Better life with steem//The Diary Game// 30th June, 2026"//
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন এবং আপনাদের সকলের আজকের দিনটি খুব ভালো কেটেছে।
আজ জুন মাসের শেষ দিন। আজ দুপুরের পর থেকে এখনও পর্যন্ত আবহাওয়া বেশ পরিবর্তন হয়েছে। সকালের দিকে বেশ ভালোই রোদ্দুর ছিলো। কিন্তু কিছুক্ষণ পর থেকেই আবহাওয়া বেশ মেঘলা হতে শুরু করলো এবং দুপুরবেলায় মুষলধারায় এক পশলা বৃষ্টিও হলো।
তারপর একটু বৃষ্টি কমলেও সন্ধ্যায় পর থেকে আবার টুপটাপ করে বৃষ্টি হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে এই মুহূর্তে আবহাওয়া অনেকটা ঠান্ডা ও মনোরম। যাইহোক আজকে সারাটাদিন আমার কিভাবে কাটলো, সেই গল্পই আপনাদের সাথে এই পোস্টের মাধ্যমে শেয়ার করতে চলেছি,-
|
|---|
![]()
|
|---|
অন্যান্য দিনের মতো সকালে ঘুম থেকে উঠে ঠাকুরের শয়ন তুলে, সবার আগে গাছের ফুল তুললাম। আজকাল অনেক বেলি ফুল ফোঁটে গাছে। ছাদের দরজা খুলতেই ফুলের গন্ধ পাই। কি যে সুন্দর গন্ধ বেলিফুলের। এই ফুল যাদের পছন্দ তারা নিশ্চয়ই সেটা বুঝতে পারবেন।
সকাল সকাল যখনই এই গন্ধ পাই মনটা ভালো হয়ে ওঠে। যাইহোক ফুল তোলা শেষ করে, নিচে এসে রান্না বসালাম, পাশাপাশি সময়মতো শুভকে ডেকে চা ও দিলাম। রান্না শেষ করে শুভকে ব্রেকফাস্ট দিলাম। ও সময়মতো ব্রেকফাস্ট শেষ করে অফিসের জন্য বেরিয়ে গেলো, তারপর আমি কমিউনিটির একটা কাজ নিয়ে বসলাম।
![]()
|
|---|
তারপর বেশ কিছু জামা কাপড় ধোয়ার জন্য ভিজিয়ে দিলাম। যদিও তখনও বুঝতে পারিনি যে কিছুক্ষণের মধ্যে এমন মেঘলা আকাশ হবে। তবে মেঘের অবস্থা দেখে সিদ্ধান্ত নিলাম বাকি কাজ পরে করবো, আগে জামা কাপড় গুলো ধুয়ে মেলে দিই।
ব্রেকফাস্ট করার টাইম ছিলো না তখন, তাই শাশুড়ি মা যখন নিজের জন্য চা বানাচ্ছিলেন, আমাকেও এক কাপ চা দিতে বললাম। তার সাথে কয়েকটা বিস্কুট দিয়ে ব্রেকফাস্ট সেরে নিলাম।
|
|---|
![]()
|
|---|
জামা কাপড় ধুতে ধুতেই মুষলধারে বৃষ্টি নামলো। তখন মনে হচ্ছিল জামা কাপড়গুলো আজ না ভেজালেই ভালো হতো। কিন্তু কিছু করার নেই, ভেজানো যখন হয়ে গেছে তখন ধুয়ে দিতেই হবে। জামা কাপড় ধোয়া শেষ করে, একেবারে স্নান করে নিলাম। কারণ ততক্ষণে প্রায় অর্ধেক ভিজেই গিয়েছিলাম আমি।
![]()
|
|---|
তাই স্নান করে পুজোটা সেরেই নিলাম। শাশুড়ি মায়েরও ততক্ষণে বাকি কাজ শেষ হয়ে গিয়েছিলো। তাই দুজনে মিলে একসাথে দুপুরের লাঞ্চ করে, তারপর কমিউনিটির বাকি কাজ সম্পন্ন করলাম। বাইরে তখনও টুপটাপ বৃষ্টি পড়ছিলো। তাই কিছুক্ষণের জন্য শুয়ে পড়লাম বিশ্রাম নেওয়ার জন্য, তবে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি তা বুঝতে পারিনি।
যখন ঘুম ভাঙলো তখন ঘড়িতে ছটা বেজে দশ মিনিট। ঘুম থেকে উঠে দেখলাম বাইরে তখনও তেমন মেঘলা আকাশে রয়েছে। তাই আমি উপরে গিয়ে কিছুক্ষণ জানালার সামনে বসলাম। আবহাওয়াটা এতো সুন্দর ছিল যে, বসে থাকতেও বেশ ভালো লাগছিলো।
|
|---|
সন্ধ্যা হতেই সন্ধ্যা পুজো দিয়ে, তারপর নিচে নামলাম। দেখলাম শুভর মামার ফোন এসেছিলো আমার ফোনে। কল ব্যাক করে জানতে পারলাম ওনরা আমার ননদের বাড়িতে এসেছে, সেখান থেকে আমাদের বাড়িতে আসবে।
শাশুড়ি মা তখনও ঘুমাচ্ছিলেন, তাই ওনাকে ডেকে বললাম যে মামা শ্বশুর আসছে। কিছুক্ষণ টিভি চালিয়ে টিভির ঘরে বসলাম, হঠাৎ করে কলিং বেল বেজে উঠলো। গিয়ে দেখলাম মামা শ্বশুর এবং তার মেয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। মামা শ্বশুরের ছেলে ননদের বাড়িতে রয়ে গেছে, ননদের ছেলের বয়সী হওয়ায় ওর সাথে খেলাধুলাতেই মত্ত, তাই আর আমাদের বাড়িতে আসেনি ও।
![]()
|
|---|
শাশুড়ি মা মামার মেয়ের জন্য দোকান থেকে চিপস নিয়ে এলো। সেখান থেকে একটা চিপস আমাকেও দিলো। অনেকদিন হয়ে গেছে চিপস খাইনি, তাই ওর সাথে গল্প করতে করতে চিপসটা খেতে ভালোই লাগলো। কিছুক্ষণ বাদে শুভ ও ফিরলো অফিস থেকে। সকলে মিলে গল্প করে কিছুক্ষণ সময় কাটলাম। তারপর মামা এবং মামার মেয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা করলো।
|
|---|
![]()
|
|---|
মামা শ্বশুররা বেরিয়ে যাওয়ার পর একটা সিনেমা চালালাম। বাংলা আর্ট ফিল্ম যার নাম "অর্ধাঙ্গিনী"। অনেকদিন আগে অবশ্য দেখেছি সিনেমাটা। আসলে বিকেলে জানালার পাশে বসে এই সিনেমার একটা গান শুনছিলাম, তারপর থেকেই হঠাৎ আবারও দেখতে ইচ্ছে হলো সিনেমাটা।
![]()
|
|---|
সিনেমা শেষ করার আগেই ডিনারের টাইম হয়ে গেলো। শুভ বললো আজ রাতে পরোটা খাবে। আমার আর শাশুড়ি মায়ের জন্য একটু ভাত করলাম, আর শুভর জন্য পরোটা আর ছোলার ডাল, সাথে একটু টমেটো সস নিলো। এটা দিয়ে ও ডিনার করলো। আমরাও কিছুক্ষণ বাদে খেয়ে নিলাম।
তারপর বাকি সিনেমাটা শেষ করে, পোস্ট লিখতে বসলাম। এখনও পাশে অন্য একটা মোবাইলে এই সিনেমার পছন্দের গানটি বাজছে। আর আমি আপনাদের সাথে সারাদিনের কার্যক্রমের কিছু মুহূর্ত শেয়ার করছি। এভাবেই কেটেছে আমার আজকের দিনটা।
ভালো থাকবেন সকলে। শুভ রাত্রি।










