ব্যাস্ততার মাঝেও কলিগদের সাথে কাটানো কিছু মূহূর্ত

in আমার বাংলা ব্লগ25 days ago

আসসালামু আলাইকুম

কেমন আছেন সবাই ? আশা করি আপনারা সবাই বেশ ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। বেশ ব্যস্ততায় যাচেছ সময়। সেই সাথে তো রয়েছে প্রচুর মানসিক চাপ। সব মিলিয়ে বেশ হিমশিম খেতেই হরো চ্ছে। তবুও এরই মধ্যে চলে যাচ্ছে সময় আর দিন। আর সেই সাথে জীবন থেকে চলে গেল কিছু সুন্দর সময়ও। বুঝতেই পারলাম না সময়গুলো কখন আসলো আর কখন গেল। যাই হোক আমিও চলে আসলাম আজ আবার আপনাদের মাঝে নতুন করে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আশা করি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।

image.png

১২ই ডিসেম্বর কে মাথায় রেখে বেশ সুন্দর করে সাজানো হয় ভর্তি পরিক্ষায় সহযোগিতার কমিউনিটিকে। আর এই কমিউনিটির উপর দায়িত্ব পড়ে পরীক্ষার জন্য যাবতীয় কাজ সমাধা করার। হলে ডিউটির রোস্টার তৈরি করা, সে সমস্ত রোস্টার ডিউটি গুলো সকল কে বিতরণ করা, বিতরণকৃত রোস্টার ডিউটি গুলো কনফার্ম করা সহ আরও অনেক কাজ। আর বিষয়টি মাথায় রেখেই আমাদের কে বলে দেওয়া হয় আমরা যেন খুব ভোরে অফিসে যাই। আর তাই তো গত একটি মাস বেশ কঠিন একটি সময় গেছে আমার মাথার উপর দিয়ে।

WhatsApp Image 2024-02-10 at 1.35.53 AM.jpeg

WhatsApp Image 2024-02-10 at 1.36.21 AM.jpeg

সেই ভোরে কনকনে ঠান্ডার মধ্যে ঘর হতে বের হওয়া যে কত কষ্টের সেটা বুঝানো যাবে না। আর ঘরে ফেরা সেই রাতে। কখন রাত ৮ টা তো, কখনও রাত ১০ টা। কি যে জীবন গেছে গত একটি মাস। দুপুরে খাওয়া অফিসে। আর তো রইল সন্ধ্যার নাস্তা। সব মিলিয়ে যেমন পরিশ্রম তেমন খাবার। আর এত সব কাজের মাঝে তো রইল প্রিয় কমিউনিটির তে নিজের মনের কথা গুলো পোস্ট করা। সব মিলিয়ে যেন পাগল পাগল লাগছিল আমার। দফায় দফায় ভর্তি কমিউনিটির মিটিং। আর তার জন্য কনফারেন্স কে সুন্দর করে সাজানো। যেন কমিউনিটির সকলের কাছে পছন্দ হয়ে যায়। যাতে কিছুটা সুনাম অর্জন করতে পারি। সব টেনশন গুলোই গেছে ব্রেণের উপর দিয়ে। তবে এরই মাঝে কিন্তু বেশ আনন্দ আর উদ্দীপনা ও ছিল। কখনও কারও জন্মদিন । আবার হয়তো কারও থেকে টাকা খসানো। সব মিলিয়ে যেন বেশ আনন্দের স্বপ্নপুরী ছিল আমাদের।

WhatsApp Image 2024-02-10 at 1.37.02 AM.jpeg

WhatsApp Image 2024-02-10 at 1.37.43 AM.jpeg

১৫০০০ হাজার ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রায় ২৫০ হলসুপার এবং ৩৫০ জন ইনভিজিলেটর কে ফোন করার দায়ত্বটি আমাকেই দেওয়া হয়। আমি তো প্রতিদিন এত গুলো মানুষ কে ফোন করতে করতে শেষ হয়ে যাচ্ছিলাম। কেউ দরে তো কেউ ধরে না। কেউ আবার বিজি বাব দেখায়। আমি তো শেষ। কি আর করার কাজ তো করতেই হবে। দিনের পর দিন পার হয়ে যাচ্ছে। ঘনিয়ে আসছে পরীক্ষার তারিখ। যতই দিন ঘনিয়ে আসছে কাজের চাপ আরও যেন বেড়ে গেছে। তখন তো শুধু ফোন করার মধ্যেই সীমা বদ্ধ ছিল না। সব কাজের সাথেই হাত দিতে হয়েছে।

WhatsApp Image 2024-02-10 at 1.38.16 AM.jpeg

WhatsApp Image 2024-02-10 at 1.39.10 AM.jpeg

তারপর এত এত কষ্টের পর ঘনিয়ে আসলো সেই পরীক্ষার সময়টুকু্। তখন যেন আর নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় তো জুটছিল না। ১৫০০০ ছাত্র ছাত্রীর জন্য বিভিন্ন ট্র্যাংক তৈরি করা। দফায় দফায় সবকিছু গুছানো সব মিলিয়ে নিঃশ্বাস করার মত সময় ‍গুলো পার করতে হয়েছে। তারপর তো আছে সবাই কে ম্যানেজ করা। সব কিছুই। তবে এত কাজ করে আবার সংসাররের কাজ করাটা কিন্তু আমার জন্য বেশ মুশকিল হয়ে পড়েছিল। তবে আমার ছোট বোন @mahfuzanila যদি না থাকতো তাহলে কিন্তু আপনাদের ভাইয়ার বারোটা বেজে যেত। শুধু ও রান্না বান্না করে দিয়েছে দেখেই আপনাদের ভাইয়া খেতে পেরেছে। তাই আমি বলবো এমন বোন ঘরে ঘরে থাকা দরকার।

শেষ কথা

পরিশ্রম যাই হোক না কেন । এমন কাজে থাকতে পেরে কিন্তু খারাপ লাগেনি আমার। বেশ ভালোই লেগেছে আমার। সব মিলিয়ে বেশ বাস্ত কিছুদিন গেল আমার।

পোস্ট বিবরণ

শ্রেণীলাইফস্টাইল
ক্যামেরাVivo y18
পোস্ট তৈরি@maksudakawsar
লোকেশনবাংলাদেশ

আমার পরিচিতি

আমি মাকসুদা আক্তার। স্টিমিট প্লাটফর্মে আমি @maksudakawsar হিসাবে পরিচিত। ঢাকা হতে আমি আমার বাংলা ব্লগের সাথে যুক্ত আছি। আমি একজন গৃহিনী এবং চাকরিজীবী। তারপরও আমি ভালোবাসি আমার মাতৃভাষা বাংলায় নিজের মনের কথা গুলো আমার বাংলা ব্লগের প্লাটফর্মে শেয়ার করতে। আমি ভালোবাসি গান শুনতে এবং গাইতে। আমি অবসর সময়ে ভ্রমন করতে এবং সেই সাথে সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি নিজের ক্যামেরায় বন্দী করতে ও ভালোবাসি। মাঝে মাঝে নিজের মনের আবেগ দিয়ে দু চার লাইন কবিতা লিখতে কিন্তু আমার বেশ ভালোই লাগে। সর্বোপরি আমি ভালোবাসি আমার প্রাণপ্রিয় মাকে।


3W72119s5BjVs3Hye1oHX44R9EcpQD5C9xXzj68nJaq3CeF5StuMqDPqgYjRhUxqFbXTvH2r2mDgNbWweA4YGBo825oLh4oqEqeynn5EZL11LdCrppngkM (1).gif

VOTE @bangla.witness as witness

witness_vote.png

OR

SET @rme as your proxy

witness_proxy_vote.png

1000206266.png

1000206267.png

❤️❤️ধন্যবাদ সকলকে❤️❤️