"Better life with steem//The Diary Game// 6th March, 2026"
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন এবং আপনাদের সকলের আজকের দিনটা অনেক ভালো কেটেছে।
গতকাল থেকে বেশ ব্যস্ততম সময় পার হচ্ছে। এর আগের অনেকগুলো পোস্টেই আপনাদেরকে শশুর মশাইয়ের শারীরিক সমস্যার কথা জানিয়েছিলাম। তবে যতদিন যাচ্ছে শারীরিক পরিস্থিতি আরও বেশি খারাপ হচ্ছে, যেটা খুব স্বাভাবিক একটা বিষয়। কিন্তু এই স্বাভাবিক বিষয়গুলো মেনে নেওয়া কখনো কখনো অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
যাইহোক আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো, আমার আজকের সারাটা দিন কিভাবে কেটেছে। চলুন তাহলে একেবারে সকাল থেকেই শুরু করি।
|
|---|
![]()
|
|---|
আজ ছিলো শুক্রবার। তাই শুভর অফিস থাকার কারণে যথারীতি অ্যালার্মের শব্দে ঘুম ভাঙলো। ফ্রেশ হয়ে নিচে গিয়ে দেখলাম সকলেই ঘুম থেকে উঠে পরেছেন। আসলে গতকাল শশুর মশাইকে দেখতে তিনজন আত্মীয় এসেছেন আমাদের বাড়িতে।
তাদের সাথে সাথে শাশুড়ি মা ও আজ উঠে পরেছেন দেখে আমি ভাত বসিয়ে দিয়ে, সকলের জন্য চা বসালাম। শশুর মশাইয়ের খালি পেটে গ্যাসের ওষুধ খেতে হয়, সেটা ওনাকে দিয়ে সকলকে চা দিয়ে, শুভর চা নিয়ে উপরে এলাম।
![]()
|
|---|
ওকে ঘুম থেকে ডেকে দিয়ে আমি গাছের ফুলগুলো তুলে নিলাম। আজকাল যে পরিমাণ রৌদ্র ওঠে তাদের তাড়াতাড়ি ফুল না তুললে নষ্ট হয়ে যায়। যদিও আজকে সকালের আবহাওয়াটা একটু মেঘলা ছিলো। যাইহোক এরপর সকলকে চা দিয়ে আজ আমিও একটু চা খেয়ে নিলাম।
শুভ অফিসে বেরিয়ে যাওয়ার পর সকলে মিলে ব্রেকফাস্ট শেষ করলাম। সেই সময় ফোন হাতে নিয়ে দেখলাম ধীরাজের মা অর্থাৎ আমার বৌদি, যাদের সাথে কয়েকদিন আগে পার্কে যাওয়ার গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম, সে হোয়াটসঅ্যাপে একটা ছবি পাঠিয়েছে। আসলে ওর গাছে প্রচুর লঙ্কা এবং বেগুন ফলেছে, সেগুলোরই একটা ছবি তুলে পাঠিয়েছে আমাকে।
![]()
|
|---|
নিজেদের গাছ থেকে এমন টাটকা সবজি তুলে খাওয়ার আনন্দই আলাদা। আমরা যখন ওদের বাড়িতে গিয়েছিলাম, তখন এই গাছ গুলো একদমই ছোট্ট ছিলো। অথচ মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে তারা এখন ফল দিতে শুরু করেছে। প্রকৃতির নিয়মে সকলেই নিজেদের মতন করে বেড়ে ওঠে।
|
|---|
![]()
|
|---|
যাইহোক বাড়িতে মানুষ থাকলে সকলের সাথে কম বেশি কথা বলে অনেকটা সময় পার হয়ে যায়। তাই কখন দুপুর হয়ে গেলে বুঝতে পারলাম না। তাই ঘরের অন্যান্য কাজ শেষ করে আমি স্নান সেরে পূজো দিয়ে, রোজকার মতো গীতা পাঠ শেষ করলাম।
ততক্ষণে শাশুড়ি মা দুপুরের রান্না সমস্ত কিছু শেষ করে ফেলেছিলাম। তিনি শ্বশুর মশাইকে স্নান করাতে গিয়েছিলেন, তাই আমি আত্মীয়দের খাবার দিয়েছিলাম। সব শেষে আমি ও শাশুড়ি মা দুজনে মিলে খাওয়া-দাওয়া শেষ করলাম।
![]()
|
|---|
কিছুক্ষণ পরে দেখলাম পিয়ালী ফোন করেছে। পিয়ালী বিয়ের গল্প আমি আপনাদেরকে অনেকগুলো পর্ব শেয়ার করেছিলাম। যাইহোক খুব দূরে হানিমুনে যেতে না পারলেও, বাড়ির কাছাকাছি দীঘার সমুদ্র সৈকতে ওরা হানিমুনে গিয়েছে।
![]()
|
|---|
তাই সেখান থেকে ছবি পাঠিয়েছে আমাদের whatsapp গ্রুপে। দুজনকে একসাথে দেখে বেশ ভালো লাগলো। তার সাথে সমুদ্র সৈকতেরও একটা ছবি পাঠিয়েছে। প্রথমবার পিয়ালের সাথে এই দীঘায় ঘুরতে গিয়েই পরিচয় হয়েছিল। আর সেই বন্ধুত্ব আজ এতোটা গভীর হয়ে গিয়েছে, সেই নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ কথা হলো তিন জনের মধ্যে। যাইহোক কিছুক্ষণ কথা হওয়ার পর একটু সময় বিশ্রাম নিলাম। কিন্তু ততক্ষণে সন্ধ্যা হয়ে এসেছে।
|
|---|
![]()
|
|---|
আজকাল গাছ গুলো রোদ্দুরে তাপে একেবারে ঢলে পড়ে, তাই সন্ধ্যার দিকে প্রতিদিন জল দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। সেই কাজগুলো শেষ করার পর সন্ধ্যা দেওয়ার কাজও শেষ করলাম। আমি নিচে এসে দেখলাম শাশুড়ি মা ঘুমাচ্ছেন, আর বাড়ির আত্মীয়রা শ্বশুরমশাইয়ের সাথে গল্প করছে।
একটু বাদেই সকলের জন্য চা বসালাম। শুভ অফিস থেকে ফেরার সময় চপ নিয়ে এসেছিলো। তাই সকলকে মুড়ির সাথে চপ দিলাম এবং সবার সাথে বসে বসে বেশ কিছুক্ষণ গল্প করলাম। পুরনো দিনের অনেক কথা এবং ওনাদের ছোটবেলাকার গল্প শুনলাম।
|
|---|
আমাদের বাড়িতে আসা আত্মীয়রা রাতের খাবার একটু তাড়াতাড়িই খান। তাই ওনাদের খাবারের ব্যবস্থা আজ একটু তাড়াতাড়িই করা হয়েছে এবং ওনাদের পাশাপাশি আমাদেরও খাওয়া-দাওয়া শেষ হয়েছে তাড়াতাড়ি।
![]()
|
|---|
হঠাৎ মনে পড়লো গল্প করতে করতে আজ গেটে তালা দেওয়ার কথাই মনে নেই। তাই তাড়াহুড়ো করে গেটে তালা দিতে গিয়ে দেখলাম পাঁচিলের উপরে একটা বিড়াল বসে রয়েছে। যদিও ওকে আমি লাঠি দেখালাম কিন্তু সে এতটুকুও ভয় না পেয়ে আমার দিকেই তাকিয়ে ছিলো।
যাইহোক হাতে যেহেতু ফোন ছিলো, তাই ওর একটা ছবি তুললাম। এরপর গেটে তালা দিয়ে দিলাম। তারপর উপরে এসে আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য পোস্ট লিখতে বসলাম। এভাবেই কেটেছে আজকের দিনটা।
আগামীকাল আবার একটু প্রয়োজনীয় কাজে সকালে আমাকে বাড়িতে থেকে বের হতেই হবে, সে বিষয়ে আগামীকালের পোস্টে আপনাদেরকে জানাবো। সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকের পোস্টটা এখানেই শেষ করছি
ভালো থাকবেন সকলে।
শুভরাত্রি।











Thank you for your support 🙏.