ডাল সেদ্ধ রেসিপি।
কেমন আছেন "আমার বাংলা ব্লগ"এর সকল সদস্যরা? আশা করি সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদে সবাই খুব ভালো আছেন। আমিও খুব ভালো আছি। আজ আমি একটি পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি। আশাকরি আমার পোস্টটি পড়ে আপনাদের খুব ভালো লাগবে।
আজকে আমি আপনাদের সাথে যে রেসিপিটি শেয়ার করতে চলেছি সেটা মনে হয় এইভাবে কেউ খায় না। আর যারা খায় তারা অনেক বেশি নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন। কারণ আমি বাস্তবে কাউকেই এমন ভাবে ডাল সেদ্ধ করে খেতে দেখিনি। আসলে যারা অনেক বেশি স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন, সুস্থ থাকার জন্য অনেক পুষ্টিকর ভালো খাবার খেতে চায় তারাই একমাত্র পারবে এই রেসিপিটি খেতে। কারণ সবাই এমনভাবে এই সব সেদ্ধ খাবার খেতে পারে না। যাদের ওজন অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে ওজন কমাতে হবে এবং ভাতের পরিমাণ খাবারে অনেক বেশি কমিয়ে দিতে হবে তাদের জন্য এমন টুকটাক খাবার অনেক বেশি উপকারী।
এই খাবারটি খাওয়ার পদ্ধতি আমি ছোটবেলায় আমার দিদির কাছ থেকে শিখেছিলাম। ছোটবেলায় আমার দিদি আমাকে এইভাবে ডাল সেদ্ধ করে খাওয়াতো। আর তখনই আমার অনেক বেশি সুস্বাদু লাগতো এই খাবারটি খেতে। আমরা বিদেশীদের খাদ্য তালিকায় এবং খাবার প্লেটে দেখেছি এমন সিদ্ধ খাবার তারা একটু বেশি খায়। সত্যি কথা বলতে বিদেশীদের এমন বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি সেদ্ধ করে খেতে দেখলে আমার খুব ভালো লাগে। আর আমিও চেষ্টা করি এমনই খাবার খাওয়ার, যদিও সব সময় সম্ভব হয় না তবুও মাঝেমধ্যে খেয়ে থাকি। তাই আমি ভাবলাম আপনারাও যদি কেউ আমার মত এমন সেদ্ধ খাবার খেতে পছন্দ করেন তাহলে তাদের এই রেসিপিটি জানা থাকলে তারাও খেতে পারবে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক আজকের রেসিপিটি।
∆উপকরণ∆
সবুজ মুগ ডাল
লবণ
লেবু
∆সবুজ মুগ ডাল রান্না পদ্ধতি∆
প্রথমে আমি এক বাটির অর্ধেক বাটি সবুজ গোটা মুগডাল নিয়ে নিয়েছি। এই মুগ ডালটি কয়েকবার জল দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার জলে মুগ ডাল পুরো যেন জলের মধ্যে ডুবে যায় এমন ভাবে পুরো বাটি ভর্তি করে জল দিয়ে ভিজিয়ে রেখে দিলাম দু তিন ঘন্টার মত। ইচ্ছা করলে সারারাত ধরেও ভিজিয়ে রেখে দেওয়া যায়। দু তিন ঘন্টা পর মুগ ডাল আবার একটু ভালো করে পরিষ্কার জলে ধুয়ে জল পাল্টে ভালো জল অল্প পরিমাণ নিয়ে নিলাম। জল এমন পরিমাণ নেব যেন মুগ ডালটি সেদ্ধ হয়ে যায় সাথে জলও শুকিয়ে যায়। কিন্তু মুগ ডাল পুরো গোলে না যায়, মুগ ডাল সেদ্ধ করে পুরো গলে গেলে খেতে একদমই ভালো লাগবে না। পরিমাণ মতো জল দিয়ে সেদ্ধ হতে বসিয়ে দিলাম। মুগ ডালের পুরো জল শুকিয়ে গেলে একটা চামচ দিয়ে দেখলাম ডালও সুন্দর সেদ্ধ হয়ে গেছে। এবার নামিয়ে নিলাম। একটি লেবু নিয়ে অর্ধেক টা কেটে নিয়ে সেই অর্ধেক লেবুর রস করে নিলাম।
সেদ্ধ করা ডালের মধ্যে অর্ধেক লেবুর রস এবং স্বাদমতো লবণ মিশিয়ে সুন্দর করে চামচ দিয়ে মাখিয়ে নিলাম। সব উপকরণ ভালো করে মিশে গেলে প্রস্তুত হয়ে গেল সেদ্ধ ডাল খাওয়ার জন্য। এই গোটা সবুজ মুগ ডালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ফাইবার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম যা আমাদের শরীরের বিভিন্ন ঘাটতি কম করতে সাহায্য করে। এছাড়াও সবুজ দল আমাদের থাইরয়েড সমস্যা দূর করে, স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি কমায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়াও এই ডালে রয়েছে ফাইবার ও প্রোটিন যার সাহায্যে আমাদের অতিরিক্ত ওজন কমতে সাহায্য করে। এই ডালে এত গুনাগুন আছে যে আমাদের শরীরকে অনেক বেশি সুস্থ রাখার ক্ষমতা রাখে। যেহেতু এই সবুজ মুগ ডাল খাওয়া অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর তাই সবারই এই ডাল খাওয়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
ক্যামেরা পরিচিতি : Realme
ক্যামেরা মডেল : realme narzo 60 pro
ক্যামেরা লেংথ : 26 mm
আশা করি আজকের পোস্টটি আপনার খুব ভালো লেগেছে। আর ভালো লাগলে কমেন্ট করে অবশ্যই আমাকে জানাতে ভুলবেন না।








আপনার ডেইলি টাস্ক গুলো পুরন করেন নি, পুরন করে কমেন্ট করে দিবেন।
রেসিপিটা একদম সহজ ছিল এবং ভিন্ন ধরনের একটা রেসিপি ছিলো। আপনি আজকে খুব মজার একটা রেসিপি শেয়ার করেছেন। রেসিপি টা দেখে বেশ ভালো লাগলো। লেবুর রস দেওয়াতে নিশ্চয়ই সুস্বাদু হয়েছে খেতে। ধন্যবাদ আপু মজার একটা রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
যে কোন খাবারের সাথে লেবুর রস দিয়ে খেতে অনেক সুস্বাদু লাগে। নিশ্চয় আপনার খাবারটি ও অনেক সুস্বাদু হয়েছে। রেসিপিটা অনেক ইউনিক এবং অনেক সহজ। ধন্যবাদ আপনাকে।
সেদ্ধ খাবার গুলো আমাদের শরীরের জন্য উপকারী। কিন্তু আমরা বাঙালিরা মশলা জাতীয় বা মুখরোচক খাবার খেতে খেতে এরকম সিদ্ধ খাবার গুলো মুখে তুলতে পারি না আপনার রেসিপিটা দেখে একদম সহজ লেগেছে। তবে এরকম খাবার গুলো আমাদের শরীরের জন্য অনেক বেশি উপকারী। যদিও কখনো খাওয়া হয়নি। যেহেতু আপনি ছোটবেলায় খেতেন তাইতো আপনার অভ্যাস হয়ে গিয়েছে।