জেনারেল রাইটিং : আম ক্যালেন্ডার।
সবাইকে শুভেচ্ছা,
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা, আশাকরি ভালো আছেন সবাই। ব্যস্ততার কারণে আমার বাংলা ব্লগে যুক্ত হতে পারিনি গত কয়েকদিন। প্রায় ১৫ দিনের মাথায় হাজির হয়েছি। সকাল থেকে পরিস্কার আবহাওয়া। রোদ ছিল। হঠাৎ দুপুর ১২ টার পর থেকে আকাশ অন্ধকার করে অঝরে বৃষ্টি। গত পক্ষকাল ধরে প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে হাওর এলাকার ইরি ধান ডুবে গিয়েছে। কৃষক হয়েছে ক্ষতির সম্মুখীন। সরকারের উচিত বিশেষ সাহায্য নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের পাশে দাঁড়ানো। বন্ধুরা, আমার বাংলা ব্লগে আজ একটি জেনারেল রাইটিং শেয়ার করবো। আম পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুব কম আছেন। শুরু হচ্ছে আমের সিজন। কিন্তু কোন আম কখন খাবেন, আমরা অনেকেই জানিনা। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদিত হয় রাজশাহী বিভাগে। আম চাষি ও ক্রেতাদের সুবিধার্থে রাজশাহী জেলা প্রশাসন ঘোষণা করেছে আম ক্যালেন্ডার। যাতে আম প্রিয় মানুষ সঠিক সময়ে তার পছন্দের আম খেতে পারেন। আমার আজকের জেনারেল রাইটিং এর বিষয় আম ক্যালেন্ডার।
পরিপক্ক, বিষমুক্ত ও সুস্বাদু আম সাধারণ মানুষ খেতে চায়। এজন্য কৃষিবিদ, চাষি, ফল গবেষক, ব্যবসায়ীদের নিয়ে জেলা প্রশাসন যৌথ মতবিনিময় করে বাগান থেকে আম পাড়ার সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। যার ফলে ক্রেতা সাধারণ পরিপক্ক ও সুস্বাদু আম খেতে পারবেন। গত কতেক বছর ধরে আম ক্যালেন্ডার চালুর সুফল পাচ্ছে ক্রেতাসাধারণ। শুধু রাজশাহী জেলা নয়, অন্যান্য জেলা গুলোও আম ক্যালেন্ডার ঘোষণা করেছে।আম ক্যালেন্ডার বাস্তবায়নের ফলে ক্রেতারা পর্যায়ক্রমে বাজারে তার প্রিয় আম পাবে। যার ফলে পরিপক্ক আমা ক্রেতাদের হাতে চলে আসবে। নির্ধারিত সময়ের আগে কোন চাষি বাগান থেকে আম পাড়াতে পারবেনা। বাজারে অপরিপক্ব আম রোধ ও কৃত্রিম উপায়ে আম পাকানো বন্ধে প্রশাসনের এই উদ্যোগ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আম ক্যালেন্ডার কেউ ভঙ্গ করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আম খেতে যারা পছন্দ করেন, ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তাদের অপেক্ষার পালা প্রায় শেষের দিকে। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আম বাজারে আসবে। এই সিজনের প্রথম আম বাগান থেকে পাড়ানো যাবে ১৫ মে। সব ধরনের গুটি আম ১৫ মে থেকে বাজার পাওয়া যাবে ।একসপ্তাহ পর ২২ নে বাজারে আসবে রসালো গোপালভোগ। ২৫ মে বাজারে আসবে রক্ষণভাগ ও রাণী পছন্দ। হিম সাগর পাওয়া যাবে ৩০ মে থেকে। ব্যানানা ম্যাংগো ও সুগন্ধি ল্যাংড়া পাওয়া যাবে জুনের ১০ তারিখ থেকে। এভাবে ১৫ জুন থেকে ফজলি ও আম্রপালি, ৫ জুলাই থেকে বারি-৪, ১০ জুলাই থেকে আশ্বিনা এবং ১৫ জুলাই সর্বশেষ বাজারে আসবে নাবি জাতের আম গৌড়মতি। এছাড়া অঞ্চল ভিত্তিক অনেক আম আছে। জুন থেলে সেই আমগুলো পরিপক্ক হবে। আর হ্যাঁ রংপুর অঞ্চলের বিখ্যাত হাড়ীভাঙা আম জুনের শেষ থেকে খেলে পরিপক্ক পাওয়া যাবে।
আম পছন্দ বন্ধুরা, ক্যালেন্ডার মিলিয়ে আম খান। বিষমুক্র ও পরিপক্ক আম খান। বিষমুক্ত ও পরিপক্ক আম নিজে খান ও অপরকে খেতে উৎসাহিত করুণ। আজ এই পর্যন্ত বব্ধুরা, আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগ নিয়ে। শুভ রাত্রি।
ঢাকা-বাংলাদেশ।
১১ মে, ২০২৬

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.