Better Life With Steem | The Diary game ,October , 18 , 2025
বেশ কিছুদিন আগে আমার মেজো ভাশুরের ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছে। কিন্তু তাকে দেখার জন্য আর তার বাসায় যাওয়া হয়নি। না যাওয়ার পেছনে অবশ্য একটা কারণও ছিলো।
আমার শরীর অপারেশন টা একটু ক্রিটিকাল ছিল। অপারেশনের পরে সেন্স আসতেও অনেক সময় লেগেছে। ব্লাডও দিতে অনেক। যার কারণে আমরা ইচ্ছে করেই তার কাছে এতদিন যাই নাই, যাতে তার কোন ইনফেকশন না হয়।
তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যে, ভাইকে দেখতেএকটু সন্ধ্যার সময় ফোন দিয়ে জানালো যে যাবো। আমাদের যাওয়ার কথা শুনে আমার ননাস ও ননদ তারাও যাবে বলে জানালো।এই প্ল্যানটা অবশ্য কয়েকদিন আগেই হয়েছে।
ওই দিকে আগের দিন আমার হাবি তার বন্ধুর বাড়ি শিবালয় গিয়েছে। যাওয়ার সময় বলে গিয়েছিলো যে সন্ধ্যার মাঝেই ফেরত আসবে।
সন্ধ্যার সময় কল দিয়ে জানালো যে, তার বন্ধু তাকে আসতে দিতেছে না তাই সে পরের দিন খুব সকালে রওনা দিয়ে মানে আজকে আসবে।আমরা যেন রেডি হয়ে থাকি। আাসার পরে এক মিনিটও লেট করবে না সোজা নারায়ণগন্জের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যাবে।
এই ধরনের কার্যকলাপ তার জন্য খুব স্বাভাবিক। তার কথা শোনার পরই আমার সন্দেহ হয়েছিলো যে, তার আসতে আসতে এগারোটার বেশি বেজে যাবে
তাই সকালে উঠে ধীরে-সুস্থেই যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করলাম।বাসায় বুয়া আসে না প্রায় দশ দিনের মতো। গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছে যার জন্য কাজের চাপও বেড়েছে।
বিড়ালের খাবার রেডি করে ছোট ছেলেকে বুঝিয়ে দিলাম কিভাবে খাওয়াবে।ওকে বাসায় করে যাবো আমরা। আমাদের সাথে আমার ননাস ও তার বরও যাবে। বড়ো ছেলেকে কাপড় মেশিনে দিতে বলে বাকি কাজ করা শুরু করলাম।
আমার হাবির বাসায় আসতে আসতে প্রায় সাড়ে এগারোটার মতো বেজে গেলো। ওইদিকে আপা ও দুলাভাই সকাল থেকে রেডি হয়ে আছে। তারা কলের পর কল দিয়েই চলেছে। তাই সে বাসায় আসার পরে লেট না করে যত দ্রুত সম্ভব বাসা থেকে বের হলাম।
কিন্তু দ্রুত বের হলে কি হবে, রাস্তায় মারাত্মক রকমের জ্যাম। অন্য সময় আমরা ঢাকা ইউনিভার্সিটির ভেতর দিয়ে সোজা ফ্লাইওভারে গিয়ে উঠি কিন্তু আজকে আপাদের তুলতে গিয়ে ভয়াবহ রকমের জ্যামের মুখোমুখি হলাম।
যাইহোক, ফ্লাইওভার থেকে নামার পর অবশ্য আর লেট হয় নাই। দ্রুতই চলে যাই আমার শ্বশুর বাড়িতে।
আমাদের বড় ভাশুরের বাসায় দুপুরের খাবার খাই। এরপরে আমার দেবরের বাসায় দেখা করে আমার মেজো ভাশুর এর ফ্ল্যাটে যাই তাকে দেখতে।
তাকে দেখে খারাপই লাগলো। ডায়াবেটিস এর জন্য পা এখনো পুরোপুরি শুকায় নাই।আরো সময় লাগবে। বুকেও ব্যাথা রয়েছে। আমার শশুরেরও ওপেন হার্ট সার্জারী হয়েছিলো কিন্তু তার ডায়াবেটিস না থাকার কারনে সে খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন।
মেজো ভাশুরের বাসা থেকে বের হতে হতে সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল। ওইদিকে বড়ো ভাবি রাতের খাবারের আয়োজনও করেছিলো। খাওয়া শেষ করে আপাদের বাসায় নামিয়ে দিয়ে আমাদের বাসায় পৌঁছাতে পৌঁছাতে প্রায় দশটা বেজে গেল




এই লাইনটা আমি ঠিকই লিখেছি।তবে আমার আরো ডিটেইলস লেখা উচিত ছিলো তাহলে বুঝতে সুবিধা হতো ।আমার ভাশুরের পা থেকে ভেইন নিয়ে সেটা হার্টে লাগানো হয়েছে বা কিছু একটা করেছে ।তাই আমি কোন ভুল লিখি নাই ।
আপনার শশুড়মশাই এর কথা পড়েছি আপনার বিভিন্ন লেখায়।ডায়াবেটিস এর রোগীদের এই এক সমস্যা এরা কথা শুনতে চায় না।আমার শাশুড়ি মাকে যতই মিষ্টি জিনিস খেতে নিষেধ করতাম না কেন তিনি সেটা খেতেনই।
আমাদের সামনে খেতেন না , কিন্তু আড়ালে নিজের ইচ্ছে মতো খেতেন ।এটা প্রায় সব ডায়াবেটিস রোগীরাই করে থাকেন ।
এত চমৎকার করে মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।ভালো থাকবেন সবসময় ।
@adeljose , thank you so much sir .