জীবনের গল্প || অসহায়ত্বের বিস্তৃতি
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমি বেশ ভালো আছি এবং চঞ্চলতা নিয়ে চারপাশের পরিবেশ ও পরিস্থিতি উপভোগ করার চেষ্টা করছি। তবে পরিবেশ ও পরিস্থিতি কোনটাই কিন্তু আর আগের মতো ভালো নেই। কারণ সময়ের সাথে সাথে সব পরিবর্তন হয়ে যায় যেভাবে ঠিক সেভাবে আমাদের প্রকৃতি ও পরিবেশও পরিবর্তন হয়ে গেছে। আর সেই পরিবির্তের আবর্তে আটকে যাচ্ছি আমরা, পাল্টে যাচ্ছে আমাদের জীবনের গতিও। এটা শুনতে কিছুটা অদ্ভুত হলেও এখন কিন্তু বাস্তব সত্য।
আর সেই সত্যটা নিয়েই আজকে কিছু বলার চেষ্টা করবো। আপনি একটু লক্ষ্য করলেই এর সত্যতা খুঁজে পাবেন। দেখুন এবার বেশ দেরীতে বৃষ্টিপাত হচ্ছে, হচ্ছে মানে এখন পর্যন্ত মাত্র দুইবার ঢাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে। মাত্র কয়েকটি অঞ্চলে এই বৃষ্টিপাতের শীতলতার ছোঁয়া ছিলো। যেমন ঢাকা এবং মানিকগঞ্জে এখন পর্যন্ত বৃষ্টির ছোঁয়া বা শীতলতার পরশ আসে নাই সেটা আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি। এই বৃষ্টিপাত দেরী হওয়া যেমন প্রকৃতি ও পরিবেশ পরিবর্তন হওয়ার একটা ধাপ, ঠিক তেমনি এর সাথে জড়িত নানা অসঙ্গতিও আমাদের অস্থির করে দিচ্ছে।
অসঙ্গতি বা সমস্যার বিষয়টি এখন বলছি, বিশেষ করে মশার আক্রমন। মশাগুলো ইদানিং কেমন জানি ট্রাম্পকে অনুসরণ করার চেষ্টা করছেন, অন্তত তাদের আক্রমনাত্মক অবস্থা দেখে আমার কাছে সেটাই মনে হয়েছে। আগে দেখতাম কিছুটা ধোঁয়া বা ধুপ দিলেই মশা হারিয়ে যেতো। এরপর আমরা দেখলাম পয়সাওলারা এরোসলের ব্যবহারের দিকে ধাবিত হচ্ছেন কারণ তখন সেটারও বেশ কার্যকর ব্যবহার ছিলো। আর কিছুটা গরীব ধাপের মানুষগুলো মশার কয়েল ব্যবহারে অভ্যস্থ হতে শুরু করেছেন। কিন্তু একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন এখন আর কোনটায় তেমন কাজ হচ্ছে না।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা বলছি, এরোসলের সক্ষমতা যে এখন আর আগের মতো নেই সেটা অনেক আগেই টের পেয়েছিলাম। এরপর লিকুইড কয়েল আনলাম, জনপ্রিয় গুডনাইট, এটা শুরুর দিকে কিছুটা কাজ করলেই মাত্র দুই-তিন দিনের মাথায় দেখছি মশাগুলো দ্বিগুন শক্তি নিয়ে ফিরে আসতে শুরু করেছে। এটাই এখন চরম বাস্তবতা, কয়েলের ধোঁয়া যেমন কাজ করছে না ঠিক তেমনি অন্যান্য উপাদানগুলোও অনেকটাই অসহায় হয়ে গেছে। আর সেই সুযোগে মশাগুলো আমাদের উপর দ্বিগুন আগ্রহ নিয়ে চড়াও হতে শুরু করেছে।
যদি সঠিক সময়ে বৃষ্টিপাত হতো তাহলে প্রকৃতি ও পরিবেশ দুটোই কিছুটা হলেও সুন্দর অবস্থানে থাকতো। কারণ বৃষ্টিপাত হলেই শামুকের উপস্থিতি বেড়ে যেতো, বিভিন্ন জায়গায় পানি জমতো তাতে ব্যাংঙ এর উপস্থিতি বৃদ্ধি পেতো। আর এই দুটোই কিন্তু দারুণভাবে মশা কমাতে কাজ করে। প্রকৃতির মাঝেই দারুণ প্রাকৃতিক সমাধান, কি অবাক হচ্ছেন? এটা কিন্তু সত্য, প্রকৃতির পরিবর্তন মানেই আমাদের এমন নাজুক পরিস্থিতিতে আটকে। সুতরাং প্রকৃতির সুন্দর অবস্থান এবং ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চেষ্টা করতে হবে যার যার অবস্থান হতে, তবেই হয়তো নিষ্কৃতি পাওয়া যাবে।
Image Taken From Pixabay
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||




>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness

OR





High-Yield Curation by @steem-seven
Your content has been supported!
Maximize your passive income!
Delegate your SP to us and earn up to 0.45 STEEM / 1000 SP.
Click here to see our Tiered Reward System
We are the hope!