"জীবনে প্রথম বার পুলিশ স্টেশনে যাওয়ার অভিজ্ঞতা"
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন এবং আপনাদের সকলের আজকের দিনটি অনেক ভালো কেটেছে। অনেকদিন বাদে আমারও আজকের দিনটি ভালো কেটেছে। তবে কেন, কিভাবে সেটা পরবর্তী কোনো পোস্টে আপনাদের সাথে অবশ্যই শেয়ার করবো।
গতকালকের পোস্টে আপনাদেরকে জানিয়েছিলাম দরকারি কাজে দুদিন আগে দিদির সাথে আমিও বাদুড়িয়ায় গিয়েছিলাম। ডিআইবি অফিসে দিদির কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর, সেখান থেকে আমরা বাদুড়িয়া পুলিশ স্টেশনে আমার কাজটি করার জন্য রওনা করেছিলাম। প্রথমবারের জন্য বাদুড়িয়া পুলিশ স্টেশনে যাওয়ার অভিজ্ঞতা একটু অন্যরকম ছিলো।
![]()
|
|---|
পুলিশ স্টেশন নামটা শোনা মাত্রই আমাদের সকলের মনে একটা অন্যরকম চিন্তাভাবনা কাজ করে। কিন্তু এমন কিছু কিছু কাজ আমাদের কখনো কখনো করতে হয়, যার জন্য সকলকেই সেই মুহূর্তে পুলিশ স্টেশনের শরণাপন্ন হতে হয়। বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই মায়ের ডেথ সার্টিফিকেট ও আমার বার্থ সার্টিফিকেট খুঁজে পাচ্ছি না এর জন্য থানায় জেনারেল ডায়েরি করতে হবে এটা জানতাম।
তবে দুরত্বের কারণে আর পারিবারিক কিছু সমস্যার জন্য যাওয়ার সুযোগ হয়ে উঠছিলো না। তার থেকেও বড় কথা একা একা অতদূর যেতে ইচ্ছে করছিলো না। তবে দিদির ওখানে যেতে হবে এই কথা শোনার পরে দিদিকে বলেছিলাম, যেদিন ও যাবে সেদিন আমিও ওর সাথে যাবো।
![]()
|
|---|
প্রথমে পুলিশ স্টেশনে পৌঁছে আমরা জেনে নিলাম যে কোন রুমে গিয়ে জেনারেল ডায়েরি করতে হবে। তবে সেখানে কোনো কারনে বেশ মানুষের ভিড় থাকায় আমাদের কিছুক্ষণ বাদে যেতে বললো। তাই আমরা পাশের মিও আমোরে দোকানে গিয়ে অল্প কিছু খেয়ে নিলাম। তারপর আবার ফিরে এলাম পুলিশ স্টেশনে।
সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারের কাছে সম্পূর্ণ বিষয়টা বলার পর, তিনি আমাদেরকে একটা অ্যাপ্লিকেশন লিখতে বললেন। তবে দুঃখের বিষয় আমার সার্টিফিকেটের কোনো জেরক্স কপি না থাকায় সেটি হারিয়ে যাওয়ার জন্য জেনারেল ডায়েরি করতে পারিনি।
![]()
|
|---|
তবে মায়ের ডেথ সার্টিফিকেটের জেরক্স কপি যেহেতু আমার কাছে ছিলো, তাই দিদি ডেড সার্টিফিকেট হারিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাপ্লিকেশন করে সেখানে জমা দেওয়ায় জিডি নাম্বারটা বের করা সম্ভব হয়েছিল।
সেখানে জেনারেল ডায়েরি করার পর সেই অফিসার একটা লিখিত কাগজ দিয়েছেন, যেটা নিয়ে পরবর্তীতে আমাদের গ্রাম পঞ্চায়েতে গেলে মায়ের ডেট সার্টিফিকেট নতুন করে পাওয়া যাবে। তবে আমার বার্থ সার্টিফিকেটের জন্য আরও অনেক কিছু করতে হবে।
![]()
|
|---|
আমাকে আবার পুনরায় প্রাইমারি স্কুল থেকে একটা স্কুল পাস সার্টিফিকেট তুলতে হবে। তারপর সেটা নিয়ে ডায়েরি করে, আমি যে হসপিটালের জন্মেছিলাম সেই হসপিটাল যে পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত, সেখানে গিয়ে তবেই আমাকে নতুন করে বার্থ সার্টিফিকেট তুলতে হবে।
ওনার কথা শুনে যা বুঝলাম এই সম্পূর্ণ কাজ শেষ হতে আমাকে আরও মোটামুটি তিন থেকে চারদিন দৌড়াদৌড়ি করতে হবে। তবে বার্থ সার্টিফিকেট গুরুত্বপূর্ণ একটি ডকুমেন্টস তাই এটার জন্য এইটুকু তো করতে হবে।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
যাইহোক এরপর আমাদের কাজ সম্পূর্ণ হলে আমরা পুলিশ স্টেশন থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা করলাম।
তবে পুলিশ স্টেশনে আরও একটা ঘটনার সম্মুখীন হয়েছিলাম। সেই ঘটনাটা দেখে মনের ভেতরে বেশ খারাপ লাগা কাজ করেছিলো। সেটা সম্পর্কে আপনাদের সাথে আগামী কালকের পোস্টে কিছু কথা অবশ্যই শেয়ার করবো।
![]()
|
|---|
যখন আমরা মছলন্দপুর পৌঁছালাম তখন বিকাল হয়ে গেছে। ততক্ষণে বেশ খিদেও পেয়েছিলো। তাই আমারও গাড়ি থেকে নেমে একটু খাওয়া দাওয়া করলাম।
যাইহোক যে দরকারে মূলত পুলিশ স্টেশনে জীবনের প্রথমবার গেলাম, তার একটা পূরণ হলেও অন্যটা বাকি রইলো।
তবে হ্যাঁ প্রথমবার পুলিশ স্টেশন ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আপনারা কখনো পুলিশ স্টেশনে কোনো কারণে গিয়েছেন কিনা, সেটা অবশ্যই মন্তব্যের মাধ্যমে জানাবেন।
সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকের পোস্ট এখানেই শেষ করছি। ভালো থাকবেন সকলে। শুভরাত্রি।









