জেনারেল রাইটিং - সচেতনতা।
আসালামুআলাইকুম। প্রিয় আমার বাংলা ব্লগবাসী, কেমন আছেন আপনারা? আশা করি সকলেই ভালো আছেন। আজ আপনাদের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং শেয়ার করব। যার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, সচেতনতা।

সচেতনতা হচ্ছে এমন একটি বিষয় যা আমাদেরকে অনাকাঙ্ক্ষিত নানারকম ঘটনা থেকে সুরক্ষা দেয়। একজন সচেতন মানুষ সাধারণ অন্য মানুষের চেয়ে খুব কমই ঝামেলার মধ্যে পড়ে। অর্থাৎ সচেতনতা আমাদেরকে নানা রকম অহেতুক জামেলা থেকে মুক্তি দেয়। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমরা খুবই অসচেতন।
যেমন ধরুন রাস্তাঘাটে চলাচলের ক্ষেত্রে, রাস্তা পারাপারের সময় আমাদের উচিত ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করা। কিন্তু আমরা কজন সেটা করি? নিদনপক্ষে পথচারী পারাপারের জন্য যে ডোরাকাটা রেখাগুলো থাকে সেগুলো মান্য করে আমাদের রাস্তা পার হওয়া উচিত। কিন্তু আমরা এতটাই অসচেতন এবং অলস যে সেটাও মানি না। যার কারণে দেখা যায় হর হামেশা রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটে।
কর্মস্থলে যাওয়ার পথে আমরা চলন্ত বাসে উঠি। যা প্রমাণ করে আমাদের অসচেতনতার মাত্রা খুবই বেশি। আমাদের এই অসচেতনতাকে আমরা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য অহেতুক অজুহাত দাঁড় করাই। অর্থাৎ আমরা নিজ সৃষ্ট সমস্যা কে নিজেরাই স্বীকৃতি দেই।
পাড়া মহল্লায় রাস্তার পাশে ভ্যানে করে নানা রকমের জিনিসপত্র বিক্রয় করা হয়। বিশেষ করে নানা রকমের সবজি, শাক, ফলমূল ইত্যাদির খুবই জনপ্রিয়তা বেড়ে গেছে। কারণ এতে করে বাসা থেকেই বাজার না গিয়ে বাজার শেষ করা যায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমি সব সময় খেয়াল করি, ক্রেতারা জিনিসপত্র যাচাই করার জন্য রাস্তার এমন পাশে দাঁড়ায় যেই পাশ দিয়ে সব সময় গাড়ি ঘোড়া চলাচল করে। কেবলমাত্র সচেতনতার অভাবেই এভাবে একজন মানুষ দাঁড়াতে পারে। কারণ যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। উপরে পাওনা হিসেবে আমাদের দেশে বিদ্যুৎ চালিত অটো রিক্সার পরিমাণ খুবই বেড়ে গেছে। যারা এসব অটোরিকশা গুলো চালায় তারা কোন নিয়ম-কানুনই জানেনা। এতে করে দুর্ঘটনার পরিমাণ খুবই বেড়ে গেছে।
উদাহরণ দিলে এমন অহরহ উদাহরণ দেওয়া যাবে যেখানে আমাদের অসচেতনতা খুবই নিদারুণ ভাবে প্রতিফলিত হয়। এসব বিষয়ে আমাদেরকে সর্বোচ্চ সতর্ক এবং সচেতন হতে হবে। কারণ আমাদের ছোট্ট একটি অসচ্ছলতার কারণে আমাদের কিংবা অন্য কারো বড় রকমের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।

...

ভাই আপনার ইপুশ ব্যালেন্স একদমই নেই, দ্রুত পুশ রিচার্জ করার অনুরোধ করা হলো। ধন্যবাদ