Justice or die

শহীদ ওসমান হাদির হাতে গড়া সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর হামলায় অনলাইনজুড়ে উল্লাস প্রকাশ করছে বিএনপি-ছাত্রদল অ্যাক্টিভিস্টরা। এদের অনেকেই দলটির কেন্দ্র, ঢাবিসহ বিভিন্ন ইউনিটের শীর্ষ নেতা।
#JusticeForHadi
যমুনার সামনে নাহয় ১৪৪ ধারা ছিল। শাহবাগে কি কোনো ১৪৪ ধারা ছিল? তাহলে শাহবাগের জমায়েতে কেন এমন ব্রুটাল এট্যাক চালিয়েছে পুলিশ?
আন্দোলনকারী সন্দেহে বাস থেকে যাত্রী নামিয়ে পেটানো, আন্দোলনকারী সন্দেহে ব্যবসায়ীকে পেটানো, 'জুলাই নামা' বলে হামলা চালানো, 'আয় হাদীর লাশ নিয়ে যা' বলে উপহাস করা, আন্দোলনকারীদেরকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন, একজন আন্দোলনকারীকে মাটিতে ফেলে কয়েকজন পুলিশ মিলে বুট দিয়ে পাড়ানো, আন্দোলনকারী সন্দেহে মোবাইল চেক করা - এগুলো কি সমানুপাতিক বলপ্রয়োগ? এগুলো স্পষ্টতই মনের ভেতর পুষে রাখা জ্বালার বহিঃপ্রকাশ।
পুলিশ ইচ্ছাকৃত এই ঘটনাকে বাড়তে দিচ্ছে এবং সংক্ষুদ্ধ জনতাকে উত্তেজিত হতে প্রভোক করছে। মনে হচ্ছে এই পেটোয়া পুলিশই (যাদের অনেকেই পুলিশ লীগ) ১২ তারিখে নির্বাচন চায় না। এরা কি ইউনুসের অধীন আছে? নাকি অন্য কোনো কেবলার নিয়ন্ত্রণাধীন? এই ঘটনার তদন্ত হওয়া উচিত।
নির্বাচন ১২ তারিখেই হতে হবে। আজকে প্রশাসনের যারা অপেশাদারি আচরণ করছে, তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। আজকের পুলিশ লীগের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে ছিল জনগণকে জানাতে হবে।





