ গ্রাম মতো। যার দাম পড়েছিল ৩০০০০ এর কাছাকাছি। মানে ৬৬৬৬ স্টিম মতো। আসলে সোনার দামের থেকেও বেশি খরচ হয় মজুরি এবং জিএসটিতে। তাই সব মিলিয়ে দামটা একটু বেশিই পড়ে যায়। তবুও তো শখের দাম লাখ টাকা। টাকা খরচ হলেও মনকে কি আর আটকানো যায়। কখনো কখনো শখের জিনিসটা কিনতে তো মন চাই। তাই জমানো টাকাগুলো খরচ করে শখের জিনিসগুলো কিনে নিয়েছিলাম।

1000443076.jpg

এই জিনিসগুলো কেনার জন্য শপের তরফ থেকে আমাদের একটা ভাইরাল পলা গিফ্ট করেছিল। আসলে এখানকার কালেকশন খুব ভালো হলেও মজুরি অনেকটাই বেশি। তাই গিফ্ট পেয়ে যে খুব খুশি হয়েছিলাম তা নয় কারণ এই ভাইরাল পলা গুলোর দাম তো খুব বেশি নয় আর ওরা এত বেশি পরিমাণ মজুরি নিয়েছে যে সেই টাকায় অনায়াসেই আরো কয়েকটা ভাইরাল পলা কেনা হয়ে যেত। যাইহোক, শপটাতে না এলে তো এখানকার মজুরি বা কালেকশন সম্পর্কে কিছুই জানতে পারতাম না। তাই লাইট ওয়েটে জিনিসগুলো কিনতে পেরেছি ভেবে মনটা পরে খুশি হয়েছিল।।

1000445499.jpg

আজ তাহলে এখানেই শেষ করছি। আগামীকাল আবার অন্য কোনো লেখা নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হব। সকলে ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।