জেনারেল রাইটিং - ভালো সার্ভিস মানে বেশি ভোক্তা।
আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় আমার বাংলা ব্লগবাসি, কেমন আছেন আপনারা? আশাকরি সকলেই ভালো আছেন। আজ আপনাদের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং শেয়ার করবো। যার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, ভালো সার্ভিস দিলে ভালো ভোক্তা পাওয়া যায়।

এটা আমরা কমবেশি সবাই জানি যে, এই জগতে যারাই অর্থাৎ যেসব কোম্পানি তাদের ভোক্তাদের নিয়ে ভাবে, যারা ভোক্তাদের সর্বোচ্চ ভালো রকমের সার্ভিস প্রদান করে তারাই ভোক্তাদের কাছে জনপ্রিয় হয়। দিনশেষে তারাই লাভবান থাকে। এ কথাটা একদমই ধ্রুব সত্য।
একটা সময় গুলিস্থান থেকে ফার্মগেট হয়ে সাভার ঘুরে চন্দ্রা পর্যন্ত একটা বাস যেত নাম ছিল, ওয়েলকাম। সাভার থেকে ঢাকাগামী তখন বেশ কয়েকটি বাস ছিল। ইতিহাস, মৌমিতা, সাভার পরিবহন, বৈশাখী, শুভযাত্রা সহ এমন অসংখ্য বাস তখন সার্ভিস নামে। তার মধ্যে ওয়েলকাম বাস্টের জনপ্রিয়তা ছিল সবার উপরে। কারণ তাদের সার্ভিসের মান খুবই ভাল ছিল। যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে যাত্রী তুলতোও না, যাত্রী নামাতও না। পুরো সিটিং সার্ভিস এর নিয়মই তারা অনুসরণ করতো।
কিন্তু কয়েক বছর ধরে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায়, অর্থাৎ অন্যান্য বাসের সার্ভিসের মান খুবই খারাপ হওয়ায় তারা একচেটিয়া রাজত্ব করছিল। যার ফলে তাদের মনে অহং চলে আসে এবং তাদের সার্ভিসের মান খুবই খারাপ হয়। যদিও উল্লেখিত বাঁধগুলো তুলনায় তারা এখনো কিছুটা ভালো অবস্থায় আছে, তবে আগের অবস্থানে নেই এটা একদম নিশ্চিত। ঠিক তখনই সাভার থেকে মিরপুরগামী একটি বাস নামে। বাসটির নাম আর রাজধানী। তাছাড়া মানিকগঞ্জ থেকে গাবতলী পর্যন্ত যাওয়া সেলফি পরিবহন কিংবা মানিকগঞ্জ থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত যাতায়াত করা নীলাচল পরিবহনের সার্ভিস এর মান বেশ ভালো। যার কারণে এখন এই অঞ্চলে এই তিনটি বাসের জনপ্রিয়তা অনেক বেশি।
অবস্থাটা এমন হয়েছে, এই তিনটি বাসের যেকোনো একটি ধরার জন্য মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে। আর বাকি কোম্পানির বাসগুলো রাস্তায় ফাঁকা দাঁড়িয়ে থেকে ডেকে ডেকেও যাত্রী তুলতে পারেনা। এটাই হচ্ছে ভাল সার্ভিসের ফলাফল। সার্ভিস যত ভালো হবে ভোক্তা তত বাড়তে থাকবে। আমি জানিনা ঠিক কি কারনে অন্যান্য কোম্পানিগুলো এই নিয়ম অনুসরণ করে না।