জেনারেল রাইটিং - সততা এবং ন্যায় নীতিতে অটল থেকে সাফল্যের শীর্ষে ওঠা।
আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় আমার বাংলা ব্লগবাসি, কেমন আছেন আপনারা? আশা করি সকলেই ভাল আছেন। আজ আপনাদের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং শেয়ার করব। যার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, সততা এবং ন্যায় নীতিতে অটল থেকে সাফল্যের শীর্ষে ওঠা।

গতকাল বাংলাদেশের স্বনামধন্য ফার্মাসিটিক্যালস কোম্পানি স্কয়ার নিয়ে একটু ঘাটাঘাটি করলাম। তখন কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা স্যামসান এইচ চৌধুরীর স্মৃতিচারণা মূলক একটি লেখা পড়ছিলাম প্রথম আলোর একটি আর্টিকেলে। যেখানে বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করছিলেন তার ছেলে তপন চৌধুরী। সেখানে ভ্যাট - ট্যাক্স সংক্রান্ত একটি কথোপকথন ছিল বাবা এবং ছেলের মধ্যে। কপিরাইট ইনফ্রিগমেন্ট এর ঝামেলা এড়ানোর জন্য আমি সে কথোপকথন এখানে বলছি না। তবে যা বলার তা হচ্ছে, নীতিতে স্যামসান এই চৌধুরী ছিলেন অসাধারণ একজন মানুষ। তিনি সততায় বিশ্বাস করতেন এবং সবাইকে সবার প্রাপ্য বুঝিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর ছিলেন।
তিনি রাষ্ট্রকে রাষ্ট্রের পাওনা, ভোক্তাকে ভোক্তার পাওনা, এবং নিজের ও তার অন্যান্য শেয়ার হোল্ডারদেরকে তাদের নিজ নিজ পাওনা বুঝিয়ে দিতে সব সময় চেষ্টা করেছেন। যার প্রমান আমরা দেখতে পাই তাদের ত্রি - মাসিক এবং বার্ষিক অডিট রিপোর্টগুলোতে। সেখানে তারা পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ দিয়ে রাখেন। কোন খাত থেকে কত টাকা তাদের লাভ হয়েছে এবং সেই লাভ তারা কিভাবে কিভাবে বন্টন করেছেন, তার পুরো বিবরণ তাদের সেই অডিট রিপোর্টগুলোতে পাওয়া যায়।
আমি বাংলাদেশের অন্যান্য অনেক ফার্মাসিটিক্যালস কোম্পানির ওয়েবসাইট ঘেটেছি। সেখানে এমন পুঙ্খানুপুঙ্খন বিবরণ তো দূরের কথা, অনেক ফার্মাসিটিক্যালস কোম্পানি বছরের পর বছরের অডিট রিপোর্টও তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে না।
এ থেকেই বুঝা যায়, স্কয়ার কোম্পানি বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানে কেন রয়েছে এবং কেন বছরের পর বছর ধরে তারা বাংলাদেশের শীর্ষ ঔষধ কোম্পানি হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়ে আছে। তারা যথেষ্ট সৎ এবং সবাইকে সবার প্রাপ্য বুঝিয়ে দেয়। যার কারনে তারা কখনোই পতিত হয়নি। তাদের এই সততা যদি তারা ধরে রাখে, অদূর ভবিষ্যতেও তাদেরকে পরাভূত করে অন্য কেউ শীর্ষস্থান দখল করবে এটা আমি মনে করি না।
