ট্যুর সুন্দরবন - শেষ পর্ব
নমস্কার বন্ধুরা। আশা করি সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন। আমিও বেশ ভালো আছি। আজ আমি আবার একটি নতুন গল্প নিয়ে চলে এসেছি। আশা করছি আপনাদের সবার ভালো লাগবে। আজ শেয়ার করব সুন্দরবন থেকে ফিরে আসার গল্প।
আগের পোস্টে যেখানে শেষ করেছিলাম আজ সেখান থেকেই আবার শুরু করছি। আগের পোস্টে বলেছিলাম আমাদের জন্য একটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে আমরা যোগদান করি।
অনুষ্ঠানে একটু গান বাজনা হওয়ার পর আমাদের হাতে কিছু জিনিস তুলে দেয়, যেমন আমাকে দিয়েছিল দুটো পেন রাখা ব্যাগ। অনুষ্ঠানটি ভালোভাবে উপভোগ করে আমরা রাতের খাবার খেয়ে নেই এবং তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পরি কারণ আমাদের পরের দিন বাড়ি ফিরতে হবে।
সকালে তাড়াতাড়ি উঠে রেডি হয়ে সুন্দরবনকে bye bye করে বেরিয়ে পরি বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে। পাঁচ দিনের জার্নি আমাদের শেষের পথে।
সবাই মিলে শেষ ছবি তুলে নেই।
প্রথমেই লঞ্চে করে ক্যানিং এ আসি। তারপর সেখান থেকে অটো করে স্টেশনে আসি। সেখান থেকে ট্রেনে করে নৈহাটি স্টেশনে আসি। নৈহাটি থেকে আমাদের ট্রেন চেঞ্জ করতে হবে তাই আমরা ট্রেনের অপেক্ষায় ছিলাম। শুনলাম ট্রেনটি নাকি দু ঘণ্টা পর আসবে।
তখন আমরা একটু ঘুরতে বেরই স্টেশনের আসে পাশেই। তারপর আমাদের মনে পড়লো এখানেই তো বড়মায়ের মন্দির। তারপর আমরা Google Map এ দেখি স্টেশনের কাছেই মায়ের মন্দির খুব একটা দূর না।
হাঁটতে হাঁটতে আমরা মায়ের মন্দিরে পৌঁছে যাই। মাকে দর্শন করি, দর্শন করে যেন মন ভরে গেলো। বাড়ি ফেরার সময় যে এরকম ভালো কিছু দেখব ভাবিনি।
যাইহোক কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা স্টেশনে ফিরে আসি কারণ ট্রেন আসার সময় হয়ে যায়। একটু পরেই ট্রেন আসে..... ট্রেনে উঠে পরি। ট্রেনে আমাদের রাতে খেতে দিয়েছিল বিরিয়ানি। তারপর আমরা শুয়ে পরি। শুয়ে ঘুম না আসায় আমি ফোনের গ্যালারি দেখছিলাম, সুন্দরবনের বিভিন্ন ছবি। এখন গ্যালারি তো সুন্দরবনের ছবি দিয়েই ভরা। সুন্দরবনে আমরা লজ্জাবতী কাঁকড়া দেখেছিলাম। কাঁকড়াটি দেখতে সত্যিই খুব সুন্দর ছিল। এছাড়াও ছোট ছোট লাল কাঁকড়া দেখেছিলাম।
সুন্দরবনে আমি সার্ভে করতে করতে নদীর পাড় থেকে শঙ্খ এবং শামুক এর খোলক কুড়িয়েছিলাম। বেশ ভালো লাগছিল কুড়োতে।
তারপর আমি ঘুমিয়ে পরি। এভাবেই রাত কেটে সকাল হয় আর আমাদের ট্রেন থেকে নামার সময় হয়ে যায়। তারপর আমরা নেমে পড়ি ও বাড়ি ফিরে আসি।
সুন্দরবনে এভাবেই আমরা অনেক মজা ও আনন্দ করেছি। এখানেই আমাদের সুন্দরবনের জার্নি শেষ হলো।
সবাই ভালো থাকবেন। আজ এখানেই আমার গল্প শেষ করছি। ধন্যবাদ।






