সুবর্ণ রেখা নদী! The Subarnarekha River(a piece of nature's beauty!)

আজকে আপনাদের মাঝে সুবর্ণ রেখা নদীর ছবি নিয়ে হাজির হয়েছি।
শুধু কি এটি একটি নদী? আর পাঁচটা নদীর মতই?
সাধারণ দৃষ্টিতে বোধহয় তাই! তবে, প্রকৃতির নান্দনিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভালবাসেন এবং সেই সৌর্ন্দয্য তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করতে ভালবাসেন এমন কিছু মুষ্টিমেয় মানুষদের কাছে বোধহয় উত্তর ভিন্ন!
ইতিপূর্বে সুন্দরবন ঘুরতে গিয়ে প্রকৃতির নির্ভেজাল সৌন্দর্য্যের সাক্ষী হবার সুযোগ হয়েছিল, এবার আপনাদের উদ্দেশ্যে রইলো সেই প্রকৃতির সৃষ্টির আরেকটি উদাহরণ।
![]() | ![]() |
|---|

কোথায় অবস্থিত এই নদী?
রাঁচির কাছেই অবস্থিত ছোটনাগপুর মালভূমি হলো এই নদীর উৎপত্তিস্থল!
সত্যি মিথ্যে জানা নেই তবে কথিত আছে এই নদীর জলধারায় সোনার কনা পাওয়া যায় এবং সেই কারণে এই নদীর নামকরণ করা হয়েছে সুবর্ণ রেখা নদী!


যদিও নদীতে মাছ ধরতে স্থানীয় অধিবাসী নৌকায় করে জলে যায়, জীবিকার খাতিরে;
তবে, সোনা পেয়েছেন কিনা জল ধারায় সেটি জানা নেয় অবশ্য!
আসলে, ভারতের মাটিতে এমন অনেক ইতিহাসের সন্ধান আজও সুপ্তবস্থায় আছে, যার সন্ধান আজও হয়তো অধরাই রয়ে গেছে!
নদীর উৎপত্তি স্থল এর পাশাপশি জানিয়ে রাখি এই নদী ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ওই স্থানের বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশেছে!
বহু পুরোনো বাংলার স্বনামধন্য গায়ক যিনি কেবল বাংলা গায়ক ছিলেন এমন নয়, প্রচুর হিন্দি গানের সুর সৃষ্টি করেছেন হিন্দি গান গাইবার পাশাপশি!
সেই হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া গান:-
ও নদীতে একটি কথা শুধাই শুধু তোমারে!
বলো কোথায় তোমার দেশ? তোমার নেই কি চলার শেষ!
এই গানটি একটি ইচ্ছে ছিল গেয়ে এই লেখায় সংযোগ করি, কিন্তু মনের অবস্থা এখনো স্থির নেই!
এই গানের একটি লাইন আজকাল প্রায়শঃই গুনগুন করি:-
এ কূল ভেঙে ও কূল তুমি গড়ো
যার একূল ওকূল দুকূল গেল তার লাগি কি করো?
কি অসম্ভব সত্য শুধু প্রকৃতির ক্ষেত্রেই নয়, কিছু মানুষের জীবনের ক্ষেত্রেও!
একটা বাস্তব শিক্ষা ইতিপূর্বেও পেয়েছি, তবে ধীরে ধীরে বুঝতে পারছি সৃষ্টিকর্তা ছাড়া কোনো মানুষ আপন নয়, নিজের প্রয়োজনে পাশে অন্যদের আশা করলেও, অন্যের ক্ষেত্রে নিপুন অভিনয় করে বিষয় এড়িয়ে যাবার দক্ষতা এখন খুব সহজেই ধরে ফেলি, পার্থক্য এই মনে মনে হাসি আর অপেক্ষায় আছি সময়ের!
তবে, একাধিক বার একই পরিস্থিতি দিয়ে গিয়ে বুঝেছি, কারোর আত্মস্বার্থ তৎক্ষণাৎ প্রকাশ পেয়ে যায়, আর কারোর কারোর ক্ষেত্রে একাধিক পরিস্থিতির নিরিখে এখন বুঝতে পারি, কিভাবে আমাকে ভাঙিয়ে নিজেদের ভাড়ার পূর্ণ করছে!
ঈশ্বর যা করেন মঙ্গলের জন্য, আর তাই নিজের আসে পাশে এখন এমন উচ্চ লৌহবেষ্টনি তৈরি করে নিয়েছি, যেখানে সকল পরিচিতি মুখের প্রবেশ নিষিদ্ধ!
![]() | ![]() |
|---|

এই নির্ভেজাল প্রকৃতি আমার সবচাইতে কাছের!
অনেক ছবির মধ্যে থেকে কিছু আজকে আপনাদের সাথে ভাগ করে নিলাম, এরপর দেখা যাক, আবার কবে বাকিগুলোর সময় আসে!
সময়? হ্যাঁ, এখন তো সেটার দিকেই তাকিয়ে রয়েছি, পরিণতি, অনেকের পরিণতি দেখা বাকি আছে! সকলের নাটকের পর্দা উন্মোচন মোটামুটি হয়ে গেছে!
অভিনয়ের পালা শেষ! "মধুরেণ সমাপয়েৎ" হয় কি না সকলের, নাকি আবার প্রয়োজন পড়ে সেটাই দেখার!








Curated by : @walictd
@walictd appreciated your support!