সোনারগাঁ এর পানাম সিটির গায়েবী মসজিদ নিয়ে কিছু কথা
আসসালামু আলাইকুম
কেমন আছেন সবাই ? আশা করি আপনারা সবাই বেশ ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। আজ আমি নতুন এটি ব্লগ নিয়ে হাজির হলাম। আজকে আমার ব্লগের বিষয় হলো ভ্রমণ। ভ্রমন করতে আমি বেশ পছন্দ করি। যদিও ব্যস্ততার কারনে সময় হয়ে উঠে না কোথাও বেড়াতে যাওয়ার। তবুও এরই ফাঁকে যতটুকু সময় পাই তখনই চেষ্টা করি কোথাও না কোথা বেড়াতে যাওয়ার। কারন ভ্রমন করলে যেমন মনটা শান্ত হয়ে যায় তেমন করে ভ্রমন করলে আবার প্রকৃতির কাছ থেকে অনেক কিছুই শেখা যায়। আর এই জন্যই আমাদের সবার উচিত মাঝে মাঝে ভ্রমনে বেড়িয়ে পড়া। আর তাই তো ভাবছি আমার ভ্রমনের ইতিহাস গুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো।
আজকাল যেন জীবনটা একঘেয়ে হয়ে গেছে। যে কারনে মাঝে মাঝে আমাদের দম বন্ধ হয়ে আসে। জীবনটা মনে হয় একই গোলক ধাঁধার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে অফিস যাওয়া থেকে শুরু করে সারা দিন, এমন কি সারা সপ্তাহ ব্যস্ততায় কেটে যায়। আর সে জন্যই তো মাঝে মাঝে মনে হয়, জীবনে শুধু কাজ আর দায়িত্ব নয়, কিছুটা শান্তি ও মুক্তিরও প্রয়োজন আছে। তাই তো কোন সুযোগ পেলেই চেষ্টা করি কোথাও না কোথা বেড়াতে যেতে।
শুভ সকাল, কেমন আছেন সবাই? সকলের সুস্বাস্থ্য এবং সুন্দর জীবন কামনা করে, আজ আবারও আপনাদের কাছে একটি নতুন ব্লগ নিয়ে এসেছি। গ্রামবাংলার সৌন্দর্যে মুগ্ধ নন এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। আর গ্রামবাংলার বৈচিত্র্যও এর অপূর্ব রূপ সবাইকেই মুগ্ধ করে। তাই আমি মাঝে মাঝে গ্রামবাংলায় ছুটে যাই। প্রকৃতির ছোঁয়ায় কিছুটা সময় কাটাতে। একইভাবে, কয়েকদিন আগে, আমি সোনারগাঁও গিয়েছিলাম। সেখানে আমি একটি গায়েবী মসজিদ দেখেছিলাম। আজ, আমি সেই লুকানো মসজিদ সম্পর্কে কিছু কথা আপনাদের সাথে শেয়ার করব।

এই মসজিদটি সোনার গাঁওয়ের সামনেই পানাম সিটিতে অবস্থিত। আমি অনেক দিন ধরেই এই মসজিদের কথা শুনছিলাম। কিন্তু যাওয়ার সময় পাইনি। সেদিন, যখন আমি পানাম সিটিতে যাই, তখন ভাবলাম যে আমি সেই বিখ্যাত মসজিদটি একবার দেখে আসি। তাই আমি রিক্সা করে সেই মসজিদের সামনে গেলাম। আর যাওয়ার সময় অটোরিক্সা চালকের কাছ থেকে মসজিদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারলাম।

এই মসজিদটি কেউ তৈরি করেনি। কিন্তু দেখে মনে হচ্ছে যেন এই মসজিদটি মানুষের হাতে তৈরি। কারন বেশ দারুন ছিল মসজিদটি। অনেক বছর আগে যখন এই মসজিদটি ভেসে উঠেছিল, তখন দূর-দূরান্ত থেকে অনেকেই এই মসজিদটিতে আসতেন। এমনকি অনেকে এখানে এসে অনেক উপকারও পেতেন। এমন রহস্যময় মসজিদের কথা শুনে অনেকেই এটি দেখতে আসতেন। আজও অনেক মানুষ ভিড় জমান। এই মসজিদটি নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনার গাঁও এলাকার পানাম নগরী শহরে অবস্থিত। তাই আমরা বিকেলে এই বিখ্যাত মসজিদটি দেখতে গিয়েছিলাম। আমরা সেখানে গিয়ে নিজের চোখে এই মসজিদটি দেখেছি।


বাংলার প্রাচীন রাজধানী ঈসা খাঁ শহরে এমন একটি উদ্ভাবন বাংলার ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। মসজিদটি ঈসা খাঁ শহরের অন্যান্য সকল ঐতিহ্যের আদলে নির্মিত হয়েছে। সবুজ প্রকৃতির মাঝে এমন একটি মসজিদ বাংলার ঐতিহ্যের সাক্ষী।
আমি আশা করি আজ আমার ব্লগটি আপনাদের পছন্দ হয়েছে। আমি আবার নতুন করে একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আপনাদের কাছে ফিরে আসব। আজকের আমার ব্লগটি আপনার কেমন লেগেছে? আমি আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছি। সবাই ভালো থাকুন এবং সাবধানে থাকুন।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | ভ্রমন পোস্ট |
|---|---|
| ক্যামেরা | Vivo y22s |
| পোস্ট তৈরি | @kawsar7731 |
| লোকেশন | ঢাকা , বাংলাদেশ |
পরিচিতি
আমি কাউছার আহমেদ। আমার ইউজার নাম @kawsar7731। আমি পেশায় একজন চাকুরী জীবি। ঘুরে বেড়াতে আর প্রিয় মানুষের সাথে হাসি মুখে কথা বলতে আমি বেশ পছন্দ করি। তবে সেই সাথে বিভিন্ন ধরনের মজার মাজার গল্পের বই পড়তে, ফটোগ্রাফি করতে এবং গল্প করতে। নতুন কে আবিস্কার করা এবং নতুন কে নিয়ে এগিয়ে চলতেও আমি বেশ পছন্দ করি।
.png)
