"হ্যাপি ভ্যালি পার্কে কাটানো একটা আনন্দময় সন্ধ্যার গল্প- প্রথম পর্ব"
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন এবং আপনাদের সকলের আজকের দিনটা খুব ভালো কেটেছে। শীতকাল প্রায় শেষ। ইতিমধ্যেই আবহাওয়ার পরিবর্তন আমরা অনুভব করতে শুরু করেছি। এছাড়াও খবরের শুনলাম এবছর শীতের মতোই অত্যাধিক পরিমাণ গরমও পরার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সামনের দিনগুলো আরও অনেক বেশি কষ্টকর হবে এবিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
যাইহোক আমার লেখা পুরনো পোস্টে আপনারা জেনেছিলেন, এই বছরের শুরুটা হয়েছিলো মালদায় আমার জেঠু বাড়িতে। আর ফেরার সময় আমাদের সাথে আমার বৌদি এবং ভাইপো দুজনেই আমাদের বাড়িতে এসেছিলো এবং ওরা কয়েকদিন আমাদের বাড়িতে ছিলো।
![]()
|
|---|
কয়েকদিন পরে আমার জ্যেঠুর ছেলে এসে ওদেরকে নিয়ে গিয়েছিলো। মূলত আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসার কথা ওদের অনেকদিন আগে থেকেই ছিলো। তবে সময় হয়ে উঠছিল না। তবে এইবার যেহেতু আমরা গিয়েছিলাম, তাই আমরাই ওদেরকে সাথে করে নিয়ে এসেছিলাম। দাদা কয়েকদিন বাদে এসেছিলো, কারণ আমাদের এখান থেকে দাদা একটা সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি কিনতে চাইছিলো।
![]()
|
|---|
আর যেহেতু শুভ এই সেক্টরে কাজ করে, তাই গাড়িটির কন্ডিশন আদিও কতটা ভালো হবে, এই বিষয়টা যাতে শুভ দেখে নিয়ে দাদাকে জানাতে পারবে। আর যদি গাড়িটি ভালো হয়, তাহলে দাদা সেই মতো সিদ্ধান্ত নিয়ে, সমস্ত কিছু রেডি করে আসতে পারবে। সেই কারণেই দাদা বৌদি এবং ভাইপোকে আমাদের সাথে পাঠিয়ে দিয়েছিলো।
শুভ এখানে এসে গাড়ির কন্ডিশন ভালো দেখে দাদাকে জানানোর পর, ওদিক থেকে দাদাও কাগজপত্রের কাজ এবং টাকা-পয়সার ব্যবস্থা করে, তারপর এসেছিলো। দাদা যেদিন সকালে এসে পৌঁছেছিলো, সেই দিন বিকেল বেলাতেই গাড়ি ডেলিভারি দিয়ে দিয়েছিলো। পরদিন সকালেই ওদের আবার মালদা ফিরে যাওয়ার কথা ছিলো, তাই নতুন গাড়িতে করে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান আমরা আগে থেকেই করছিলাম।
|
|---|
তবে যতোই সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি হোক না কেন, নিজেরা কেনার পর গাড়িতে করে কোথাও যাওয়ার আগে একটু পুজো না দিলে মনটা ভালো লাগে না। সেই কারণে ঠিক করা হলো যে গাড়িটা বাড়িতে নিয়ে আসার পর, আমার শাশুড়ি মা নিজেই রাধামাধবের চরণের ফুল, চন্দন, প্রদীপ, ধূপকাঠি দিয়ে নিজেই পূজা করে দেবেন। তারপর আমরা আমাদের বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটা পার্কে সকলে মিলে ঘুরতে যাবো।
![]()
|
|---|
সেই মতো আমরা আগে থেকেই তৈরি হয়ে গিয়েছিলাম। যাতে শুভ এবং দাদা গাড়িটা নিয়ে আসার পরে, আমরা তাড়াতাড়ি করে পূজার কাজটা সম্পন্ন করতে পারি। শীত কালের বেলা দেখতে দেখতে পার হয়ে যায়। তাই দুপুরের খাওয়া শেষ করার পর সেদিন আর বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ হয়নি।
![]()
|
|---|
আগে গাড়ির পুজোর কাজ সম্পন্ন করে আমরা সকলে পার্কের উদ্দৈ রওনা করলাম। দাদার যেহেতু আমাদের এদিকের রাস্তাঘাট তেমন চেনা ছিলো না তাই, শুভই গাড়ি চালাচ্ছিলো। পাশের সিটে দাদা, আমার ভাইপো অর্থাৎ ওর ছেলে ধীরাজকে নিয়ে বসেছিলো। আর পিছনের সিটে ছিলাম আমি বৌদি ও আমার শাশুড়ি মা।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
সকলে মিলে গল্প করতে করতে কিছুক্ষণের মধ্যে পৌঁছে গিয়েছিলাম বিড়ার হ্যাপি ভ্যালি পার্কে। যদিও পূর্বে আমরা এই পার্কে গিয়েছি, কিন্তু সন্ধ্যার পর পার্কটার সৌন্দর্য্য উপভোগ করার সুযোগ এর আগে কখনো হয়নি।
![]()
|
|---|
শীতকালে পার্কে বিভিন্ন ধরনের ফুলের সমাহার চোখে পড়ে একথা হয়তো আপনারা সকলেই জানেন। তবে রাতের বিভিন্ন রঙের আলোকে সেই সৌন্দর্য্য আরও দ্বিগুণ হয়ে ওঠে। এছাড়াও এবার পার্কে গিয়ে দেখলাম সেটা আরও অনেকটাই বড় করেছে। আরও নতুন নতুন জিনিসও তৈরি করেছে। সব জায়গাটা ঘুরে দেখতে বেশ ভালোই লেগেছিলো।
তবে একটা পোস্টের মধ্যে সমস্ত মুহূর্ত তুলে ধরতে গেলে লেখাটা অনেক বড় হয়ে যাবে। তাই আজকের পর্বের লেখাটুকু এখানেই শেষ করছি। পরবর্তী পর্বে পার্কের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখা এবং সকলের সাথে কাটানো আনন্দের মুহূর্তগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
সকলে ভালো থাকবেন। শুভরাত্রি।
|
|---|
.png)









