জেনারেল রাইটিং : পিকনিক (২য় পর্ব)।

সবাইকে শুভেচ্ছা।
বন্ধুরা,আশাকরি সবাই ভালো আছেন। ভালো ও সুস্থ্য থাকুন এই কামনা সবসময়। বাংলাদেশের আনাচে কানাচে চলছে ভোটের উত্তাপ। প্রার্থীর বিরামহীন ছুটে চলা। উন্নয়নের ফুলঝুরি প্রার্থী ও কর্মীদের মুখে।নির্বাচন ঘিরে নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। মানুষের জানমালের ক্ষতি হচ্ছে কোথায় কোথায়। আমরা অপ্রীতিকর কোন ঘটনা চাইনা। আমরা চাই ভয়ডর হীন একটি স্বচ্ছ নির্বাচন। যেখানে নির্বিঘ্নে মানুষ তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। বন্ধুরা, আমার বাংলা ব্লগে আজ একটি জেনারেল রাইটিং শেয়ার করবো। পিকনিক নিয়ে ১ম পর্বের পর আজ ২য় পর্ব নিয়ে হাজির হয়েছি। আশাকরি ভালো লাগবে আপনাদের।

20260130_140529.jpg

পিকনিক স্পটে প্রবেশটা ছিল দারুণ -অভিনব। ব্যান্ডপার্টির বাদ্যের তালে তালে, স্বেচ্ছাসেবকদের রজনীগন্ধা ফুলের স্টিক দিয়ে পিকনিকে অংশ গ্রহণকারীদের বরণ সত্যি অভিনব। পিকনিক স্পটে ঢুকেই রেজিষ্ট্রেশন। এরপর সকালের নাস্তার পালা। সুশৃঙ্খল ভাবে সবাই নাস্তার প্যাকেট সংগ্রহ করে যে যারমত বসে নাস্তা সম্পন্ন করলো। অনেক বড় পরিসর। খোলামেলা মাঠ। মাঠের পাশে পুকুর। পুকুরের পাড় ঘিরে মেঠোপথ। দারুণ মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। ঢাকার পাশেই গ্রামীণ ছোঁয়া। মাঠের একপাশে পিকনিক মঞ্চ। আরেকপাশে খাবারের পান্ডেল। একটু অদুরে রান্নার আয়োজন। মঞ্চ থেকে ঘোষণা আসছে নাস্তা শেষে শিশুদের খেলাধুলা। শুধু শিশুদের নয় বড়দের জন্যও ছিল নানা খেলাধুলার আয়োজন। মাঠে খেলা চলছে। কেউ কেউ ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেউবা আড্ডায় মেতেছে। আসলে ঢাকায় বসবাসরত নিজ এলাকার মানুষের এরকম আয়োজন নিছক আয়োজন নয়, এযেন শিকড়ের টান প্রাণের টান। প্রতিটি মানুষের চোখমুখ দেখে তাই মনে হচ্ছিল।

20260130_142534.jpg

দিনটি ছিল শুক্রবার। কেউ কেউ জুম্মার নামাজ পড়তে চলে গেল। মঞ্চ থেকে ঘোষণা আসছে দুপুর দেড়টা থেকে দুপুরের খাবার পরিবেশন করা হবে। পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল খাবারের। খাবারের পরেই পুরুস্কার বিতরণ। তখন দুপুর গড়িয়ে বিকেল। খেলাধুলায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীরা পুরুস্কার গ্রহণ করছে।হাততালি দিয়ে সবাই পুরুস্কার গ্রহণকারীকে উৎসাহিত করছে। বাহুল্য ছিলনা কোন কিছুই। ছিলনা বক্তৃতার ফুলঝুরি। এর মাঝেই চা কফি বিকেলের নাস্তা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্টান। ঘড়ির কাটায় তখন সন্ধ্যা ৭টা। ( পরের অংশ আগামীকাল)

Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.