" অনলাইন থেকে ছেলের জন্য পিনাট বাটার আনা হলো "

in আমার বাংলা ব্লগ7 days ago

হ্যালো বন্ধুরা,

মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার প্রিয়"আমার বাংলা ব্লগ"এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগন,কেমন আছেন সবাই?আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে ভালো আছি।

বন্ধুরা,আমি @shimulakter"আমার বাংলা ব্লগ" এর একজন নিয়মিত ও অ্যাক্টিভ ইউজার।বাংলায় ব্লগিং করতে পেরে আমার অনেক বেশী ভালো লাগা কাজ করে মনের মাঝে।তাইতো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত মনের নানান অনুভূতি গুলো নিয়ে নানা রকমের পোস্ট শেয়ার করে থাকি।আজ ও আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে।আশাকরি সবাই সঙ্গেই থাকবেন।

অনলাইন থেকে ছেলের জন্য পিনাট বাটার আনা হলোঃ


34373.jpg

বন্ধুরা,আজ আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে।আজ আমি শেয়ার করে নেবো একটি লাইফ স্টাইল পোস্ট।জীবনে প্রতিনিয়ত কতোই না ঘটনার মধ্যে দিয়ে আমাদের কে যেতে হয়।কখনো আনন্দ,কখনো ও বা কষ্ট।এই দুটো নিয়েই আমাদের জীবন।আমাদের জীবন বয়ে চলে আনন্দ আর বেদনার মধ্যে দিয়ে।সেই আনন্দ অনুভূতি আপনাদের মাঝে ভাগ করে নিতে পারলে ভীষণ ভালো লাগে।আজ শেয়ার করে নেবো লাইফ স্টাইল পোস্ট।

34371.jpg

আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন ছেলের স্কুলে ভর্তি হওয়ার সুবাদে এখন আমি আর ঢাকাতে বসবাস করছি না।আমি এ বছর শ্বশুরবাড়িতেই আছি।ঢাকায় থাকাকালীন একটা সুবিধা ছিল যা কিছু যখন দরকার হত নিউ মার্কেটে চলে যেতাম।আর মার্কেটে যেতে না পারলে অনলাইনে যেকোনো কিছু অর্ডার করে দিতাম।কিন্তু এখন ঢাকা থেকে অনেকটা দূরে আছি।ইচ্ছে হলেই আর কোন কিছু যখন তখন কেনা হয়ে উঠে না।প্রতিটি জায়গাতই কিছু না কিছু সুবিধা কিংবা অসুবিধা থেকেই যায়।

34374.jpg

ছেলের স্কুল ৯ টা থেকে ২ টা।কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বাসা থেকে স্কুল প্রায় অনেকটা দূর।স্কুলে পৌঁছাতে দেড় ঘন্টা সময় লাগে।তাই স্কুল ৯ টায় শুরু হলেও ছেলেকে স্কুল বাসে সকাল ৭ টায় দিয়ে আসতে হয়।স্কুলে সাড়ে আটটায় পৌঁছে যায়।সমস্যা হলো এতো সকাল সকাল ছেলে একদমই কোন খাবার খেতে চায় না।বাচ্চা মানুষ স্কুলে গিয়ে টিফিনের সময়টাতে খেলা নিয়েই ব্যস্ত থাকে।তাই টিফিনেও তেমন কিছু ই সে খায় না।যদিও টিফিন বাসা থেকে তৈরি করে দেই।কিন্তু বাসায় এলে ব্যাগ চেক করলে দেখা যায় টিফিন বক্সেই পরে আছে।এটা খুব কষ্টদায়ক বিষয় আমার জন্য।ওর পাপা ওর কাছে টিফিন খায়নি কেন জানতে চাইলে ছেলে জানায় টিফিন খেতে গেলে খেলার সময় নাকি পায়না।তাই সে টিফিন খায় না।

34373.jpg

আর এ কারনে আমি ভাবলাম ওর পছন্দের কোন কিছু যদি আনা হয় তবে সকালে ও নাস্তা করেই বাসা থেকে বের হবে।এই ভাবনা থেকে আমি ফেসবুকের একটি পেইজ থেকে পিনাট বাটার অর্ডার করেছিলাম।ওনাদের কম্বো অফার থেকে পাঁচটি পিনাট বাটার আমি অর্ডার করলাম।যেহেতু ঢাকা থাকা হয়না,ভেবেছি বাড়িতে অর্ডারটি আসতে বেশ সময় নিবে।কিন্তু আমি অবাক হয়ে গেলাম অর্ডার দেয়ার দুইদিনের মধ্যে আমাদের পার্সেলটি আমরা হাতে পেয়ে গেলাম।

এই অফারে ছিল ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের পিনাট বাটার।পাউরুটি দিয়েই শুধু নয়,আমি হাতে বানানো রুটি দিয়েও ছেলেকে পিনাট বাটার লাগিয়ে দিয়ে খেতে দেই।এখন ঠিকই ছেলে সকালে একটি রুটি দিয়ে বাটার লাগিয়ে খেয়ে স্কুলে চলে যায়।কিছুটা স্বস্তি পাওয়া গেলো।আর সকালে আমি ওকে একটি ডিম সিদ্ধ করে খেতে দেই।সকালের খাওয়াটাই আসল শরীরের জন্য এটা সব সময় শুনে আসছি।তাই আমার চেষ্টা থাকে সব সময় সকালের খাবারটা ঠিকটাক হয় কিনা তা করার।ওর পছন্দের পিনাট বাটার এনে কিছুটা শান্তি পেলাম।পিনাট বাটারের টেস্ট বেশ ভালোই।বাচ্চাদেরকে সকালের খাবার খাওয়াতে খুব বেশী ঝামেলায় পরতে হয় আমার মতো আর কার কার? আশাকরি মতামত তুলে ধরবেন।সুন্দর অনুভূতি গুলো আজ আপনাদের মাঝে তুলে ধরলাম।আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে।

পোস্ট বিবরন


শ্রেণীলাইফ স্টাইল
ক্যামেরাGalaxy A16
পোস্ট তৈরি@shimulakter
লোকেশনবাংলাদেশ

আজ আর নয়।আবার হাজির হয়ে যাব নতুন কোন পোস্টে নতুন কোন অনুভূতি নিয়ে।সবাই সুস্থ থাকবেন,ভালো থাকবেন।

ধন্যবাদ সবাইকে

@shimulakter

আমার পরিচয়


আমি শিমুল আক্তার।আমি একজন বাংলাদেশী।বাংলাদেশ ঢাকা থেকে আমি আপনাদের সাথে যুক্ত আছি।আমি এম এস সি ( জিওগ্রাফি) কমপ্লিট করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। আমি বিবাহিতা।আমি একজন গৃহিণী।আমি একজন স্বাধীনচেতা মানুষ। ভালোবাসি বই পড়তে, নানা রকমের রান্না করতে,আর সবাইকে নতুন নতুন রান্না করে খাওয়াতে ভীষণ ভালোবাসি।ফটোগ্রাফি করতে আমি ভীষণ পছন্দ করি।বাংলায় লিখতে আর বলতে পারার মধ্যে অনেক বেশী আনন্দ খুঁজে পাই।নিজের মধ্যে থাকা সৃজনশীলতাকে সব সময় প্রকাশ করতে পছন্দ করি।এই বাংলার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছি বলে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করি।

33883.png

33884.gif