The January contest #1 by sduttaskitchen| Priority!
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন এবং আপনাদের সকলের আজকের দিনটি খুব ভালো ভাবে শুরু হয়েছে। সকলকে জানাই সুপ্রভাত।
আজ আমি অংশগ্রহল্লণ করতে চলেছি আমাদের কমিউনিটিতে আয়োজিত কনটেস্টে, যার বিষয়বস্তু সম্পর্কে ইতিমধ্যেই আপনারা অবগত হয়েছেন। অনেকেই নিজেদের মতামত ও অনুভূতি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন।
আজ আমিও আমার মতামত আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চলেছি। তবে যারা এখনও অংশগ্রহণ করেননি, তাদের জন্য কনটেস্টের লিংকটি আমি আরও একবার শেয়ার করলাম। পাশাপাশি কনটেস্টের নিয়ম অনুসারে আমি আমন্ত্রন জানাই আমার তিনজন বন্ধু @mou.sumi, @rasel72 ও @nainaztengra কে।
|
|---|
ইতিমধ্যে আমরা নতুন বছরের বেশ কয়েকটি দিন কাটিয়ে ফেললাম। আশাকরি আপনাদের সকলের নতুন বছর ভালো কাটছে। শুরুর দিনগুলো আমারও যথেষ্ট ভালো কেটেছিলো, তবে বর্তমান সময়টা কেমন যেন এলোমেলো লাগছে।
আমাদের প্রত্যেকের জীবনে এমন কিছু বিষয় রয়েছে, যে গুলোকে আমরা অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি। তবে খুব সত্যি কথা বলতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেই অগ্রাধিকার গুলো অপ্রকাশিত থেকে যায়। মন থেকে যেগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রয়োজনের তাগিদ অনুভব করলেও বাস্তবিক পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সেগুলো করা হয়ে ওঠে না।
Source |
|---|
যদি এই মুহূর্তে বলতে হয় তাহলে আমার জীবনে সবথেকে যে বিষয়টিকে আমি অগ্রাধিকার দিতে চাই সেটি হল আমার মানসিক প্রশান্তি।
তবে এই মুহূর্তে যদি আমি আমার ব্যক্তিগত অনুভূতি বলি, তাহলে আমি কতখানি মানসিক খারাপ লাগার মধ্যে আছি তা আমি আমার কাছের কোনো মানুষকেই বলে বোঝাতে পারবো না। রোজকার জীবন যাপনে কেউ যদি আমাকে সামনে থেকে দেখে, তাহলে কিন্তু সেটা আন্দাজও করতে পারবে না। এটাই আসল বাস্তবতা।
অবশ্যই এর পরে যদি কোনো বিষয়কে বেছে নিতে হয়, তাহলে সেটা হবে আমার শারীরিক সুস্থতা। কারণ এই পৃথিবীতে এই দুটো কষ্ট কারোর সাথে শেয়ার করা যায় না। হয়তো আমাদেরকে অনেকেই বলে থাকেন যে আমাদের পরিস্থিতি বুঝতে পারছে।
তবে বাস্তবে তা কখনোই সম্ভব নয়। শারীরিক হোক অথবা মানসিক, এই কষ্ট গুলো শুধুমাত্র নিজেকেই বহন করতে হয়। অন্য মানুষের পক্ষে সেটা উপলব্ধি করা কখনোই সম্ভব হয় না।
আমার জীবনে আরেকটি বিষয়কে আমি অগ্ৰাধিকার দিতে চাই সেটি হলো, আমার নিজের একটা বাড়ি হবে। ছোটো থেকে বাপের বাড়িতে বেড়ে ওঠা, বিয়ের পর থেকে আশ্রয় হয়েছে শ্বশুরবাড়ি। এটা আসলে আমাদের সমাজেরই নিয়ম। তবে হ্যাঁ একটা মেয়ে হিসেবে আমি শুধুমাত্র নিজের একটা বাড়ির প্রয়োজনীয়তা জীবনে বিভিন্ন সময় অনুভব করেছি।
তাই আমি এতটুকু সমর্থ্য হওয়ার চেষ্টা করতে চাই,যেখানে আমার নিজের একটা বাড়ি করতে পারবো। নিজের মতো করে সেখানে আমি থাকতে পারবো, যেখানে কাউকে কোনো বিষয়েঐ কৈফিয়ত দেওয়া লাগবে না।
উপরের লাইন গুলিতে আমি আমার একটা অগ্ৰাধিকারের কথা প্রকাশ করেছি, যেটা পূরণ করতে হলে আর্থিক সক্ষমতার প্রয়োজন। তাই বলতে পারেন এই প্ল্যাটফর্মে আমি আমার কাজকে আরও সুন্দরভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। যদিও এই মুহূর্তে স্টিমের দাম এতোটাই কম যে, তার উপরে ভিত্তি করে কোনো স্বপ্ন দেখা উচিত নয়। তবে ক্রিপ্টো মার্কেট এমন একটা জায়গা যেখানে যেকোনো মুহূর্তেই পরিবর্তন আসতে পারে।
তাই বলতে পারেন আমি আমার পরিশ্রম এখানে দিয়ে যেতে চাই। আর এই কারনেই সংসার জীবনের বাইরেও এইখানে আমার কার্যক্রমটি চালিয়ে যাওয়াও আমার অগ্রাধিকারের তালিকাভুক্ত।
|
|---|
Source |
|---|
মানসিক প্রশান্তির যে বিষয়টি আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এর চাহিদা এর পূর্বে এতোটা গভীর ভাবে অনুভব না করলেও, গত তিন চার বছর ধরে যেন তা আর বেশি প্রবল হয়েছে। তবে সেটা যত না নিজের জন্য, তার থেকেও বেশি আমার আশেপাশের প্রিয় মানুষগুলো শারীরিক অসুস্থতার কারণে, জীবনে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছি আমি।
খুব সত্যি কথা বলতে, একটা সময় আমি ভেবেছিলাম কিছু মানুষের থেকে দূরত্ব বজায় রাখবো। কিন্তু তাদের বিপদে আমি তাদের ডাক কে উপেক্ষা করতে পারিনি। তবে এই নতুন বছরে আমি এই বিষয়টিকে নিজের অগ্রাধিকারের তালিকা থেকে বাদ দিতে চাই।
কারণ এমন অনেক সময় হয়েছে যেখানে নিজের শারীরিক অসুস্থতা, মানসিক অবসাদ, শারীরিক ক্লান্তি, সমস্ত কিছু উপেক্ষা করেও আমি সেই মানুষগুলোর পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছি। তবে তাদের থেকে আশানুরূপ ব্যবহার পাইনি। এমনকি কৃতজ্ঞতা বোধের অভাবও লক্ষ্যিত হয়েছে বহুবার।
আসলে যে মানুষগুলো শুধুমাত্র অর্থের বিনিময়ে মানুষের মূল্যায়ন করে, তারা সময়ের মূল্যায়ন করতে জানে না। তাই নতুন বছরে সেই সকল মানুষদের থেকে আমি একটু দুরত্ব বজায় রাখতে চাই, যারা শুধুমাত্র নিজেদের বিপদের সময় আমাকে মনে করে, তাদের ডাককে উপেক্ষা করার চেষ্টা করতে চাই।
|
|---|
Source |
|---|
অবশ্যই আমি বিশ্বাস করি আমাদের জীবনের লক্ষ্য পূরণ করার জন্য অগ্রাধিকারের বিষয়গুলোর একটা স্পষ্ট ব্যাখ্যা থাকা প্রয়োজন। তবে এই ব্যাখ্যা অন্য কারোর জন্য নয়, নিজের মনের কাছেই দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা আছে বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি।
অন্যের জীবনের সাথে নিজের জীবনের পরিস্থিতি গুলো মিলিয়ে যদি আমরা ব্যাখ্যা গুলোকে সাজানোর চেষ্টা করি, তাহলে সেটা সব থেকে ভুল প্রচেষ্টা হবে।কারণ দূর থেকে কারোর জীবনের পরিস্থিতি দেখে অনেকটা এক মনে হলেও, নিজের জীবনের অনুভূতির সাথে সেই ব্যক্তির জীবনের অনুভূতির মিল হবেই, এটা ভেবে অন্যকে ব্যাখ্যা করার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই।
**নিজের জীবনের পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রতিটি অগ্রাধিকারকে সাজানো উচিত। নিজের ভিতরেই ব্যাখ্যা গুলো থাকা উচিত কেন আমরা ক্রমান্বয়ে নিজেদের অগ্রাধিকার গুলোকে সাজিয়েছি। এই স্পষ্ট ধারণা শুধুমাত্র নিজের জীবনকে সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজন বলেই আমি বিশ্বাস করি।
|
|---|
যাইহোক অগ্রাধিকারের বিষয় নিয়ে এই ছিলো আমার নিজস্ব অনুভূতি, যেগুলো আমি উপরোক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করলাম। আপনাদের আমার পোস্ট পড় কেমন লাগলো অবশ্যই মন্তব্যের মাধ্যমে জানাবেন।
পাশাপাশি আপনাদের জীবনের অগ্ৰাধিকার গুলোকে আপনারা কেন বেছে নিয়েছেন, সেগুলোও কনটেস্টে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জানাবেন। আপনাদের আগামী দিনগুলো অনেক ভালো কাটুক, এই প্রার্থনা করে লেখা শেষ করছি। ভালো থাকবেন সকলে।





