ভেতরে প্রবেশের সময় জুতো, কোমরের বেল্ট, মোবাইল ফোন, ক্যামেরা, ঘড়ি এবং ওয়ালেট কাউন্টারে জমা রেখে মন্দিরে প্রবেশ করতে হয় । এটা শুনেই আমার মন্দিরের ভেতর যাওয়ার ইচ্ছে সম্পূর্ণরূপে অন্তর্হিত হয়ে গেলো ।
এতো কড়াকড়ি নিয়ম দেখলে মেজাজ খারাপ হয়। জুতা,ফোন এবং ক্যামেরা কাউন্টারে জমা রাখলে সেটা ঠিক আছে, কিন্তু কোমরের বেল্ট এবং ওয়ালেট জমা রাখার ব্যাপারটা বাড়াবাড়ি মনে হয়েছে আমার কাছে। সাধারণত এসব কিছু জমা রাখে এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশন ক্রস করার সময়। যাইহোক আপনি এবং আমাদের স্বাগতা বৌদির ছোট বোন মন্দিরের ভিতরে প্রবেশ না করে, মন্দিরের প্রাঙ্গনটা ঘুরেছেন এবং চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন দাদা। লিঙ্গরাজ মন্দির প্রাঙ্গনটা আসলেই খুব সুন্দর। দাদা কোথাও ঘুরতে গেলে খাওয়া দাওয়া করার সময় ঠিক থাকে না। বেশিরভাগ সময় দেরি হয়ে যায় খেতে। সবমিলিয়ে পোস্টটি বেশ উপভোগ করলাম দাদা। যাইহোক পরবর্তী পর্ব অর্থাৎ এই সিরিজের অন্তিম পর্বের অপেক্ষায় রইলাম দাদা।