একা পথিকশেষ বয়স নীরব কষ্ট

in #life13 days ago

জীবনের পথে একা একা হেটে চলা...
বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে শরীর, পিঠটা কুঁজো হয়ে গেছে।
হাতে একটা পুরনো লাঠি। তবুও থেমে নেই মানুষটা।

উনার নাম কেউ জানে না। গ্রামের শেষ মাথায় একটা টিনের ভাঙা ঘরে থাকে।
যৌবনে সারাজীবন অন্যের জমিতে কাজ করে ছেলেমেয়েদের মানুষ করেছে।
ছেলেরা এখন সবাই শহরে। বড় বড় চাকরি করে।
বউটা ৫ বছর আগে বিনা চিকিৎসায় মারা গেছে।

এখন দেখার কেউ নেই।
পেটের খিদার জ্বালায় রোজ ফজরের পর ৩ কিলোমিটার হেটে বাজারে যায়।
সবজি বিক্রি করে যা পায় তাই দিয়ে কোনো রকমে দিন চলে।

পাড়ার মানুষ মাঝে মাঝে ২টা ভাত দেয়।
কিন্তু আপনজন বলতে কেউ নাই।
সন্ধ্যা হলে ঘরের দরজা বন্ধ করে একা একা কান্না করে।

আমরা সবাই ফোন, ফেসবুক, আড্ডা নিয়ে ব্যস্ত।
আর উনারা? রাস্তার পাশে নীরবে ঝরে যাচ্ছে।

আল্লাহ, তুমি দুনিয়ার সকল অসহায় বাবাদের উত্তম রিজিক দাও।
তাদের শেষ বয়সটা একটু শান্তিতে কাটুক।
কেউ যেন না খেয়ে না থাকে। আমিন।

আপনাদের কাছে অনুরোধ, আপনার আশেপাশের বৃদ্ধ মানুষগুলোর খবর নিন।
একটু ভালোবাসা, একটু খবরই তাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া।

জীবনের পথে একা একা হেটে চলা...
বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে শরীর, পিঠটা কুঁজো হয়ে গেছে।
হাতে একটা পুরনো লাঠি। তবুও থেমে নেই মানুষটা।

উনার নাম কেউ জানে না। গ্রামের শেষ মাথায় একটা টিনের ভাঙা ঘরে থাকে।
যৌবনে সারাজীবন অন্যের জমিতে কাজ করে ছেলেমেয়েদের মানুষ করেছে।
ছেলেরা এখন সবাই শহরে। বড় বড় চাকরি করে।
বউটা ৫ বছর আগে বিনা চিকিৎসায় মারা গেছে।

এখন দেখার কেউ নেই।
পেটের খিদার জ্বালায় রোজ ফজরের পর ৩ কিলোমিটার হেটে বাজারে যায়।
সবজি বিক্রি করে যা পায় তাই দিয়ে কোনো রকমে দিন চলে।

পাড়ার মানুষ মাঝে মাঝে ২টা ভাত দেয়।
কিন্তু আপনজন বলতে কেউ নাই।
সন্ধ্যা হলে ঘরের দরজা বন্ধ করে একা একা কান্না করে।

আমরা সবাই ফোন, ফেসবুক, আড্ডা নিয়ে ব্যস্ত।
আর উনারা? রাস্তার পাশে নীরবে ঝরে যাচ্ছে।

আল্লাহ, তুমি দুনিয়ার সকল অসহায় বাবাদের উত্তম রিজিক দাও।
তাদের শেষ বয়সটা একটু শান্তিতে কাটুক।
কেউ যেন না খেয়ে না থাকে। আমিন।

আপনাদের কাছে অনুরোধ, আপনার আশেপাশের বৃদ্ধ মানুষগুলোর খবর নিন।
একটু ভালোবাসা, একটু খবরই তাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া।

Posted using SteemMobile

Sort:  

আসালামু আলাইকুম ভাই। আমি স্টিমিটে একদম নতুন ইউজার।
আপনার পোস্টটা অনেক ভালো লাগলো। পাশে থাকবেন ইনশাআল্লাহ।