আমি মো : আশিকুজ্জামান আশিক। বাংলাদেশ থেকে আপনাদের মাঝে।সকলকে জানাই শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটি সকল ভাই ও বোনেরা এবং এই কমিউনিটির সকল মডারেটর এবং ফাউন্ডার। আশা করি আপনারা সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন আলহামদুলিল্লাহ আমি অনেক ভালো আছি আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর রহমতে।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে আবারো হাজির হয়েছে একটি নতুন রেসিপি নিয়ে। রেসিপি টির নাম হল সিংড়ি মাছের ভুনা। অনেকদিন পর এই মাছটি নিয়ে এসেছে বাসায়। আসলেই মাছটি বাজার একটু কম পাওয়া যায়। তবে এই মাছটির ভূনা করলে বেশ দারুন লাগে খেতে। তো চলুন বেশি কথা না বলে শুরু করা যাক।

উপকরণ

| উপকরণ | পরিমাণ |
| সিংড়ি মাছ | ½ কেজি |
| পেঁয়াজ কুচি | পরিমান মতো |
| রসুন বাটা | পরিমান মতো |
| আদা বাটা | পরিমান মতো |
| ঝালের গুড়ো | পরিমান মতো |
| হলুদ গুড়ো | পরিমান মতো |
| গরম মসলা গুড়া | পরিমান মতো |
| ধনিয়া গুড়া | পরিমান মতো |
| লবণ | পরিমাণমতো |
🐟ধাপ ১🐟

| ▶️প্রথমে একটি কড়াইয়ে তেল দিয়ে গরম করে নিলাম।এবার এর মধ্যে পিয়াজ কুচি গুলো দিয়ে দিব একটু লাল এবং ভাজা করে নেওয়ার জন্য। |
🐟ধাপ ২🐟

| ▶️ পেঁয়াজগুলো ভাজা হয়ে গেলে এবার ওর মধ্যে সমস্ত মসলাগুলো দিয়ে দেব। যেমন ঝালের গুড়া,হলুদের গুঁড়া, আদা বাটা,রসুন বাটা উপরের উপকরণ সবগুলোর মধ্যে দিয়ে দিলাম। একটু পানি দিয়ে মসলাগুলো একদম ভুনা করে নেব |
🐟ধাপ ৩🐟

| ▶️ ভুনা করা হয়ে গেলে এবার ওই মসলা ভূনার ভিতরে একটু ধনিয়াপাতা দিয়ে আবার এক মিনিটে নেব। ধনিয়া পাতার জন্য মাছের অন্যরকম একটা টেস্ট হবে। যা অনেক সুস্বাদু লাগে। |
🐟ধাপ ৪🐟

| ▶️ভুনা করা মাসলাগুলোর ভিতরে এবার আমার মাছ ছেড়ে দিলাম। মাছ দেওয়ার পর উপর দিয়ে আবার কিছু ধনিয়াপাতার কুঁচি দিয়ে দিলাম। আপনারা চাইলে ধনিয়াপাতা নাও দিতে পারেন। তবে ধনিয়া পাতা দিয়ে কিছু রান্না করলে সেই দরকারের অন্যরকম একটা ফ্লেভার আসে |
🐟ধাপ ৫🐟

| ▶️ এবার 1-2 মিনিট মাছটা একটু ভূনে নেবো। |
🐟ধাপ ৬🐟

| ▶️ এবার পরিমাণমতো পানি দিয়ে দিলাম মাছটা সিদ্ধ হওয়ার জন্য। পানি দিয়ে 10-12 মিনিট রেখে দেবো। যাতে আমার তরকারিটা পরিপূর্ণ তৈরি হয়ে যেতে পারে। |
🐟ধাপ ৭🐟

| ▶️ এবার কড়াইয়ে ঢাকনাটা খুললেই সুস্বাদু একটা গন্ধ বেরোবে এবং দেখা যাবে আমার তরকারিটা ফুটে গিয়েছে। হালকা নাড়া দিয়ে দিলাম। এবং এই তরকারিটা পরিপূর্ণ তৈরি আমার পেটে যাওয়ার জন্য |
🐟শেষ ধাপ🐟

| ▶️ তো এবার আমার তরকারি টা পরিপূর্ণ ভাবে তৈরি। এবার শুধু বসে আছে কখন আমার পেটে যাবে হাহাহা...। |
- অবশেষে আমার তৈরি সিংড়ি মাছের ভুনা রেসিপি সাথে আমার একটি সেলফি।

তো বন্ধুরা এই হলো আজকে আমার ব্লগ। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। যে যেখানে আছেন সুস্থ থাকবেন ভালো থাকবেন সবার প্রতি দোয়া এবং ভালোবাসা থাকবে সবসময়। আর সবাই দোয়া করবেন যাতে আমি সুস্থ থাকি ভালো থাকি তো বন্ধুরা আজকে এখানেই আপনাদের মাঝে বিদায় নিচ্ছি আবার ও দেখা হবে কোন একটা ব্লগ এর মাধ্যমে ততক্ষণ পর্যন্ত ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং বিদায় টাটা....
ধন্যবাদ সবাইকে
আমি কে
আমি মো: আশিকুজ্জামান আশিক।বাংলাদেশ থেকে। আমি একজন ছাত্র। দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে লেখাপড়া করি।আমি সব সময় কথায় না কাজে বিশ্বাস করি।আর আমি স্বাধীন প্রিয় মানুষ।মনের বিরূদ্ধে কোনো কাজ করি না।নতুন নতুন বিষয় জানতে ও শিখতে খুব আগ্রহী আর নতুন কোন কিছু শিখতে পারলে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে।আমার সখ বই পড়া,গান শুনা এবং ঘোরাঘুরি যা আমার বেশ ভালো লাগে।

ওয়াও ভাই চিংড়ি মাছ ভুনার অসাধারণ একটি রেসিপি আপনি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন আপনার রেসিপিটি দেখেই জিভে জল চলে আসলো খুব করে খেতে ইচ্ছে করছে দেখতেও খুব লোভনীয় দেখাচ্ছে মনে হচ্ছে খেতেও খুব সুস্বাদু হবে ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন আপনার জন্য শুভকামনা থাকলো
ধন্যবাদ আপনার সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য। আপনার প্রতি শুভকামনা রইলো।
খুব সুন্দর হয়েছে আপনার শিং মাছের ভুনা রেসিপি টি। এই রান্নাটি দারুন লাগে আমার কাছে খেতে। রেসিপি টি খুব সুন্দর ভাবে বর্ননা করেছেন আপনি আমাদের সাথে। শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য।
ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য। আপনার প্রতি ও শুভেচ্ছা রইল
ভাই এটা সিংড়ি নাকি চিংড়ি? আমাদের দিকে এ মাছগুলোকে চিরকা মাছ বলে চিনে বেশি। আপনার মাছের ভুনা বেশ মজা হয়েছে দেখেই বুঝা যাচ্ছে। ধন্যবাদ
একদিকে একেক রকম নাম বলে থাকে তবে আমাদের এই দিকে সিংড়ি মাস বলে। আর ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
ভাই আপনার সিংড়ি মাছের নাম শুনে আমি রীতিমত অবাক হয়ে গিয়েছি। ভাইয়া আবার এটা কোন মাছের রেসিপি করল। পরে দেখলাম যে না এটা আমাদের খুব পরিচিত শিং মাছ। এবং কি খুবই সুস্বাদু একটি মাছ। এ মাছটা কমবেশি সবাই পছন্দ করে, মানবদেহের জন্য রক্তস্বল্পতা যাদের থাকে তাদেরকে এই মাছটি বেশি খাওয়ানো হয়। এবং বাচ্চাদের জন্য খুবই পুষ্টিকর একটি মাছ। আপনার রেসিপিটি অনেক সুন্দর করে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন এবং কি ধাপে ধাপে আমাদেরকে দেখিয়েছেন। আপনার রেসিপি টি খুবই সুন্দর হয়েছে দেখেই বোঝা যাচ্ছে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। আপনার জন্য শুভেচ্ছা রইল।
জি ভাইয়া ঠিকই বলেছেন এই মাছটা যাদের শরীরে রক্তশূন্যতা আছে তাদের জন্য খুবই উপকার। এবং তারা অনেক বেশি করে এই মাছটি খায়। আর ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
খুবই সুন্দর একটি মজাদার রেসিপি তৈরি করেছেন কিন্তু একটি ব্যাপার হল যে এই মাছটাকে আসলে আমাদের আমরা শিংড়ি মাছ বলি না আমরা শিং মাছ বলে থাকি। এই মাছটা খুবই উপকারী এবং খেতে খুবই মজার হয় অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে আপনার জন্য শুভকামনা।
তবে ভাইয়া আমাদের এই দিকে এই মাছটির নাম সিংড়ি বলে থাকে। হ্যাঁ খেতে খুবই মজাদার হয়। ধন্যবাদ আপনাকে।
অসাধারণ একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। দেখে মনে হয় খুবই ভালো হয়েছে।ব্যক্তিগত ভাবে এই মাছ আমার খুবই পছন্দের। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ আপনার সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য
আপনি অনেক সুন্দর করে সিংড়ি মাছের রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার রেসিপি টা কিভাবে তৈরি করেছেন তা আপনি আমাদের মাঝে পর্যায়ক্রমে দেখিয়েছেন। রেসিপিটি দেখার পরে আমার এটার খাবার ইচ্ছা হচ্ছে ভাইয়া।
জি ভাইয়া দাওয়াত থাকবে একদিন এসে খেয়ে যাবে। আর ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।