বন্ধুদের সাথে ইফতার মাহফিল
![]() |
|---|
প্রতিবছরের মত এ বছরও আমরা কলেজে বন্ধুরা মিলে ইফতারের আয়োজন করেছি। কিছুদিন হয় আলোচনা হচ্ছিল ইফতার নিয়ে, অবশেষে সবাই মিলে সেই ইফতার বাস্তবায়ন করলাম।। ইফতার করার মূল উদ্দেশ্য সবাই একত্রিত হওয়া এবং একসঙ্গে বসে ইফতার করা এবং সবার সাথে সাক্ষাৎ করা। বিশেষ করে রমজান মাসে শেষের দিকে এই ইফতার মাহফিল গুলো বেশি করা হয়।।
![]() |
|---|
![]() |
|---|
আর হয়তো এটাই আমাদের বন্ধুদের মিলে কলেজ থেকে শেষ ইফতার।। কারণ আমরা ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা দেওয়ার পর হয়তো আর কারো সাথে সেই ভাবে যোগাযোগ বা একত্রিত হওয়া হবে না।। তাই আমরা সকলেই একটু ভালোভাবেই একত্রিত হওয়ার চেষ্টা করেছি, যদিও সবাই একত্রিত হতে পারেনি।। বিভিন্ন জন বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকার জন্য আমরা বেশ কয়েকটা বন্ধু একত্রিত হতে পেরেছি।
![]() |
|---|
![]() |
|---|
![]() |
|---|
আমরা ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট থেকে প্রতিবছরে এভাবে ইফতারের আয়োজন করা হয় ।। অন্যান্য ডিপার্টমেন্ট থেকেও করে থাকে। আর এই আয়োজনে আমাদের একটা দুইটা শিক্ষক অ্যাটেন্ড হলেও এ বছর কোন শিক্ষক অ্যাটেন্ড হতে পারেনি ব্যস্ততার জন্য।। তাই আমরা শিক্ষার্থীরা মিলে ই এবারের ইফতার মাহফিলের আয়োজনটা করে থাকি।।
![]() |
|---|
![]() |
|---|
এভাবে একত্রিত হয়ে ইফতার করার মাঝে অন্যরকমের আনন্দ লুকিয়ে থাকে।। সকলে মিলেই একসাথে সব কিছুর আয়োজন করার মধ্যে অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করে।। আজ ২০ রমজান আর শেষের দশটা রমজানের মধ্যে আরো কয়েকটা ইফতারের আয়োজন করা হচ্ছে। প্রতিবছর ই আমরা এসএসসি ব্যাচ থেকেও এভাবে ইফতারের আয়োজন করে থাকি।। কিন্তু এ বছর অন্যরকম এক আয়োজন করা হয়েছে।।
আর সেই আয়োজনে ২০০১ সাল থেকে ২০২৪ সালের সকল এসএসসি ব্যাচ শিক্ষার্থীতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।। সেখানে সকল শিক্ষকের পাশাপাশি ছাত্ররাও থাকবে আর অন্যরকম ভাবে সেই আয়োজনটা করার প্রক্রিয়া চলছে।। আসলে এটাকে ভিন্ন রকম আয়োজন বলা যেতে পারে কারণ এরকম আয়োজন এখন পর্যন্ত করা হয়নি।। আমরা ব্যাচ ভিত্তিক আলাদা আলাদা ইফতারের আয়োজন করলেও এ বছর সকলেরই একত্রিত করা হবে।। শুধুমাত্র আমাদের বিদ্যালয় থেকে ইতিপূর্বে যত এসএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থী আছে শুধুমাত্র তারাই।।
আমাদের বন্ধুত্ব স্কুল জীবন থেকেই শুরু হয় সেখানে অনেক বড় ভাই ও ছোট ভাইয়ের সাথে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।। আর যখন এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া হয় তারপরও আর কারো সাথে যোগাযোগ বা দেখা হয় না।। আর এই কথা চিন্তা করেই আমরা এবার স্কুল থেকে এরকম একটা আয়োজন করেছি । যেখানে আমাদের বন্ধুদের পাশাপাশি ছোট বড় সকল শিক্ষার্থীরা থাকবে।
এটা বেশ বড় ভাবে করার জন্য সেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থীদের ফি দিতে হবে।। আর এরকম আয়োজন করার পেছনে অনেক পরিশ্রমও করতে হচ্ছে।। কারন ২০০১ সালের যে ভাইয়েরা পরীক্ষা দিয়েছে তাদের খুঁজে বের করা অনেক কষ্টকর।। আর প্রতিটি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে কয়েকজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তারা সবাইকে আমন্ত্রণ জানাবে ।।
যাইহোক বন্ধুরা এবারের কলেজের ইফতারটা বেশ ভালোভাবেই সকলে মিলে করতে পেরেছি।। আমরা ইফতার শেষ করে নামাজ আদায় করে বেশ কিছু সময় সেখানে গল্প করেছি।।







প্রতিবছরের মত এই বছরও আপনারা আপনাদের বন্ধুদেরকে মিলে ইফতারের আয়োজন করেছেন আপনি ঠিকই বলেছেন সবাই মিলে ইফতার করার মধ্যে অন্যরকম একটা আনন্দ লুকিয়ে থাকে দেখতে দেখতে রমজান মাসে আমাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে যাচ্ছে অসংখ্য ধন্যবাদ বন্ধুদের সাথে ইফতার করার মুহূর্তটা আমাদের সাথে তুলে ধরার জন্য ভালো থাকবেন।
প্রতিবছরের মতো এবছরও আমরা বন্ধুরা মিলে ইফতার মাহফিল করেছি সত্যি অনেক বেশি আনন্দ হয়েছে।। আর দেখতে দেখতে রমজান প্রায় শেষের দিকে।।
এটা একেবারেই ঠিক বলেছেন গত বছর আপনার পোস্টে আপনাদের বন্ধুর সাথে সবাই মিলে ইফতার মাহফিল করার আনন্দটা আমাদের সাথে শেয়ার করেছিলেন আসলে আপনারা ছেলেরা চাইলে সব কিছুই করতে পারেন কিন্তু আমরা হাজার চেষ্টা করলেও এটা কখনো হয়ে উঠবে না তাই হয়তোবা আমরা কখনো চেষ্টাও করি না অসংখ্য ধন্যবাদ।
এই বছর কলেজের সব বন্ধুরা মিলে ইফতার পালন করেছেন। সকলে মিলে সময় বের করে ইফতার পালন করতে বেশ মজাই হয়েছে। যেকোনো জিনিস অনেক জন মিলে পালন করলে সেটা উৎসবের মতো লাগে। প্রত্যেক বছর এই ভাবেই ইফতার পালন করে থাকেন। সমস্ত বন্ধুদের সাথে একসাথে ইফতার পালন করার মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
এটা একদম সঠিক বলেছেন যে কোন জিনিস সকলে মিলে একত্রিত হয়ে করার মধ্যে অন্যরকম আনন্দ থাকে।। আর হ্যাঁ আমরা প্রতি বছরই এরকম সবাই একত্রিত হয়ে কিছুটা আনন্দের মুহূর্ত অতিবাহিত করি।।