জেনারেল রাইটিং - ঈদের বাজার।
আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় আমার বাংলা ব্লগবাসী, কেমন আছেন আপনারা? আশা করি সকলেই ভাল আছেন। আজ আপনাদের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং শেয়ার করব। যার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, ঈদের বাজার।

বহু প্রতিক্ষার পর আগত রমজান মাস এর ১৯ দিয়ে ইতিমধ্যে চলে গেছে। আর মাত্র ১০ দিন পর ওই ঈদ। ঈদ মহান সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক নির্ধারিত আমাদের জন্য একটি উৎসবের দিন। তাছাড়া আমরা বাংলাদেশীরা উৎসবমুখর জাতি। যেকোনো দিনকেই আমরা উৎসবের দিনে রূপান্তরিত করার এক অদ্ভুত ক্ষমতা রাখি।
যাইহোক সে কথা। ঈদের দিনে নতুন পোশাক পরার একটি বিধান রয়েছে। আমরাও এই দিনটিকে খুব সুন্দর এবং আড়ম্বর ভাবে পালন করার জন্য নতুন পোশাক কিনে থাকি। আমাদের বাংলাদেশের স্থানীয় পোশাক বাজার মূলত এই দিকে তাকিয়ে থাকে। এই সময় তারা প্রচুর মুনাফা করে সারা বছরের ঘাট্টি পুষিয়ে থাকে।
ঈদের বাজারে মানুষ যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী নতুন নতুন পোশাকে কিনে থাকে। পোশাকের পাশাপাশি চাহিদা বাড়ে জুতারও। জুতার কোম্পানিগুলো ঈদকেন্দ্রিক নতুন নতুন মডেল বাজারে আনে। ক্রেতাদের চাহিদাও থাকে তুঙ্গে। এর পাশাপাশি আরেকটি পণ্যের চাহিদা এ সময় বেড়ে যায় আর তা হচ্ছে নানা রকমের গহনা, অলংকার এবং অন্যান্য কসমেটিক্স। আমাদের দেশে বর্তমানে গহনা ছাড়া নারী কল্পনাই করা যায় না।
ঈদের বাজার যতটা না আমাদের জন্য অর্থাৎ ক্রেতাদের জন্য, ততটাই বিক্রেতাদের জন্য। কেননা বাংলাদেশের বহু পোশাক ব্যবসায়ী, কসমেটিকস ব্যবসায়ী সারা বছরের ঘাটতি এই সময় পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় থাকে।
এজন্য ঈদের অনেক আগে থেকেই ঈদের বাজার জমে ওঠে। বিশেষ করে রোজা শুরু হলেই মানুষ ঈদের বাজারের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে। বেশিরভাগ মানুষ ইতিমধ্যেই ঈদের বাজার শেষ করে ফেলেছে। কিছু মানুষ আছে যারা একদম সেই দিন গিয়ে ঈদের বাজার করে। বিশেষ করে ছেলেরা। যাইহোক, সকলের ঈদ আনন্দে কাটুক এই কামনা রইল।
ঈদের কেনাকাটা এবং বাজারের আমেজ নিয়ে দারুণ একটি পোস্ট লিখেছেন, @sabbirakib! ১৯ রোজা শেষে ঈদের প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে, আপনার লেখায় সেই ব্যস্ততার চিত্রটি খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। সবার ঈদ আনন্দে কাটুক, এই শুভকামনা রইল।
আমি 'আফরিন' একজন এক্টিভ মেম্বার প্রতিনিয়ত আমি অপেক্ষা করি আপনাদের মিনিংফুল একটা ব্লগ এর জন্য পাশে থাকবেন আমার ধন্যবাদ 🌸❤️
আপনার জন্য দোয়া এবং শুভ কামনা রইল।