গনেশ ঠাকুর আঁকা
প্রথমেই সকলকে নমস্কার। আশা করি আপনারা সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন। আমিও বেশ ভালো আছি। আজ আমি আবার একটি নতুন গল্প শেয়ার করতে চলে এসেছি। আশা করি আপনাদের সবার ভালো লাগবে। আজ আমি শেয়ার করবো গণেশ ঠাকুর আঁকানোর স্টেপ।
ছবি আঁকার জন্য আর্ট সিট, পেন্সিল, রবার এবং ব্ল্যাক পেন নিয়ে বসে পরি। প্রথমেই গনেশ ঠাকুরের চোখ দিয়ে আঁকা শুরু করি। তারপর ধীরে ধীরে পেন্সিল দিয়ে গনেশ ঠাকুরের পুরো মুখের স্ট্রাকচার একে নেই, ঠিক নীচের ছবিটির মতো।
তারপর আমি গনেশ ঠাকুরের মুখের বর্ডারটি ব্ল্যাক পেন দিয়ে একে নেই। তারপর গনেশ ঠাকুরের চোখটিও সুন্দর ভাবে পেন দিয়ে একে নেই। তারপর নিজের ইচ্ছে মতো ডিজাইন করতে থাকি। ডিজাইন প্রথমে চোখের পাশে অর্থাৎ গাল থেকে করতে শুরু করি। তারপর শুঁড়ের উপর থেকে অর্থাৎ কপাল থেকে ডিজাইন করতে শুরু করি। কপালে আর একটি চোখ এবং ত্রিশূল চিহ্ন দিয়ে দেই।
আঁকার পর ঠিক এরকম সুন্দর লাগছিল দেখতে। আঁকছিলাম আর ভাবছিলাম এইটুকুতেই কত সুন্দর লাগছে পুরোটা কমপ্লিট করলে আরও কত না সুন্দর লাগবে।
ডিজাইন করতে করতে শুঁড়টি ভরিয়ে দেই। তবে শুঁড়ের এক পাশে ডিজাইন করেছিলাম, অপর পাশটিতে ফাঁকাই রেখেছিলাম। ডিজাইনটি করার আগে আমি পেন্সিল দিয়ে শুঁড় এবং মুখের বর্ডার এর পাশ দিয়ে হালকা শেড দিয়ে নিয়েছিলাম।
তারপর ঠাকুরের মুকুটটিতেও ডিজাইন করতে শুরু করলাম। মুকুটটির প্রত্যেকটা লেয়ারে বিভিন্ন রকম ডিজাইন দিতে থাকলাম। শুধু পেন দিয়ে না এখানে পেন্সিল শেডেরও কাজ করেছি।
মুকুটটি অর্ধেক করার পর এরকম লাগছিল দেখতে। প্রথমে আমি পেন্সিল দিয়ে বর্ডার করে নিলেও পরে ডিজাইনগুলো সব পেন দিয়ে করেছি।
ছবিটি এখন এরকম লাগছে দেখতে। এখনও গনেশ ঠাকুরের কান, গলাসহ চারিপাশে ডিজাইন করা বাকি।
তাই আমি বেশি দেরি না করে বাকি ডিজাইন গুলো করতে শুরু করি। কানের আর গলার ডিজাইনটা আগে করে নেই তারপর বাকি গুলোর প্রথমে বর্ডার টেনে নেই।
তারপর এরকম লাগছিল দেখতে। কমপ্লিট হওয়ার আগেই যেন আমি মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছি এরকম মনে হচ্ছিল ছবিটি দেখে।
তারপর বাকি ডিজাইন গুলো সেরে ফেলি। তারপর আর্ট পেপারের সাইড দিয়ে বর্ডার টেনে নেই এবং আবার হালকা পেন্সিল সেড দিয়ে দেই।
আর শেষে এরকম লাগছিল দেখতে। অপূর্ব সুন্দর, দেখে যেন চোখ জুড়িয়ে যাচ্ছে। এইভাবেই আমি গনেশ ঠাকুরটি একে ফেললাম।
নিজের আঁকা ছবি দেখতে আমার খুব ভালো লাগে। কোনো একটা জিনিস আঁকার পর মনে হয় যেন সব সময় ওটাই দেখতে থাকি।
আজ এখানেই শেষ করছি বন্ধুরা। সবাই ভালো এবং সুস্থ থাকবেন। ধন্যবাদ।






