ডা. শরফুদ্দিনকে অনতিবিলম্বে গ্রেফ-তার করতে হবে।
ডা. শরফুদ্দিন মাহমুদ।
এই ভদ্র(!)লোক একজন কার্ডিওলজিস্ট। চট্টগ্রামে থাকেন, বেলভিউ হাসপাতালে চেম্বার করেন। সোম ও শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন থাকেন, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে ১০টা পর্যন্ত।
ভদ্রলোক বিবাহিত, সুখী এবং একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জনক।
এবং,
ভদ্র(!)লোক দুইজন নারীকে সে-ক্সু-য়ালি হ্যারাস করার প্রকাশ্য জবানবন্দি দিচ্ছেন।
এবং,
ভদ্র(!)লোক এর কারণ হিসেবে বলেছেন, ঐ দুইজন নারী জুলাইয়ে প্রোফাইল পিকচার লাল করেছেন।
এবং,
এই কারণে নাকি আমাদের জুলাই-যো-দ্ধা কারিনা কায়সারের ওপর তার ক্ষো-ভ নাই।
এবং,
এই শরফুদ্দিন মুজিববাদী একজন কার্ডিওলজিস্ট, সমাজের সর্বোচ্চ শিক্ষিত শ্রেনীর লোক।
এবং,
সম্ভবত চেম্বারেই সে এ কাজ করতে পারে। রাস্তাঘাটে এইসব জায়গায় হাত দেয়ার কাজ তো ডাক্তার করবে না। তো ডাক্তার যদি করে, কই করবে? চেম্বারে।
এবং,
এই সে-ক্সু-য়াল হ্যারাসার মুজিববাদী দুইটা ফুটফুটে কন্যা সন্তানের বাবা।
--
এই শরফুদ্দিনরা দুই হাজার লা-শ ফেলবে বিশ দিনে।
এই মুজিববাদীরা আমাদের মেয়েদেরকে ভোট দেয়ার অপরাধে ধর্ষ-ণ করবে।
এরপর এই মুজিববাদীদের পরাজিত করার পর ওরা আমাদের মেয়েদের স-ম্ভ্রমে হাত দেবে।
এবং তা গ্রুপচ্যাটে রসিয়ে রসিয়ে বলবে।
আর শ-হীদ নাফিসা হোসেন মারওয়া, শ-হীদ নাঈমা সুলতানা, শ-হীদ সুমাইয়া আক্তারের সহযোদ্ধারা,
আমরা চুড়ি পড়ে বসে থাকব - তাই না?
--
যদি শহীদ নাফিসা, নাঈমা, সুমাইয়াদেরকে নিজের বোন বলে মনে করে থাকেন,
যদি কারিনা কায়সারকে সহ-যো-দ্ধা মনে করে থাকেন —
তবে এই শরফুদ্দিন রা-ক্ষসকে আপনারা গ্রেফ-তারের ব্যবস্থা করবেন।
সে চট্টগ্রাম বেলভিউ হাসপাতালে বসে। কখন বসে, দেওয়া আছে ছবিতে।
ডা. শরফুদ্দিনকে অনতিবিলম্বে গ্রেফ-তার করতে হবে।
~ শাফিন ইব্রাহিম হোসেন!




