জ্ঞান কে কখনও ছোট করে দেখতে নেই
আসসালামু আলাইকুম
কেমন আছেন সবাই ? আশা করি আপনারা সবাই বেশ ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। আজ আমি নতুন এটি ব্লগ নিয়ে হাজির হলাম। আজকে আমার ব্লগের বিষয় হলো ভ্রমণ। ভ্রমন করতে আমি বেশ পছন্দ করি। যদিও ব্যস্ততার কারনে সময় হয়ে উঠে না কোথাও বেড়াতে যাওয়ার। তবুও এরই ফাঁকে যতটুকু সময় পাই তখনই চেষ্টা করি কোথাও না কোথা বেড়াতে যাওয়ার। কারন ভ্রমন করলে যেমন মনটা শান্ত হয়ে যায় তেমন করে ভ্রমন করলে আবার প্রকৃতির কাছ থেকে অনেক কিছুই শেখা যায়। আর এই জন্যই আমাদের সবার উচিত মাঝে মাঝে ভ্রমনে বেড়িয়ে পড়া। আর তাই তো ভাবছি আমার ভ্রমনের ইতিহাস গুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো।

আমাদের জীবনে এমন অনেক সময় আসে, যখন আমরা ভাবি, কোন একটি বিষয়ে জানলে কী হয় আর না জানলেই বা কি হবে? আবার হয়তো ভাবী যে অন্যরা শুধু বইপত্র পড়ে বইয়ের জ্ঞান নিয়েই চলছে, কিন্তু বাস্তবতা নিয়ে তাদের তেমন কোন জ্ঞানই নেই। আর এই ধরনের চিন্তা আমাদের সমাজে খুবই সাধারণ। কিন্তু সত্যি কথা হলো, জ্ঞান কে কখনোই ছোট করে দেখা উচিত নয়। হউক না সেটা পুথিঁগত বা বাস্তববাদী। কারণ জ্ঞানই মানুষকে মানুষ করে তোলে, গড়ে তোলে চরিত্র, উন্নয়ন করে সমাজ, এবং খোলে নতুন সম্ভাবনার দরজা।
জ্ঞান মানে কেবল বই পড়া নয়। জ্ঞান মানে হলো জানার ইচ্ছা, শেখার আকাঙ্ক্ষা, এবং সেই শেখা কাজে লাগানোর দক্ষতা। কেউ হয়তো পিএইচডি ডিগ্রিধারী, আবার কেউ হয়তো চাষবাস জানে। দুজনের জ্ঞানই মূল্যবান। কিন্তু একে অন্যের চেয়ে কম নয়। জ্ঞানকে অবহেলা করা মানে নিজেকে পিছিয়ে রাখা। অনেকেই ভাবে, জানা না জানার কী আসে যায়? কিন্তু এই ভাবনাই মানুষকে অন্ধকারে রাখে। যারা শেখে না, তারা সময়ের সাথে তাল মেলাতে পারে না। সমাজের অগ্রগতিতে পিছিয়ে পড়ে। সবচেয়ে বড় কথা আমরা যা জানি, তা-ই আমাদের শক্তি। আর যা জানি না, তা-ই আমাদের দুর্বলতা।
জ্ঞান আমাদেরকে ভাবতে শেখায়। যখন আমরা কিছু জানি, তখন আমরা প্রশ্ন তুলতে পারি, সিদ্ধান্ত নিতে পারি, নিজে ভাবতে পারি। অন্ধবিশ্বাসে ভাসি না। জ্ঞান আমাদের শেখায় সমস্যাকে বিশ্লেষণ করে সমাধান খুঁজে বের করতে। জ্ঞান ছাড়া সমাধান কল্পনা করাও কঠিন। জ্ঞান মানুষকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। সমাজে যারা বড় পরিবর্তন এনেছেন, তারা সবসময়ই ছিলেন জ্ঞানে সমৃদ্ধ। তাঁরা জানতেন, বুঝতেন এবং সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন।
যে মানুষ মনে করে “আমি সব জানি”, সে আসলে কিছুই শেখে না। জ্ঞানী মানুষ কখনোই অহংকার করে না। বরং সে জানে, শেখার কোনো শেষ নেই। প্রতিদিন নতুন কিছু শেখা যায় — ছোটদের কাছ থেকেও। বৃদ্ধদের কাছ থেকেও, এমনকি জীবনের কঠিন সময় থেকেও। মনে রাখতে হবে নম্রতা না থাকলে শেখা থেমে যায়। আর শেখা থেমে গেলেই জীবন থেমে যায়।
অনেকেই ভাবে যে বেশী জ্ঞানে লাভ কি? কিন্তু এসব মানুষ জানেই না যে এমন চিন্তা ধারাগুলো একেবারেই ভুল। সময় বদলায়, কিন্তু জ্ঞান তার গুরুত্ব কখনো হারায় না। নতুন পরিস্থিতিতে পুরনো জ্ঞান নতুন আলো দেয়। আর প্রতিদিন নতুন কিছু শেখা মানেই নিজেকে আরও উন্নত করা।মনে রাখতে হবে,জ্ঞান মানেই আলো, সম্ভাবনার, প্রগতি। তাই জ্ঞান কে কখনও তুচ্ছ ভাবা চলবে না। যে মানুষ শেখে, সে জীবনে এগোয়। আর যে শেখা বন্ধ করে দেয়, সে থেমে যায়। আমরা যদি একটি সুন্দর সমাজ চাই, তাহলে আমাদের প্রয়োজন শেখার আগ্রহ, অন্যের জ্ঞানকে সম্মান, নিজের সীমাবদ্ধতাকে স্বীকার করে শেখার মানসিকতা। “জ্ঞান অর্জন করলে সম্পদ বাড়ে না, কিন্তু মানুষ বড় হয়। আর বড় মানুষই গড়ে তোলে বড় সমাজ।”
বন্ধুরা কেমন লাগলো আপনাদের কাছে আমার আজকের লেখাগুলো? আশা করবো প্রতিদিনের মত করে আজও আপনারা আমার লেখা পড়ে মুগ্ধ হয়েছেন। আশা করবো মন্তব্যের মাধ্যমে জানাবেন।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | জেনারেল |
|---|---|
| ক্যামেরা | Vivo y22s |
| পোস্ট তৈরি | @kawsar7731 |
| লোকেশন | ঢাকা , বাংলাদেশ |
পরিচিতি
আমি কাউছার আহমেদ। আমার ইউজার নাম @kawsar7731। আমি পেশায় একজন চাকুরী জীবি। ঘুরে বেড়াতে আর প্রিয় মানুষের সাথে হাসি মুখে কথা বলতে আমি বেশ পছন্দ করি। তবে সেই সাথে বিভিন্ন ধরনের মজার মাজার গল্পের বই পড়তে, ফটোগ্রাফি করতে এবং গল্প করতে। নতুন কে আবিস্কার করা এবং নতুন কে নিয়ে এগিয়ে চলতেও আমি বেশ পছন্দ করি।
.png)
