প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ ( পর্ব ৮ )
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে 'প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ' গল্পের অষ্টম পর্ব শেয়ার করে নেবো। এরপর সে বললো-পুরোটা বুঝতে পারছি না, তবে কয়েকটা শব্দ পড়তে পারছি। কী শব্দ? মেঘলার গলা কেঁপে উঠল আর বললো- অভিশাপ...আর? বন্দি...আর? প্রহরী। এইভাবে শুনতে থাকে। এরপর তিনজন একে অপরের দিকে তাকাল, কিন্তু কেউ কোনো কথা বলল না। তাদের মনে শুধু একটাই প্রশ্ন ঘুরছিল। কাকে বন্দি করা হয়েছিল?আর সেই প্রহরী কে? ঠিক তখনই সুড়ঙ্গের গভীর থেকে ভেসে এল একটা অদ্ভুত আওয়াজ। মনে হলো কেউ খুব ধীরে ধীরে হাঁটছে। ঠক...ঠক...ঠক..., পাথরের উপর পদশব্দ। তাদের তিনজনের বুক ধড়ফড় করতে লাগল।অরিন্দম দ্রুত টর্চের আলো সামনে ফেলল, কিন্তু সেখানে কেউ নেই।
কিন্তু হঠাৎ করে শব্দটা থেমে গেল। যেন আলো পড়তেই সে লুকিয়ে পড়েছে। রাহুল বলল- আমি শপথ করে বলতে পারি, কেউ হাঁটছিল। মেঘলা কোনো উত্তর দিল না, তার চোখে আতঙ্ক স্পষ্ট। তারা আবার এগোতে শুরু করল। আরও কিছুদূর নামার পর হঠাৎ সিঁড়ি শেষ হয়ে গেল এবং সামনে বিশাল একটি গোলাকার কক্ষ। টর্চের আলোয় ধীরে ধীরে কক্ষটি দৃশ্যমান হতে লাগল।তিনজনই বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেল। কক্ষটির মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে একটি বিশাল পাথরের স্তম্ভ। স্তম্ভের চারপাশে খোদাই করা রয়েছে অসংখ্য মানবমূর্তি। কিন্তু মূর্তিগুলোর মুখে ভয়াবহ আতঙ্কের ছাপ। মনে হচ্ছে তারা কিছু একটা দেখে ভয়ে চিৎকার করছে। মেঘলা স্তম্ভের কাছে গিয়ে পরীক্ষা করতে লাগল। হঠাৎ সে চিৎকার করে উঠল- এদিকে আসো!.....
