আপনারাই বলুন ধর্ষকের শাস্তি কি হওয়া উচিত??
আজ আমি আপনাদের মাঝে বাংলাদেশের একটি মর্মান্তিক ঘটনা শেয়ার করব।। টাইটেল দেখে ইতিমধ্যেই কিছুটা আন্দাজ করতে পেরেছেন তবে সম্পন্ন পোস্টটি পড়লে আরো অনেক কিছু জানতে পারবেন।।
প্রথমেই বলব আজ নারীরা নিরাপদ কোথায়?? ঘরে বাইরে আত্মীয়-স্বজনের বাসায় কোথায় গেলে তারা নিরাপদ, কারো কি জানা আছে?? আমার মনে হয় আজ নারীরা কোথাও নিরাপদ না। যেখানেই যাক না কেন কিছু মানুষরূপী পশু যারা কিনা নারীদের সব সময় খারাপ নজরে দেখে থাকে। আর এই পশুদের হাত থেকে কেউ রায় পায়না ছোট থেকে শুরু করে সব শ্রেণীর নারী।
আপনারা অনেকেই দেখেছেন বাংলাদেশে একটা মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে যা নিয়ে চলছে তোলপাড়। নাম তার আছিয়া বয়স ৮ বছর, পড়াশোনা করছে ক্লাস থ্রিতে।। ঘুরতে এসেছিল বোনের বাসায়, যেমন প্রতিটি ছেলে-মেয়ে ঘুরতে আসে।। এই ঘুরতে আসায় তার জীবনে কাল হয়ে দাঁড়ালো।
আপনারাই বলুন ৮ বছরের মেয়ে কি বুঝে?? সে তো এখনো শিশু শারীরিক গঠন সঠিকভাবে বেড়ে ওঠেনি।। আর এই শিশুটির উপর চলেছে পাশবিক নির্যাতন। যা কিনা করেছে সেই মেয়েটার বোন জামাই ও তার বোন জামাইয়ের বাবা সেই সাথে জড়িত আছে সেই পরিবারের একজন মা।।
বড় বোনকে আটকে রেখে এই ৮ বছরের শিশুকে তারা ধর্ষণ করেছে তাও বাবা ছেলে মিলে।। কতটা অমানুষ হলে এরকম জঘন্য একটি কাজ করতে পারে।। আজ সেই মেয়ে মৃত্যুসজ্জা ডাক্তারও নিশ্চয়তা দিতে পারছে না।। আজ দিয়ে তিন দিন, তারা এখনো জ্ঞান ফেরেনি।। বাঁচবে কিনা এ নিয়ে সন্দেহীন, আজ সত্যি অনেক বেশি লজ্জিত।।
কিভাবে পারলো এই শিশুটির উপর এরকম নির্যাতন করতে।। যখন মেয়েটিকে হসপিটালে নিয়ে যায়, একটা ভিডিওতে দেখতেছিলাম সে কাতরাত ছিল দেখে মনে হচ্ছিল এই বুঝি তার প্রাণটা বেরিয়ে যাবে।। আর এরকম দৃশ্য দেখে চোখে পানি এসে গেছিল হয়তো অনেকেই সেটি দেখেছেন ।।
আপনারাই বলুন এরকম ধর্ষকের কি শাস্তি হওয়া উচিত?? আমি তো মনে করি সরাসরি তাদের ফাঁসি হওয়া উচিত। এছাড়াও সেই মেয়ের শশুর নাকি তাকেও বেশ কয়েক দিন কুপ্রস্তাব দিচ্ছিল এবং কি তাকে জড়িয়ে ধরেছিল।। এ নিয়ে ও অনেক কিছু হয়ে গেছে কিন্তু নিজের মান-সম্মানের কথা ভেবে কিছু করেনি।। কিন্তু তাকে না করতে পারলেও তার ছোট বোনকে ঠিকই ধর্ষণ করেছে।।
আজ অনেকেই এই নিয়ে কথা বলছে প্রতিটা সাংবাদিক থেকে শুরু করে নেটিজেন্ডরা এই নিয়ে মুখ খুলছেন।। আবারো অনেক শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমেছে সেই ধর্ষকের কঠিন শাস্তির জন্য।। আমি মনে করি যদি ধর্ষকের বিচার সরাসরি ফাঁসির অর্ডার হয় তাহলে ধর্ষক কিছুটা কমবে।।
ইতিপূর্বে অনেক ধর্ষণ হয়েছে কিন্তু কোনটার ফাঁসি হয়নি আর সেজন্যই আজ এই জঘন্য কাজটি যেন বেড়ে চলেছে।। যদি এর শাস্তি ভয়াবহ হয় তাহলে মানুষ কিছুটা ভয় পাবে।। জানিনা আদৌ এই ধর্ষকের শাস্তি কি হবে।।
যাইহোক সবাই সেই মেয়েটির জন্য দোয়া করবেন সৃষ্টিকর্তা যেন তাকে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেয়।।
ফেসবুক থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া




এরে কোমর পযন্ত পুতে পাথর মারা হোক জন সন্মুখে,
এমন হৃদয়বিদারক ও নৃশংস ঘটনার জন্য ভাষা খুঁজে পাওয়া কঠিন। একটি নিষ্পাপ শিশুর ওপর এমন অমানবিক নির্যাতন আমাদের সমাজের চরম অবক্ষয়ের প্রমাণ। এই ধরনের পাশবিক অপরাধীদের কঠোরতম শাস্তি হওয়া উচিত, যেন ভবিষ্যতে কেউ এমন জঘন্য কাজ করার সাহস না পায়।
আইনের সঠিক প্রয়োগ ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। শুধু আইন নয়, সমাজকেও বদলাতে হবে—শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আসুন, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এমন অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই এবং নির্যাতিত শিশুটির সুস্থতার জন্য দোয়া করি।
@sabus খুবই অনভিপ্রেত এবং দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা!
মুশকিল হলো, শুরু থেকে ঘরোয়া সঠিক শিক্ষার অভাব রয়ে গেছে আজও বহু দেশে।
নারী মানে ভোগের বস্তু নয়! নারী মানে জগৎ জননী এই শিক্ষাটি আসলে সর্বাগ্রে শেখানোর প্রয়োজন এই আধুনিক যুগেও বাকি রয়ে গেছে।
যে দিদি জানতো তার শ্বশুরবাড়ির মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এতটা নিম্ন মানের, তার উচিত ছিল বাবার বাড়িতে বিষয়টি জানানো।
অন্যায় কে মুখ বুজে সহ্য করে তাকে একপ্রকার প্রশ্রয় দেওয়া হয়।
বিয়ে হয়ে গেলেই মেয়ে পর হয়ে যায় না, এই শিক্ষার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি।
প্রতিটি মায়ের এই শিক্ষা দিয়ে সন্তানদের বড় করা উচিত, বিয়ে হলেই বাবার বাড়ি পর হয়ে যায় না।
অনেক বিষয়ের অভাব এই ধরনের ঘটনার পিছনে দায়ী।
পড়াশোনা না শেখানো, নিজের পায়ে দাঁড়াবার উৎসাহ না দিয়ে সাত তাড়াতাড়ি পরের ঘরে পাঠাতে ব্যস্ত হয়ে ওঠা পরিবারের এই ধরনের দুর্দশা ডেকে নিয়ে আসেন নিজেরাই।
উপরের খবর এর লেখায় রয়েছে মেয়েটি বেঁচে নেই! এটা দেখেও যদি ওই পরিবারের মা বাবা তার আরেক কন্যা সন্তানকে ওই শ্বশুরবাড়িতে থাকার পরামর্শ দেন, তাহলে বুঝতে হবে, দোষী শুধু যারা অপকর্ম করেছে তারাই নয়, সমান দোষী মেয়ের বাড়ির লোকজনরাও!
এটা একদম সঠিক বলেছেন অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সই দুজনেই সমান অপরাধী।। সে জানত তার শ্বশুর বাড়ির লোকজনের চারিত্রিক সমস্যা তাহলে তার ছোট বোনকে না আনলেই পারতো।। কিন্তু কথা হচ্ছে সে তো জানতো না তার শ্বশুরবাড়ির মানুষ এতটা অমানবিক যে ৮ বছরের বাচ্চাকে ছাড় দেবে না।।
আর হ্যাঁ বাচ্চাটা এখনো জীবিত আছে কিন্তু জ্ঞান ফেরেনি।। খবরে লেখা ছিল তার গ্রামের নাম মাগুরায়
এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা ভাই। কি আর বলব আসলে বাক স্বাধীনতা মাঝে মাঝে হারিয়ে ফেলি। মানুষরূপী এই পশুটাকে মেরে ফেলা উচিত, হয়তো অন্যরা এই পশুটার বিচারটি দেখে ভয় পাবে।
সত্যি কথা বলতে যখন আপনার পোষ্টের মধ্যে মন্তব্য করতে আসলাম তখন হয়তোবা মেয়েটারে পৃথিবীতে নেই কি করা উচিত বলে আমার মনে হয় ঠিক সঠিক ভাবে বোঝাতে পারছি না তবে আমার কাছে মনে হয় এদের কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি হওয়া উচিত তাহলে একজনের শাস্তি দেখে যেন সবাই ভয় পেয়ে যায় লাইভে ভিডিও করার মাধ্যমে এদের শাস্তি দেয়া উচিত তাহলে অন্যান্য দর্শক যারা রয়েছে তারা দেখে অন্ততপক্ষে ভয় পেয়ে যাবে।
সত্যি অনেক বেশি কষ্ট লেগেছে এই ছোট বাচ্চা মৃত্যু দেখে মানুষ কতটা অমানুষ হলে এরকম কাজ করতে পারে।। এদের ফাঁসি না হলে ধর্ষক আরো বেশি বেড়ে যাবে।।
বাচ্চাটা এই দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছে কিন্তু ধর্ষক এই দুনিয়ায় এখনো ঘুরে বেড়াচ্ছে এটা দেখেই বাংলাদেশের আইনের প্রতি আসলে সন্দেহ হচ্ছে বাংলাদেশকে আদৌ কোন আইনের আওতাভুক্ত রয়েছে নাকি এমনিতেই দেশ পরিচালিত হচ্ছে এটা আসলে খুব জানতে ইচ্ছে করছে জানিনা কখনও জানতে পারবো কিনা তবে খুব আফসোসের একটা বিষয় দোয়া করি বাচ্চাটা পরকালে ভালো থাকুক এতটুকুই।