" সামনে এক্সাম,তাই ব্যস্তময় দিন কাটে "

in আমার বাংলা ব্লগ2 months ago

হ্যালো বন্ধুরা,

মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার প্রিয়"আমার বাংলা ব্লগ"এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগন,কেমন আছেন সবাই?আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে ভালো আছি।

বন্ধুরা,আমি @shimulakter"আমার বাংলা ব্লগ" এর একজন নিয়মিত ও অ্যাক্টিভ ইউজার।বাংলায় ব্লগিং করতে পেরে আমার অনেক বেশী ভালো লাগা কাজ করে মনের মাঝে।তাইতো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত মনের নানান অনুভূতি গুলো নিয়ে নানা রকমের পোস্ট শেয়ার করে থাকি।আজ ও আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিযে।আশাকরি সবাই সঙ্গেই থাকবেন।

সামনে এক্সাম,তাই ব্যস্তময় দিন কাটেঃ


8261.jpg

বন্ধুরা,প্রতিদিনের মতো আজ ও হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে।হে বন্ধুরা,আজ লাইফ স্টাইল পোস্ট শেয়ার করে নেবো।প্রতিদিন নানা রকমের কাজের মধ্যে দিয়ে আমাকে যেতে হয়।তার মধ্যে থেকে কিছু অনুভূতি আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নিতে আমার ভালো লাগে।আর এ কারনেই আজ মনের কিছু অনুভূতি আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে চলে এলাম।সামনে ফাইনাল এক্সাম সব স্কুলেই অনুষ্ঠিত হবে।আর মাত্র কয়টা দিন বাকি আছে।আমার ছেলে ক্লাস ফাইভে পড়ছে।আগে ও আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি ওর পড়ার দিকে ঝোঁক কম।তবে অন্য সব যেমন খেলা,রান্না,যেকোনো কিছু দিয়ে নতুন কিছু তৈরি করা এসবে তার একদম অনিহা নেই।অনিহা শুধুমাত্র পড়াতে।তাই পড়ানোর কাজটা পুরোপুরি আমাকেই করতে হয়।এই যেমন নোট করে দেওয়া,পড়ানো।

8257.jpg

আমি ছোটবেলা থেকেই ভীষণ গোছানো একজন মানুষ আর তাই পড়াতে ও আমি ভীষণ গোছানো।এলোমেলো কিছু দেখলে সেই কাজ তো আমার দ্বারা হবেই না উল্টো মাথা ধরে যায়।ছেলে এখনো ছোট তাই গুছিয়ে দেয়ার কাজটি এখনো আমি করি।ওই যে বললাম গোছানো না হলে মাথা ধরে যায়। তাই পড়ানোর জন্য আমি নিজেই সবকিছু গুছিয়ে নিয়ে বসি।সত্যি কথা বলতে আমাদের সময়ে আমার মা আমাদের এমন ভাবে সময় দিয়েছে তা কিন্তু কখন ই হয়নি।কেননা আমদের ছিল যৌথ পরিবার।যৌথ পরিবারে নানান কাজে আমার মায়ের সময় কেটে গেছে।কখনও স্কুলে ও নিয়ে যেতে হয়নি।আর এখন বাচ্চাদের কে যেভাবে মা-বাবা সবকিছুতে সাপোর্ট করে তাতে প্রতিটি বাচ্চার শুকরিয়া করা উচিত।

এবার আসি আসল কথায়,আসলে আগের সময়ে মায়েদের সাংসারিক কাজ অনেক ছিল।কিন্তু এখনকার দিনে মায়েদের কি কোন কাজ নেই??অবশ্যই আছে,তবে এখনকার সময়ে মায়েরা শুধু সংসার নিয়েই পরে থাকে না,প্রতিনিয়ত বাচ্চাদেরকে নিয়ে যুদ্ধে নেমে যাচ্ছে।যেখানে পরিবারের কাজ করে ও।কারন এই সময়ে এসে কোন মা ই শুধু পরিবারের কাজকে প্রাধান্য দেয় না।পরিবারের প্রধান কাজ ছেলেমেয়েকে মানুষের মতো করে মানুষ করতে এরা সবার আগে এগিয়ে চলছে।ওই যে কথায় আছে "যে রাধে সে চুল ও বাঁধে।" সত্যি ই তাই।এখন মায়েরা পরিবারের সব কাজ করে ও ছেলেমেয়েকে সময় দিয়ে যাচ্ছে।কেউ থেমে নেই।বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা এমন হয়েছে একটু থেমে গেলে ই পিছিয়ে পরতে হয়।

8259.jpg

আমার ছেলে যেহেতু একদম ই পড়তে চায় না।তাই তাকে সবকিছু গুছিয়ে দিয়ে কিছুটা হলেও পড়ার প্রতি আগ্রহ তুলে ধরার চেষ্টা করছি।আমি যেহেতু গৃহিণী।আমার ঘরে-বাইরে অনেক কিছুই সামলাতে হয়।আমি প্রতিটি কাজ সময় মতো করার চেষ্টা করি।আলসেমি একদম করিনা।যার জন্য সব কাজ সময় মতো করা আমার জন্য কষ্টকর হয় না।তবে খুব চাপ হয়ে যায়।তবে অপেক্ষা করি হয়তো ছেলেটা আর একটু বড় হলে লেখাপড়ার মূল্য বুঝে নিজেই নিজের পড়ালেখার সবকিছু গুছিয়ে নিয়ে করবে।

আমরা মায়েরা ধৈর্যশীল।আমরা অসম্ভবকে সম্ভব করতে চেষ্টা করি।আল্লাহর রহমতে আমরা জয়ী ও হই।সবকিছু সামলে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে এটাই মেনে চলি।সবার মন রক্ষা করে চলতে হয় গৃহিণীদের।সবার মুখে হাসি ফোটাতে গিয়ে কষ্ট হয়।কিন্তু যখন সবার মনের মতো সবকিছু করতে পারি তখন সব কষ্ট দূর হয়ে যায়।এখন খুব বেশী ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছি। দোয়া করবেন সবাই আমার ছেলের জন্য।আল্লাহ যাতে ওকে সঠিক বুঝদান দান করেন।

পোস্ট বিবরন


শ্রেণীলাইফ স্টাইল
ক্যামেরাGalaxy A16
পোস্ট তৈরি@shimulakter
লোকেশনঢাকা,বাংলাদেশ

আ‌জ এখানেই শেষ করছি।আবার হয়ত হাজির হয়ে যাব অন্য কোন পোস্টে ভিন্ন কিছু অনুভূতি নিয়ে।সবাই সুস্থ থাকবেন, ভালো থাকবেন।

ধন্যবাদ সবাইকে

@shimulakter

আমার পরিচয়


আমি শিমুল আক্তার।আমি একজন বাংলাদেশী।আমি বাংলাদেশ ঢাকা থেকে আপনাদের সাথে যুক্ত আছি।আমি এম এস সি (জিওগ্রাফি)কমপ্লিট করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।আমি বিবাহিতা।আমি একজন গৃহিণী।আমি একজন স্বাধীনচেতা মানুষ।ভালোবাসি বই পড়তে,নানা রকমের রান্না করতে,আর সবাইকে নতুন নতুন রান্না করে খাওয়াতে ভীষণ ভালোবাসি।ফটোগ্রাফি করতে আমি ভীষণ পছন্দ করি।বাংলায় লিখতে আর বলতে পারার মধ্যে অনেক বেশী আনন্দ খুঁজে পাই।নিজের মধ্যে থাকা সৃজনশীলতাকে সব সময় প্রকাশ করতে পছন্দ করি।এই বাংলার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছি বলে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করি।

53.png

54.jpg

55.gif