নাটক রিভিউ :- ফ্যামিলি প্রিমিয়ার লিগ। ( পর্ব ৩৫ )

in আমার বাংলা ব্লগ2 months ago

✋হ্যালো বন্ধুরা,✋

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম। আজকে আপনাদের সাথে একটি নাটকের রিভিউ শেয়ার করব। কিছুদিন ধরে আমি " ফ্যামিলি প্রিমিয়ার লিগ " এই নাটকটি দেখছিলাম । এই নাটকটি মূলত পর্ব আকারে করা হয়েছে। আজকে আমি আপনাদের সামনে এই নাটকের ৩৫ পর্ব শেয়ার করবো। আশা করি নাটকটি আপনাদের ভালো লাগবে।

1000050636.jpg

ইউটিউব থেকে নেওয়া স্ক্রীনশট

নাটক সম্পর্কে কিছু তথ্য :-

নামফ্যামিলি প্রিমিয়ার লিগ।
পরিচালনাঈগল টিম
প্রযোজনাকচি আহমেদ
অভিনয়েআফজাল সুজন , নুসরাত জাহান অন্তরা , আনোয়ারুল আলম সজল, ইফতেখার ইফতি,স্পর্শিয়া মিম, শেলী আহসান, জাহাঙ্গীর কবির,মোসাদ্দেক শাহীন, লিপু মামা, তুহিন চৌধুরি, সবুজ আহমেদ, রাবিনা, জারা নুর, সুবহা, সাগরিকা ইসলাম মিনহা, সুমন পাটোয়ারী, রেজবিনা মৌসুমী, আকলিমা লিজা, আরো অনেকে।
রচনা ও চিত্রনাট্যসোলায়মান
চিত্রগ্রহণজহির রায়হান
সম্পাদনাএসে এ সুমন
আবহ সংগীতঅংকুর মাহমুদ

কাহিনী সারসংক্ষেপ

এই পর্বের শুরুতেই আমরা নীলাঞ্জনা চৌধুরীকে দেখতে পাই, জেনি এবং রাশেদ যেখানে দাঁড়িয়ে সবজি বিক্রি করছে ওখানে এসেছে। আর তাদেরকে এসে হুমকি দিয়ে যায়। এমনকি এটাও বলে, তাদের এখানে দাঁড়িয়ে সবজি বিক্রি করা বন্ধ করে দেবে। তারপরে আমরা শাওনের বউকে দেখতে পাই, রেজার বউ এর কাছ থেকে মোবাইল নেয় শাওনকে কল দেবে বলে। তারপরে মোবাইল বারান্দায় নিয়ে গিয়ে পার্সোনাল কিছু আছে কিনা চেক করতে থাকে।

1000050637.jpg

ইউটিউব থেকে নেওয়া স্ক্রীনশট

তখনই ওখানে রেজার বউ চলে আসে। আর তাদেরকে বিভিন্ন কথা শুনিয়ে মোবাইলটা নিয়ে চলে যায়। এদিকে মিনা গানের রেকর্ডিং করতে যাচ্ছে বলে তার মালিকের কাছ থেকে দোয়া নিয়ে নেয়। এরপর রাফি এবং তার মামাকে দেখা যায় অফিসের বিষয় নিয়ে কথা বলছে। কিন্তু তার মামা বেশ বাড়াবাড়ি করছিল। এরপর লিমন আর মিনাকে দেখা যায় গানের রেকর্ডিং এর জন্য যাচ্ছে। অন্যদিকে জেনি আর রাশেদ যখন সবজি বিক্রি করছিল, তখন কিছু গুন্ডা এসে তাদের ব্যবসা বন্ধ করে দেয়।

1000050638.jpg

ইউটিউব থেকে নেওয়া স্ক্রীনশট

আর রাশেদকে অনেক মারধর করে। এরপর আমরা নীলাঞ্জনা চৌধুরীকে দেখতে পাই উর্মির কাছে মিনার বিষয়ে জিজ্ঞেস করছিল। তখনই তারা ঘরে আসে। আর তিনি মিনাকে অনেক বকাঝকা করেন। সবকিছুর জন্য তিনি অনেক রেগে যান। তারপরে জেনিকে দেখা যায় ফার্মেসি থেকে রাশেদের জন্য ওষুধ কিনে। কিন্তু তার কাছে টাকা ছিল না। তখনই তাদেরকে যে দারোয়ান তার বাসায় জায়গা দিয়েছে, সে আসে। আর সব টাকা পরিশোধ করে দেয়।

1000050639.jpg

ইউটিউব থেকে নেওয়া স্ক্রীনশট

এদিকে শাওন বাহিরে চলে যাওয়ার পর শাওনের বউ আর ডাক্তার মিষ্টি খেতে খেতে প্রেম করছিল। তখনই রেজার বউ সব কিছু ভিডিও করে ফেলে। এরপরে জেনিকে দেখা যায় বাহিরে বসে বসে কান্না করছিল। তখনই ওখানে রাইসা আসে আর জেনি তাকে সবকিছু খুলে বলে তার মায়ের ব্যাপারে। তখনই রাইসা তাকে বলে এসব কিছুর প্রতিশোধ সে একা নেবে, কিন্তু কি করবে এটা বলে না। সে মনে মনে চিন্তা করে সে ওই পরিবারের বউ হয়ে যাবে আর সবকিছুর প্রতিশোধ নেবে।

1000050640.jpg

ইউটিউব থেকে নেওয়া স্ক্রীনশট

এদিকে রেজার বউ শাওনের বউকে ভিডিওটা দেখিয়ে দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করছে, আর বিভিন্ন কাজ করাচ্ছে। এরপর রাইসাকে দেখা যায় লিমনকে কল দিয়ে এখনই বিয়ে করার কথা বলছে, আর তাকে কাজি অফিসে আসার জন্য বলে দেয়। এরপর মিনাকে দেখা ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে লিমনের বিষয় স্বপ্ন দেখছিল। তখনই মনি ওখানে আসে, আর তার সাথে কথা বলছিল। তখনই হঠাৎ করে কলিং বেল বেজে ওঠে। এরপর লিমন আর রাইসা ভিতরে ঢুকে। আর মিনা রাইসার বিষয় জিজ্ঞেস করলে লিমন তাকে বলে এটা তার নতুন ভাবি। তখনই এই পর্বটা শেষ হয়ে যায়।

ব্যক্তিগত মতামত

আজকের এই পর্বটা অনেক বেশি সুন্দর হয়েছে। আমার কাছে পুরো পর্বটা দেখতে অনেক ভালো লেগেছে। আমরা দেখতে পাই নীলাঞ্জনা চৌধুরী গুন্ডা ভাড়া করে রাশেদকে অনেক বেশি মেরেছে। আর তাদের দোকানটা ভেঙ্গে দিয়েছে। সবকিছুর জন্য জেনি অনেক বেশি কষ্ট পেয়েছে। কারণ তার নিজের মা তার খারাপ যাচ্ছে। আর সবকিছু জানার পর রাইসা সিদ্ধান্ত নেয় সে লিমনের বউ হয়ে যাবে, আর নীলাঞ্জনা চৌধুরীর কাছ থেকে প্রতিশোধ নেবে। এজন্য সে লিমনকে ডেকে কাজি অফিসে বিয়ে করে নেয়। কিন্তু কেউ কিছুই জানে না। অন্যদিকে শাওনের বউ যখন ডাক্তারের সাথে প্রেম করছিল, তখন রেজার বউ ভিডিও করে নেয়। আর তাকে ব্ল্যাকমেল করতে থাকে ঐ ভিডিও দেখিয়ে। আর শেষে লিমন আর রাইসা বাড়িতে ফিরে এসেছে। এখন দেখা যাক কি হয় পরবর্তীতে। আমি খুব তাড়াতাড়ি পরবর্তী পর্বের রিভিউ নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হওয়ার চেষ্টা করব। আপনারা সেই পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকুন।

ব্যক্তিগত রেটিং

৯/১০

নাটকের লিংক

আমার পরিচয়

DSC00912.jpg

আমার নাম তাসলিমা আক্তার সনিয়া। আমি বাংলাদেশী। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা বলে আমি অনেক গর্বিত। আমি গ্রেজুয়েশন কমপ্লিট করেছি। আমি ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে যে কোন ধরনের পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। যখনই অবসর সময় পায় আমি ছবি আঁকতে বসে পড়ি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করার চেষ্টা করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করতে পছন্দ করি। রান্না করতেও আমার খুব ভালো লাগে। আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে পছন্দ করি। আমি যখনই সময় পাই আমার পরিবারের সবাইকে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে খাওয়াই। আমি সব সময় নতুন নতুন কিছু করার চেষ্টা করি।

ধন্যবাদ সবাইকে

banner-abb23.png

cyxkEVqiiLy2ofdgrJNxeZC3WCHPBwR7MjUDzY4kBNr81Nob8RjiAuXKzVPMCYze3VPJuZt6zKYtv5NHRTGki5Bb9J8zQgkNJMsUwkntqf5nqvpbiaDQNgkiw5c4UajTzbY.png

Posted using SteemX

Sort:  

🎉 Congratulations!

Your post has been upvoted by the SteemX Team! 🚀

SteemX is a modern, user-friendly and powerful platform built for the Steem community.

🔗 Visit us: www.steemx.org

✅ Support our work — Vote for our witness: bountyking5

banner.jpg

 2 months ago 

Screenshot_2025-11-07-11-30-30-69_0b2fce7a16bf2b728d6ffa28c8d60efb.jpg

 2 months ago 

এত মিনিটের একটা নাটক মাত্র দুই থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই পড়ে নেওয়া যায়। আমি তো মনে করি দেখার থেকে রিভিউ পড়ে নেওয়াই ভালো। তাহলে নাটকের সম্পূর্ণ কাহিনীটা মাত্র ২ মিনিটেই জেনে নেওয়া যায়। বেশি সময় আর অপচয় করা লাগে না দেখে। আমি তো এখন সব সময় চেষ্টা করি নাটকের রিভিউর মাধ্যমেই কাহিনীটা জেনে নেওয়ার জন্য। আর ঠিক তেমনি এখনো চেষ্টা করলাম। ভালো লাগলো এই রিভিউ টা।

 2 months ago 

আমি সব সময় চেষ্টা করবো সুন্দর করে এই নাটকের সবগুলো পর্বের রিভিউ শেয়ার করার জন্য।