দুপুরের বৃষ্টি

in Incredible India15 hours ago

প্রথমেই সকলকে নমস্কার। আশা করি সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন। আমিও বেশ ভালো আছি কারণ আবহাওয়া বেশ ঠান্ডা ঠান্ডা। এই গরমে ঠান্ডা আবহাওয়া আমরা সবাই চেয়ে থাকি। আজ আমি দুপুরের বৃষ্টি নিয়ে শেয়ার করব। আশা করি আপনাদের সবার ভালো লাগবে।

1000329747.jpg

সেদিন হঠাৎ দুপুরে কালো অন্ধকার মেঘে ঢেকে গেল চারিপাশ। চারিপাশ কেমন যেন থমথমে। সেই মেঘ এবং থমথমে পরিবেশ দেখেই বোঝা যাচ্ছিল প্রচন্ড বৃষ্টি এবং হাওয়া হতে চলেছে। তাই আমরা উঠোনের সমস্ত জিনিসপত্র সঠিক জায়গায় রাখলাম আর ছোট ছোট চারা গাছ গুলোকে বারান্দায় তুলে রাখলাম যেন বেশি বৃষ্টিতে ভেঙে না যায়। তারপর খাওয়ার জল তুলে নিলাম কারণ লাইন চলে সম্ভাবনা খুব বেশি ছিল।

1000480610.jpg

তারপরেই হাওয়া উঠে গেলো..... কিছুক্ষণের মধ্যেই বৃষ্টি শুরু হলো। বৃষ্টির সাথে প্রচন্ড জোরে জোরে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছিল এবং আওয়াজ হচ্ছিল। বারান্দায় বসে আমি বৃষ্টি উপভোগ করছিলাম। বেশ খানিকক্ষণ খুব জোরে বৃষ্টি হলো। তারপর একটুখানি কমে গেলো।

1000480612.jpg

তখন আমি একটি সুন্দর জিনিস দেখলাম। জিনিসটি হলো উঠোনে বৃষ্টির জল জমেছিল সেই জলে যখন বৃষ্টির ফোঁটা পরছিল তখন জলের উপর bubbles এর মতো ভাসছিল। দেখতে খুব সুন্দর লাগছিল। তখন সেটা আমি ক্যামেরাবন্দি করে নেই। জানি না ছবিতে ঠিক মতো বোঝা যাবে কি না।

1000480614.jpg

তারপর বৃষ্টি, হওয়া দুটোই থেমে যায়। ঠিক এই মুহূর্তের অপেক্ষাই করছিল ঠাম্মা। হাওয়া হওয়ার কারণে গাছের ছোট ছোট আম গুলো পরেছে, আর ঠাম্মা সেগুলো কুড়োতে খুব ভালোবাসে। তাই ঠাম্মা বেরিয়ে পরলো আম কুড়োতে।

কিছুক্ষণের মধ্যেই ঠাম্মা আম কুড়িয়ে নিয়ে চলে আসে। আম কুড়ানো একটা শখ বলা যায়। ঠাম্মা আম গুলো কুড়িয়ে এনে নষ্ট করে এমন না, ঠাম্মা আম গুলোকে ভালো করে ধুয়ে কেঁটে আচার বানায়, কখনও কখনও রোদে শুকিয়ে আমের চুনা বানায়।

1000480641.jpg

এর মধ্যেই বুনু বাড়িতে আসলো। বুনু রায়গঞ্জে টিউশন পড়তে গিয়েছিল সেখান থেকেই আসলো। তবে বুনু আসার সময় ভিজে গিয়েছে, টোটোতে ছিল তাও। এত বৃষ্টি আর হাওয়া হচ্ছিল যে টোটো টা মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে পরতে বাধ্য হয়েছিল। আমাদের এখানকার থেকে রায়গঞ্জে বেশি ঝড় বৃষ্টি হয়েছিল।

1000481101.jpg

বিকেলের দিকে একটু বাইরে হাঁটতে বেরিয়েছিলেন তারপরেই দেখলাম রাস্তায় জল জমেছে। এখন আমাদের এখানে একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জল জমে কারণ চারিপাশে বেশ কয়েকটা নতুন বাড়ি হয়েছে তাই জল যাওয়ার রাস্তা নেই।
কী আর করার! সেই জলের মধ্যে দিয়েই হেঁটে আসলাম। তবে এত বৃষ্টি হওয়ার পরেও আকাশে মেঘ থেকেই গেলো।

আজ এখানেই শেষ করছি বন্ধুরা। পরের দিন আবার নতুন কিছু গল্প নিয়ে চলে আসবো। সবাই ভালো থাকবেন। নমস্কার।