জীবন থেকে পাওয়া শিক্ষা ।

in Incredible India24 days ago

IMG_3647.jpeg

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নেয়া ছবি

বেশ কয়েকবারই অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নাদিয়া ইসলামের একটা লেখা পড়েছিলাম যেখানে তিনি লিখেছেন যে, তিনি দুইবার ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন। একটা পর্যায়ে তার শরীর কেমোথেরাপি নিতে পারতেছিলো না এবং শরীরে কোন ধরনের এন্টিবায়োটিক কাজ করতেছিলো না।পরিবারের লোকজন ও ডাক্তারাও তার বাচার আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন।

এমন একটা সময় নাদিয়া ইসলামের একদিন হসপিটালের জানালা দিয়ে বাইরে চোখ পরে। ঠিক সেই মূহুর্তে তারা মনে হয় তাকে বাঁচতে হবে কারন পৃথিবীতে দেখার মতো অনেক কিছুই বাকি রয়ে গেছে।

আর সেদিন থেকেই সবাইকে অবাক করে দিয়ে তার শরীরে মেডিসিন কাজ করতে শুরু করে। এই লেখাটা তিনি এমনভাবে লিখেছিলেন যে, যতবার সামনে এসেছে ততবারই আমি সমান আগ্রহ নিয়ে পড়েছি।

IMG_3509.jpeg

এই ভদ্রমহিলার কিছু জিনিস আমি ব্যাক্তিগতভাবে পছন্দ না করলেও আবার অনেক কিছুই আমি খুব পছন্দ করি ।
সত্যি বলতে এ ধরণের লেখা আমি আরো অনেকবারই পড়েছি কিন্তু নাদিয়ার লেখাটা মনের মাঝে অনেক বেশি দাগ কেটে গিয়েছিলো যার কারনেই ভুলতে পারি নাই।মানুষের মনের জোর কখনো কখনো হয়তো মৃত্যুকেও কিছুটা পেছনে ফেলে দেয়।

তবে এই লেখা পড়ার সময় এটা কখনো ভাবি নাই যে, আমার নিজের জীবনে কখনো প্রভাব ফেলবে বা আমার মনের জোর বাড়াতে সাহায্য করবে। আসলে মানুষ যে কখন কোন পরিস্থিতিতে পরবে সেটা আগে থেকে কখনো কল্পনাও করা যায় না।
অনেক দিন পরে আজকে লিখতে গিয়ে কিভাবে কি লিখবো ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। গুছিয়ে লিখতেও পারতেছি না ঠিকমতো।
স্টিমিটের সাথে যোগাযোগও নেই আমার অনেক দিন থেকেই। লিখবো ভেবেছি অনেকবারই কিন্তু মনোযোগ দিতে পারতেছিলাম না। এরই মাঝে আজকে সিদ্ধান্ত নিলাম যে এলোমেলো যাই হোক সেটাই লিখবো। কিন্তু এই সময়ে জীবনে এত কিছু ঘটে গেছে যে কোথায় থেকে শুরু করবো সেটাও বুঝে উঠতে পারছি না ঠিক মতো।

বেশ কিছু দিন থেকেই একধরনের মানসিক অবসাদে ভুগতেছিলাম। এর জন্য কিছু পারিবারিক কারন ছিলো কিন্তু তার চেয়েও হয়তো বেশি ছিলো দেশের পরিস্থিতি।

এতে করে শুধুমাত্র আমিই হয়তো না কমবেশি সবাই একধরনের অবসাদে ভুগতেছিলো। অবশ্য সেই অবস্থা অনেকটাই কেটে গেছে। দেশে একটা ইলেকশন হয়ে গেছে এবং একটা নির্বাচিত সরকার এসেছে ।

IMG_3177.jpeg

এই মানসিক অবসাদের ভেতরেই টের পাচ্ছিলাম শরীরের ভেতরেও কিছু একটা ঘটে চলছে। যদিও পাত্তা দেই নাই শুরুর দিকে। না দেয়ার পেছনে কারন হলো সমস্যাটা তেমন একটা গুরুতর কিছু ছিলো না।

বেশিক্ষন দাড়িয়ে থাকলে কোমরের নিচের দিকে কেমন যেন একটা অস্বস্তি অনুভব করতাম যা ধীরে ধীরে নিচের দিকে প্রায় হাঁটু পর্যন্ত ছড়িয়ে পরতো । শুধু অস্বস্তি এছাড়া আর কিছুই না।কিন্তু বসার মিনিট দুয়েকের মাঝে আবার ঠিকও হয়ে যেতো।
কিন্তু গুরুত্ব দেয়া উচিত ছিলো সেটা পরে বুঝতে পেরেছি। নিজে সবসময় মানুষকে বলে এসেছি যে, শরীরের ছোট-খাটো সমস্যাকেও কখনো অবহেলা করতে নেই।

পরিবারের অন্যদের বেলায় করিও নাই কখনো। কিন্তু নিজের বেলায় করেছি। আসলে এটা বোধকরি আমাদের দেশের বেশিরভাগ মেয়েদেরই সমস্যা। তারা নিজেকে গুরুত্ব কম দেয়। যাই হোক, শিক্ষা পেলাম এবার আর কখনো এই ভুল করবো না।



Thank You So Much For Reading My Blog

HfhigaP72YBd6w1Kgyw9eMoDygDx869D1PKa6jG8D9C9MQ5rA8UuUvaGRermEeDs8YYv1jb4TX4QUAAbRoaAJFmmUaGZUojU1gWvH66zbc...wdYfZe5zwHZgv7fSFyfX5YWvwFGCJXq8EuycKeaUaXARJjpb61mUGxLAjp1XsJ6PQbzF28Bu6LQTgryC3MSekzsBvnPpE3TAcMAMTMQbf9uvFuTHezySGMDKr6.png

Sort:  
Loading...

Coin Marketplace

STEEM 0.06
TRX 0.32
JST 0.063
BTC 69130.15
ETH 2130.74
USDT 1.00
SBD 0.48