আমাদের গ্রাম
প্রথমেই সকলকে নমস্কার। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব আমাদের গ্রাম নিয়ে।
আমাদের গ্রামের নাম কমলাই। কমলাই গ্রামটি অনেক বড়। কমলাই গ্রামের ছোট্ট একটি পাড়ায় আমি থাকি। এই পাড়ার পরিবেশ সম্বন্ধে আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব । সকাল থেকেই শুরু করি আজ কী কী করলাম। সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে ডাবের জল খেয়ে নেই। তারপর স্নান, খাওয়া করে ইউনিভার্সিটিতে যাই স্কলারশিপের ফর্ম জমা দিতে। আগেই 'My introduction' পোস্ট এ আমি জানিয়েছি আমি Raiganj University তে পড়ি। ফর্ম জমা দিয়ে আসতে আসতে দুপুর হয়ে যায়, আজ রোদের খুব তাপ ছিল আর গরমটাও আজ বেশি ছিল বলে মনে হচ্ছে।
তারপর এসে ইচ্ছে হলো পাড়াটা একটু ঘুরে দেখি, অনেকদিন হলো ঘোরা হয় না। তাই বেরিয়ে পড়লাম ঘুরতে.... আমাদের পাড়াটি খুবই ছোট। ২৫-২৬ টি পরিবার মিলে আমাদের এই পাড়াটি গঠিত হয়েছে। এই পাড়ার মানুষজন খুবই ভালো। একে অপরের পাশে থাকে। আমাদের পাড়ায় প্রায় সবাই একে অপরের আত্মীয়।
এখন বসন্তকাল চলছে.... এই সময় গাছের পুরোনো পাতা ঝরে গিয়ে নতুন পাতা হয়। এই সময় নানারকম ফুল ফোটে। আমাদের পাড়াটি প্রায় গাছ দিয়েই ঢাকা। যেদিকে তাকানো যায় সব দিকেই সবুজ, যেন মনে হয় সবুজে মোড়া পাড়া।
বসন্তকালে আম, জাম, কাঠাল, লিচু সবকিছুরই ফুল আসে....। আমাদের পাড়ার প্রাকৃতিক পরিবেশ খুবই মনোরম। আমাদের পাড়ায় সবাই প্রায় চারা গাছের ব্যবসা করে,, তাই গাছের প্রচলনটা বেশি। আজ গ্রামের কিছু ফটোগ্রাফিও দেখাবো। আজ অনেকদিন পর পাড়াটা ঘুরলাম, বেশ ভালো লাগলো।
শহরে সবরকম সুবিধা খুব দ্রুত পাওয়া যায় গ্রামের তুলনায়, তবুও গ্রামই বেশি পছন্দ আমার। বিকেল হলেই পাখিরা তাদের বাসার দিকে ছুটে যায় কিচির-মিচির আওয়াজ করতে করতে, শুনতে খুব ভালো লাগে। সন্ধ্যা হলেই ঝিঝি পোকার ডাক আর মাঝে মাঝে শেয়ালের ডাক শোনা যায়। রাতে তারার মিটিমিটি আলোয় সারা আকাশ যেন আলোয় ভরে ওঠে। পাড়া ঘোরা হয়ে গেলে বাড়িতে আসি, খাওয়া দাওয়া করে রেস্ট নিয়ে নেই।
তারপর আমার পড়ানো থাকে, আগে কখনও বলা হয়নি যে আমি টিউশন পড়াই। ঠিক সন্ধ্যে ছয়টায় দুটো ছোট ছোট বাচ্চা পড়তে আসলো। তাদের পড়ানো শেষ করে আমি আর মা একটা দিদার বাড়িতে যাই , যাকে আমি মোটা দিদা বলে ডাকি।
সেখানে প্রসাদ খাওয়ার পর কিছুক্ষণ দাদু, দিদার সাথে গল্প করি। তারপর বাড়ি ফিরে আসি।
আজ এখানেই শেষ করছি আমার সারাদিনের গল্প। সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।






মামার বাড়ি যাবো🥺🥺🥺🥺 ছবি দেখে মন খারাপ করছে
চলে আসো...