B.A. Pass এর শেষ এক্সামের দিনটি কীভাবে কাটালাম
প্রথমেই সকলকে নমস্কার। আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালো আছেন। আমিও বেশ ভালো আছি। আজ আমি আবার একটি নতুন গল্প নিয়ে চলে এসেছি। আজ শেয়ার করব গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট হওয়ার লাস্ট প্র্যাকটিক্যাল এক্সাম এর দিনটি কীভাবে কাটিয়েছিলাম।
প্রথমেই বলি এটি আগের বছরের গল্প। আগের বছর আমার গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট হয়েছে।
সেদিন ছিল আমাদের শেষ প্র্যাকটিক্যাল এক্সাম। এই এক্সামের পর অনেকের সাথেই আর দেখা হবে না। সবাই নিজেদের ইচ্ছেমতো রাস্তা বুঝে নেবে। অনেকের তো বিয়েও হয়ে যাবে। অনেকেই বাইরে পড়তে চলে যাবে। আবার অনেকেই পারিবারিক কারণে পড়া ছেড়ে দেবে। তাদের সাথে হয়তো আর কখনও দেখা হবে না।
তাই এই দিনটি আমাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। তাই আমরা আগে থেকেই একটা প্ল্যান করে রেখেছিলাম। প্ল্যানটি হল আমরা সবাই সাদা রংয়ের জামা পড়ে যাব।
সেই কথা মতো এক্সাম এর দিন সবাই সাদা রংয়ের জামা পড়ে গিয়েছিলাম এবং সাথে সবাই মার্কার নিয়ে গিয়েছিলাম জামার উপর লেখার জন্য। এখন এটা প্রায় সব স্কুল/কলেজ/ ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছাত্রীরা করে থাকে। এই ব্যাপারটা একটি স্মৃতিও হয়ে থেকে যাবে।
এক্সাম দেওয়া শেষ হলে আমরা পুরো ক্লাসরুমের সবাই মিলে একে উপরের জামায় নিজের ইচ্ছে মতো কিছু লিখতে থাকি।
লেখার সময় অনেক আনন্দ উপভোগ হয়। কিন্তু এটা কোনো আনন্দের দিন নয় বরং দুঃখের দিন।
বেশ অনেকক্ষণ ধরেই লেখা লেখি চলে..... তারপর আমরা একটা বড়ো আর্ট পেপারে একটি সুন্দর গাছ একে নেই। গাছটিতে ডাল দেই তবে পাতা দেই না, কারণ আমরা প্রত্যেকে নিজেদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে গাছের পাতা বানানো।
গাছটি ঠিক এরকম। এইভাবেই আমরা প্রত্যেকে নিজের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেই ও নিজের সিঙ্গনেচার করি। কী সুন্দর লাগছে তাই না বলুন!
তারপর আমরা বেশ অনেকগুলি ছবি তুলে নেই সবাই একসাথে। বেশ ভালোও লাগছে আবার অন্যরকম একটা অনুভূতিও কাজ করছে ভেতরে।
এরপর আমরা একে অপরকে নিজেদের আনা পছন্দ মতো কিছু জিনিস দেই। সবাই নিজেদের পছন্দমতো জিনিস নিয়ে এসেছিল।
তবে এটাও আমাদের আগে থেকেই প্ল্যান করা ছিল। তাই এক্সাম চলা সত্বেও আমরা জিনিস কিনি এবং সেগুলো সুন্দর ভাবে খামের মধ্যে ঢুকিয়ে দেই।
জিনিস আমি বেশ এক-দুদিন আগেই কিনেছিলাম। তারপর ভাবলাম খাম ছাড়া জিনিসগুলো দিতে কেমন যেন লাগবে। তাই রাতে বসে বাড়িতে থাকা কাগজ দিয়েই খাম বানিয়ে নেই, সেগুলির উপর সুন্দরভাবে ডিজাইন করে নাম লিখে খামটি বন্ধ করি।
আজ এখানেই শেষ করছি বন্ধুরা। বাকি গল্পটা পরের পোস্টে শেয়ার করব। সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।




