জাতীয় সংগীত!!
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
একটা দেশের জাতীয় সংগীত সেই দেশের অনেক কিছু প্রকাশ করে। সেই ইতিহাস ঐতিহ্য সেই দেশের প্রকৃতি সার্বভৌমত্ব সবকিছু। জাতীয় সংগীত বলতে একটা দেশের মানুষের জাতীয় গানকে বোঝায়। জাতীয় সংগীত নিয়ে আজ কিছু কথা বলব। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। যেটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন। এবং এটার সুর নেওয়া হয় গগণ হরকরা নামক এক বাউলের গান "আমি কোথায় পাব তারে" এই গান থেকে। জাতীয় সংগীতের সাথে আমার প্রথম পরিচয় ২০০৮ সালে। আমি তখন প্রথম শ্রেণিতে স্কুলে ভর্তি হয়। প্রতিদিন ক্লাস শুরুর আগে সকালে সবাই সমাবেশে দাঁড়িয়ে এই জাতীয় সংগীত গাওয়া লাগতো। তখন যদিও খুব একটা পারতাম না অথবা অনুধাবন করতে পারতাম না।
এরপরে যখন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উঠি এর প্রবণতা বেশ কিছুটা বৃদ্ধি পায়। কারণ আমার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিয়মকানুন ছিল একেবারে কঠিন। ততদিনে জাতীয় সংগীত আমার মুখস্থ হয়ে গিয়েছে। মোটামুটি ঐভাবে যায় কয়েক বছর। তবে যখন আমি দশম শ্রেণিতে তখন একটা মজার ব্যাপার ঘটে। যেহেতু স্কুলে তখন আমরাই সবাই বড় আমাদের মধ্যে শয়তানি করার প্রবণতা ছিল বেশি। বিশেষ করে আমার কিছু ফ্রেন্ডের কথা বলতেই হয়। সমাবেশে যখন জাতীয় সংগীত শুরু হতো আমরা কখনোই গাইতাম না। বেশিরভাগ সময়ে আমরা শুধু মজা করতাম অথবা অন্য কিছু বলতাম। আবার কতদিন সমাবেশ মিস দিয়ে স্যারের দৌড়ানি খেয়েছি তার ঠিক নেই। তখন বন্ধুদের সাথে অনেক কিছুই করেছি না বুঝে।
মাধ্যমিক এর গন্ডে অতিবাহিত করার পর কলেজে গিয়ে আর ঐভাবে জাতীয় সংগীত কখনোই গাওয়া হয়নি। কারণ কলেজে ঐভাবে সবাই সমাবেত হয়ে প্রতিদিন জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় না। এরপর দিন যতই গিয়েছে এই জাতীয় সংগীতের উপর আমার যেন অনূভুতি বৃদ্ধি পেয়েছে। সামগ্রিক বিষয়টা আমি বুঝতে শিখেছি। আহ কী মধুর কী চমৎকার আমাদের জাতীয় সংগীত। কী সুন্দর তার ভাষা কী চমৎকার তার সুর। গতমাসে বাংলাদেশ ভারত ফুটবল ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলাম জাতীয় স্টেডিয়ামে। যখন জাতীয় সংগীত শুরু হলো স্টেডিয়ামের সবাই দাঁড়িয়ে গেল। আমি নিজেও দাঁড়িয়ে গিয়ে বুকে হাত নিয়ে জাতীয় সংগীত টা গাইলাম। আহ সে কী এক অসাধারণ মাধুর্য্য আপনাদের বলে বোঝানো যাবে না।
স্টেডিয়ামে যখন ২০ হাজার মানুষ একসঙ্গে সমাবেত হয়ে জাতীয় সংগীত গাইছিলাম তখন তার অনূভুতি ছিল একেবারে আলাদা। এখন বুঝতে পারি। এই জাতীয় সংগীত শুধুমাত্র একটা গান না। একটা দেশের সামগ্রিক বিষয় কে এটা প্রকাশ করে। এখন আর স্কুলের সময়ের মতো সবার সাথে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়না মোটেই। তবে এখন দিনগুলো অনেক মিস করি। সেই সময় টা আর ফিরে পাব না। এখন নিয়মিত আর এটা গাওয়াও হয় না। সেরকম সুযোগই পাই না। একটা বয়সের পরে মানুষ যখন বুঝতে শেখে তখন সে সবকিছুই অনুধাবন করতে পারে। পৃথিবীর কোন কিছুই একেবারে অকারণে নয়। একটা জাতীয় সংগীত পুরো দেশের মানুষকে এক করতে পারে সমাবেত করতে পারে।
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
অনন্ত মহাকালে মোর যাএা অসীম মহাকাশের অন্তে। যারা আমাদের পাশে আছে তারা একটা সময় চলে যাবেই, এটা তাদের দোষ না। আমাদের জীবনে তাদের পার্ট ওইটুকুই। আমাদের প্রকৃত চিরশখা আমরা নিজেই, তাই নিজেই যদি নিজের বন্ধু হতে পারেন, তাহলে দেখবেন জীবন অনেক মধুর।তখন আর একা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমি ইমন হোসেন। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি একজন ছাএ। তবে লেখাপড়া টা সিরিয়াসলি করি না হা হা। লেখালেখি টা বেশ পছন্দ করি। এবং আমি ফুটবল টা অনেক পছন্দ করি। আমার প্রিয় লেখক হলেন জীবনানন্দ দাস। আমি একটা জিনিস সবসময় বিশ্বাস করি মানিয়ে নিতে এবং মেনে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর।।



.png)



Daily task
https://x.com/i/status/2005910283915780346