"শীতের মরশুম বিদায় নেওয়ার আগে, ছোট্ট পিকনিকের আয়োজনের মুহূর্ত"
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
এবার শীতকালটা কিভাবে অতিবাহিত হলো বুঝতেই পারলাম না। এতো বছর বাদে এই প্রবল ঠান্ডাতে আলাদা করে আর কোনো পিকনিকের আয়োজন করা হয়ে ওঠেনি।
পারিবারিক ব্যস্ততা, সংসারের কাজের চাপ, আর অন্যদিকে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পরা ইত্যাদি বিভিন্ন রকমের কারণ মিলিয়ে অন্যান্য বছরের মতো এবছর আর আলাদা করে পিকনিক হয়নি। মোটামুটি বছরের শেষ দিকে অথবা নতুন বছরের শুরুতেই আমরা সকলে পিকনিকের আয়োজন করে থাকি।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
যাতে বছরের শেষ দিনটা এবং নতুন বছরের শুরুটা সকল প্রিয় মানুষ, বন্ধু-বান্ধব সকলের সাথে উদযাপন করতে পারি। তবে এই বছরের শুরুটা হয়েছিলো বাড়ি থেকে অনেকটা দূরে মালদায় দাদার বাড়িতে। সেদিন দাদা, বৌদি আর ভাইপোর সাথে আমি আর শুভ নতুন বছর শুরু করেছিলাম। পিকনিক হয়তো সেই ভাবে হয়নি, তবে বছরের শুরুটা কিন্তু খুব সুন্দর ভাবে হয়েছিলো।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
তবে শীত সম্পূর্ণভাবে বিদায় নেওয়ার আগে পিকনিকের আমেজ পেয়ে গেলাম ননদের বাড়িতে। গতকাল সকালে ফোন করে ননদ ওনাদের বাড়িতে যেতে বললো। গত কয়েকদিন ধরে প্রচন্ড শরীর খারাপ ছিলো ননদের। বাড়ির সকলের সর্দি জ্বর ছিলো। এমনকি মামা শ্বশুরের মেয়ের বিয়ে উপলক্ষ্যে আমার ননদের বড় ছেলেও কাজের জায়গা থেকে বাড়িতে এসেছিলো।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
অনেক আগেই প্ল্যান হয়েছিল ননদের বড় ছেলে বাড়িতে এলে, বিয়ে বাড়ি থেকে ফেরার পর সকলে মিলে একটা ছোট্ট পিকনিকের আয়োজন করা হবে। তবে সেটা আর কোনো ভাবেই হয়ে উঠছিলো না। শেষ পর্যন্ত গতকাল তার আয়োজন করা হলো। আসলে আমার ননদের জন্মদিন ছিলো। তাই গতকাল রাতে আমি ও কল্যাণী থেকে আমার ছোটো মামা শ্বশুরের পরিবার এসেছিলো।
![]()
|
|---|
সকলে মিলে একসাথে ননদের বাড়িতে গতকাল চিকেন গ্ৰিলড দিয়ে ছোট্টো করে পিকনিকের আয়োজন করা হয়েছিলো। চিকেন গুলো আমার ননদ দুপুরের পরেই ম্যারিনেট করে রেখেছিলো। আর এবার গ্ৰিলড করা হয়েছিলো ননদের ঘরের বাইরে ছোট্ট একটা মাটির উনুন জ্বালিয়ে।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
ছোটো ছোটো কিছু কাঠ আগে থেকেই কেটে রেখেছিলো। সেগুলো দিয়েই গতকাল পিকনিকের সম্পূর্ণ রান্না করেছিলো। মাইক্রোওয়েভে ব্যবহার করার জন্য একটা স্ট্যান্ড কিনেছিলো অনলাইনে, সেটাই উনুনে বসিয়ে গ্ৰীলড করা হয়েছিলো।
![]()
|
|---|
একের পর এক চিকেনের পিস গুলো স্ট্যান্ডে সাজিয়ে দিয়ে, অল্প আঁচে চিকেন গুলো সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে করতে আমিও আটা মেখে নিলাম। কারন রাতে খাওয়ার জন্য রুটি গুলোও ঐ উনুনেই ভেজে নিয়েছিলাম। আমি রুটি গুলো বেলে দিয়েছিলাম, আর আমার ননদ সব চিকেন গুলো গ্ৰীলড করার পর রুটি গুলো ভেজে নিয়েছিলো।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
পাশের বাড়ির এক দুজন ওখানে এসেছিলো তবে পিকনিকে নয়। আমাদের সকলের সাথে গল্প করতে। গল্পে, আড্ডায় বেশ জমজমাট কেটেছিলো গতকালের সন্ধ্যাটা।
![]()
|
|---|
তেমনভাবে পিকনিক এই বছর করতে না পারলেও, কালকের আয়োজনটা বেশ ভালো ছিলো। তাই সেই আনন্দের মুহূর্ত গুলো আপনাদের সকলের সাথে শেয়ার করলাম।
আপনাদের কেমন লাগলো আজকের পোস্ট পড়ে। ভালো থাকবেন। শুভরাত্রি।
.png)














