রেস্টুরেন্ট- Mother's Hut
প্রথমেই সকলকে নমস্কার। আশা করছি সবাই সুস্থ এবং ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। পিসির বাড়ি গিয়ে ওখানকার একটি বিখ্যাত রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলাম তার নাম হল Mother's Hut, আজ এই রেস্টুরেন্টে যাওয়া নিয়ে শেয়ার করব।
সকালে উঠে স্নান করে রেডি হয়ে খেয়ে নেই। তারপরেই বেরিয়ে পড়ি রেস্টুরেন্টে যাওয়ার জন্য। পিসির বাড়ি থেকে রেস্টুরেন্ট একটুখানি দূর হয়। তাই তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়েছিলাম টোটো করে। রেস্টুরেন্টে আমরা মোট ছয়জন যাচ্ছিলাম- চার বোন, এক ভাই আর একটা দাদা। দাদা যদিও বাইক নিয়ে এসেছিল।
কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা Mother's Hut এ পৌঁছে যাই, ঢুকতেই রেস্টুরেন্টের মালিকের সাথে দেখা হয়ে গেল। তিনি ঈশা দিদির চেনা জানা, তাই একটু কথা বলেই ভেতরে ঢুকলাম। তারপর পছন্দ মতো খাওয়ার টেবিল বসে পড়লাম। এবার খাওয়ার অর্ডার দেওয়ার পালা। প্রথমেই বলি আমরা কী কী খাবার অর্ডার দিয়েছিলাম - crispy baby corn, pizza, fish finger, chicken lollipop, fried rice, naan, paneer butter masala, masala kulcha, chicken bharta, mango ice cream, mango doi, masala coke ইত্যাদি ।
খাবারগুলো যতক্ষণ না আসছিল ততক্ষণ আমরা বেশ মজা করে নিলাম, ছবি তুললাম এবং আড্ডা দিলাম। এরমধ্যেই খাবারগুলো ধীরে ধীরে চলে আসতে শুরু করে...।
এখানে বিশেষ আকর্ষণ হচ্ছে এখানে মানুষ খাবার নিয়ে আসে না, Robot নিয়ে আসে। এই Robot খাবার নিয়ে আসার ব্যাপারটা আমার কাছে নতুন, এর আগে আমি এরকম দেখিনি নিজের চোখে। তো এখানে আমার একটা নতুন এক্সপেরিয়েন্স হলো এবং ব্যাপারটা বেশ ভালো লাগলো।
তারপর আর কী! খাবার আসার পর কি আর চুপ করে বসে থাকা যায়! তাড়াতাড়ি খাওয়া দাওয়া শুরু করে দিলাম। খাবার গুলো বেশ টেস্টি ছিল। এত খাবার অর্ডার করা হয়েছে যে খেয়ে শেষ করা যাচ্ছে না, সবার পেট ভরে গিয়েছে। অবশেষে খাবার বেশি হওয়ায়, পার্সেল করে নিলাম বাড়ির জন্য। তারপর আমরা খাবার জায়গা থেকে বাইরে বেরিয়ে আসলাম।
ভেতরে খাবার জায়গাটা বেশ ভালো ছিল তবে বাইরেটাও খুব সুন্দর ছিল, বেশ খোলা-মেলা । সেখানে অনেক বাগানবিলাস এবং সূর্যমুখী ফুলের গাছ ছিল। যা রেস্টুরেন্টের সৌন্দর্য আরো দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল।
সূর্যমুখী ফুল তো সবারই পছন্দের ফুলের মধ্যে একটি। আমারও সূর্যমুখী ফুল খুব পছন্দের। সেই অপরূপ সৌন্দর্য আমাদের মুগ্ধ করে এবং আমরা সেখানে অনেক ছবি তুলে নেই।
ছবি তোলা শেষ করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেই। যেতে যেতে ট্রেন যাওয়ার কারণে রাস্তায় দাঁড়িয়ে পরতে হয়। হঠাৎ দেখছি ট্রেনটাও মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়লো। ব্যাপারটা ঠিক বুঝতে পারছিলাম না.... কী হলো!
তারপর শুনি ওখানকার একটা মহিলার ট্রেনে পা কাটা পড়েছে। মহিলাটি নাকি পাগলি ছিল।তৎক্ষণাৎ তাকে এম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ব্যাপারটা খুবই দুঃখজনক । কিছুক্ষণ পর ট্রেন চলতে শুরু করলো। তারপর আমরাও যেতে শুরু করলাম। দিনের শুরুটা আনন্দ দিয়ে শুরু হলেও দিনের শেষটা দুঃখজনক ঘটনা দিয়ে শেষ হলো।
আশা করি ঐ মহিলাটি(পাগলি) এখন সুস্থ আছে।
আজ এখানেই শেষ করছি। ধন্যবাদ।





Hi, I invite you to explore the publications of others in the community, utilize your voting power to support high-quality posts, and don't forget to share your valuable comments.
I would also advise you to try and keep your voting CSI <5 and always create high-quality publications.
Curated by: @ripon0630
Useful guides: