অন্ধকারের বেড়াজালে বন্দী!

আজকের লেখার শীর্ষক নির্বাচন করেছি ট্রেনের ফাঁকা মহিলা কামরায় বসে! উপরের উল্লেখিত ছবিটি দেখে শীর্ষক মাথায় এসেছে।
একদিকে, ভীষণ মন খারাপ লাগছে এইভাবে এত রাত করে একলা ফিরছি, সঙ্গে কেউ নেই সৃষ্টিকর্তা ছাড়া, সাথে পৌঁছনোর পর বাড়িতে অপেক্ষায় বসে থাকার মানুষ নেই, ইত্যাদি ভেবে;
অন্যদিকে গর্ব করে ভাবতে পারছি আমি বৃক্ষ, কোনো লতা গাছ নই, পরনির্ভরশীলতা আমার ব্যক্তিত্বের অঙ্গ নয়।
এই তমসায় ফাঁকা ট্রেনের কামরায় একাকী বসে তাই ব্যাগ থেকে ফোন বের করে লেখাটা শুরু করে দিলাম।

![]() | ![]() |
|---|
যখন কেউ আমার চোখের জল দেখতে পাবে না, যদিও লেখা শেষ করবো বাড়ি পৌঁছে, তবে সূত্রপাত এই অন্ধকারের বেড়াজালে আবদ্ধ থেকেই শুরু করলাম, লেখার হাত ধরে।
কোথাও বা কোথাও আমরা সকলেই এই অন্ধকারের বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে রয়েছি! কিভাবে জানতে চাইছেন?
চিন্তাধারা যখন সংকীর্ণ, পথ চলা যখন সীমিত, ভয়কে জয় করবার প্রয়াস করতে যারা এগোতে অনিচ্ছুক, সবটাই কিন্তু একটা অঘোষিত আঁধার, একটা অব্যাক্ত বেড়াজাল, যেটায় আবদ্ধ অনেক মানসিকতা।
যেখানে সীমারেখা টেনে দিয়ে কাউকে ঘরের চার দেয়ালে আবদ্ধ করে রাখা হয়, আবার কখনও সমাজ কি বলবে এই ভাবনায় ভাবিত হয়ে সময়ের আগে বিদায় করে দেওয়া হয় অনেক কন্যা সন্তানকে!
যেখানে নারীর কাজ, পুরুষের কাজ বিভক্ত করে দেওয়া হয়, যেখানে ভিন্ন চোখে উভয়ের উপার্জন তথা বাড়িতে ফেরার সময় বেঁধে দেওয়া হয়, আবার কোন বয়সে কোন বিষয় শোভা পায়, কোন বয়সের পর কি কি শেখা চক্ষু লজ্জার কারণ, সবটাই আমার দৃষ্টিভঙ্গিতে মানসিক তমসায় আচ্ছন্ন বেড়াজাল।
আজকে যাওয়ার সময় ট্রেনে এত ভিড় ছিল যে, পুরোটা রাস্তা ট্রেনের দরজায় দাঁড়িয়ে পৌঁছেছিলাম নিজের গন্তব্যস্থলে।

দরজায় দাড়িয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে কিছু সবুজের ছবি তুলেছিলাম।
দিনের পর রাত আসে, তাই এই বেড়াজাল থেকে নিজের মানসিকতা মুক্ত করতে প্রকৃতির বুকে লুকিয়ে রয়েছে উত্তর, বিস্তীর্ণ সবুজের মাঝে, ঝুঁকে পড়া আকাশের কাছে।




প্রকৃত সফলতার সংজ্ঞা আমায় খুজতে আকাশ যেমন সহায়তা করে, তেমনি বিস্তীর্ণ সুজলা সুফলা সবুজ আমায় শেখায় প্রকৃতির কত সহস্র তমসা সহ প্রতিকূলতা কাটিয়ে সে শস্য উৎপাদন করে।
দিনের এই দৃশ্য আমায় নতুন করে বাঁচতে শেখায়, আমায় চুপি চুপি বলে যায়, তমসা ক্ষণিকের, তাকিয়ে দেখ ঐ দূরে আকাশ ও আমায় ঝুঁকে কুর্নিশ জানায়!
আমিও তাকিয়ে দেখলাম, সুদূরে মনে হচ্ছে আকাশ মাটিতে নেমে এসেছে।
নিজের জীবনের এই বেড়াজাল ভেঙে আমিও হয়তো একদিন আকাশের কুর্নিশ উপার্জনে সক্ষম হবো, কে বলতে পারে!
আজ মনটা বেশ ভারাক্রান্ত, শরীরটাও ক্লান্ত, তাই এখানেই ইতি টেনে বিদায় নিলাম, সৃষ্টিকর্তাকে আজকের দিনের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে!




সত্যি বলতে কি, এই অন্ধকারের বেড়াজাল আমরা নিজেরাই তৈরি করি।
সমাজ কি বলবে ভেবে আমরা নিজেদের আটকে রাখি। কত স্বপ্ন, কত ইচ্ছে শুধু এই ভয়ে মরে যায়। প্রকৃতির দিকে তাকালে বোঝা যায়, অন্ধকারের পর আলো আসবেই। হয়তো সময় লাগে, কিন্তু আসে।
To be honest, we ourselves create this fence of darkness.
Thinking what society will say, we keep ourselves locked. So many dreams, so many wishes just die because of this fear. If you look at nature, you understand, after darkness light will definitely come. It may take time, but it comes
En la foto 1000099118.jpg, donde la cabina vacía del tren aparece como un espacio sin señal, el mercado muestra una falta de soporte on‑chain y un volumen muy bajo. Ese “oscuro enredo” que describes se asemeja a una fase de acumulación sin claridad de dirección.