প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ ( পর্ব ৫ )
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে 'প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ' গল্পের পঞ্চম পর্ব শেয়ার করে নেবো। এরপর ঘরজুড়ে প্রতিধ্বনি ছড়িয়ে পড়ল। তিনজন একসঙ্গে চমকে উঠল, কারণ অদ্ভূতভাবে শব্দটা মূর্তির পেছন দিক থেকে আসছে। অরিন্দম টর্চ জ্বালিয়ে সামনে এগোল। হঠাৎ দেখতে পেল মূর্তির পেছনের দেয়ালে একটি সরু ফাটল তৈরি হয়েছে।যেখানে কয়েক মুহূর্ত আগেও কোনো ফাটল ছিল না। ফাটলের ভেতর থেকে ঠান্ডা বাতাস বেরিয়ে আসছে আর সেই বাতাসের সঙ্গে ভেসে আসছে এক অদ্ভুত গন্ধ। পুরোনো মাটি, ধূপ আর কোনো অজানা কিছুর মিশ্র গন্ধ। অরিন্দমের হাত কাঁপছিল এবং ওই অবস্থায় সে টর্চের আলো ফাটলের ভেতর ফেলল। আলো যতদূর গেল, দেখা গেল নিচের দিকে নেমে যাওয়া পাথরের সিঁড়ি।
অন্ধকারের গভীরে হারিয়ে গেছে সেই সিঁড়ি।মেঘলা তখন ফিসফিস করে বলল- এটাই কি... সেই গোপন কক্ষের পথ? অরিন্দম উত্তর দেওয়ার আগেই সিঁড়ির গভীর অন্ধকার থেকে ভেসে এল এক অজানা কণ্ঠস্বর- ফিরে যাও। কণ্ঠস্বরটি মানুষের মতো, অথচ মানুষের নয়। মনে হলো শত শত গলা একসঙ্গে কথা বলছে। ফিরে যাও... এখনও সময় আছে...। তিনজন আতঙ্কে একে অপরের দিকে তাকিয়ে রইল। আর ঠিক তখনই অন্ধকারের গভীরে দুটি জ্বলন্ত চোখ ধীরে ধীরে খুলে গেল..। তখন গর্ভগৃহের ভেতর নিস্তব্ধতা নেমে এসেছিল। অরিন্দম, রাহুল আর মেঘলা স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল সেই রহস্যময় ফাটলের সামনে।অন্ধকারের গভীর থেকে ভেসে আসা কণ্ঠস্বরটি যেন এখনও তাদের কানে প্রতিধ্বনিত হচ্ছি- ফিরে যাও...। আর সেই জ্বলন্ত দুটি চোখ!.....
