অনুভূতি :- ভাতিজির গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান।
হ্যালো বন্ধুরা,
সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে খুবই ভাল আছি। আমি আজকে একটি লেখার পোস্ট এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো। কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে অথবা কোথাও ঘুরতে গেলে ওইসব বিষয় নিয়ে পোস্ট লিখতে অনেক ভালো লাগে। বেশিরভাগ সুন্দর মুহূর্ত গুলোর পোস্ট পড়তে এবং লিখতে অনেক ভালো লাগে। সব সময় চেষ্টা করি আমার সুন্দর মুহূর্তের অনুভূতি আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। ঘুরতে গেলে নিজে মনটাও ফ্রেশ থাকে। তাই সবসময় চেষ্টা করি কোথাও ঘুরতে যাওয়ার হাসিখুশির মুহূর্তটা আপনাদের মাঝেও শেয়ার করার জন্য। আশা করি আপনাদেরও পোস্টটি অনেক ভালো লাগবে।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব বিগত কয়েক মাস আগে আমার জেঠাতো ভাইয়ের মেয়ের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানের পোস্ট। মূলত আমার আপন জেঠাতো ভাইয়ের মেয়ের বিয়ে ছিল। যদিও গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানগুলো অনেক রাতে হয়। আর ঐদিন রাতে আমি আমার ভাতিজির গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে গেলাম। আর গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে কিন্তু এমনিতে বিরিয়ানি বানানো হয়। আর বিরিয়ানি খেতে কিন্তু অনেকে পছন্দ করে। আমি নিজে তো অনেক পছন্দ করে বিরিয়ানি খেতে। আর বাড়ি কিন্তু ছোট-বড় অনেকজন ছিল ঐদিন অনুষ্ঠানে। তবে পুরুষদের তুলনায় মহিলারা কিন্তু অনেক বেশি থাকে গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে।
যেহেতু আমার ভাতিজির বিয়ের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান এই কারণে মহিলা ছিল অনেক। আর আমরা পুরুষ গুলো সবাই বাহিরে যেখানে বিরিয়ানি রান্না করা হয়েছে ওইখানে বসলাম। আর যেই বিরিয়ানি রান্না করেছে সে আমাদের পরিচিত এবং রিস্তা ভাই হয়। আর যাওয়ার পর কিন্তু গরম গরম বিরিয়ানি গুলো আমাদেরকে সেই প্লেটের মধ্যে দিলেন। যদিও আমি ওই সময় কয়েকটি ছবি তুলে নিলাম। আর আমরা সবাই মিলে একসাথে বসে বিরিয়ানি খেতে শুরু করলাম। সত্যি বলতো ওই দিন গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানের বিরিয়ানি গুলো খেতে বেশ মজা লাগলো। আর আমরা বাড়ির ছেলেগুলো একসাথে বসে খেতে খেতে গল্প করতে লাগলাম।
আর অনেক বড় একটি আর ডেক্সির মধ্যে সেই বিরিয়ানি রান্না করেছেন। আর ঐদিন কিন্তু এমন ভাবে বিরিয়ানি রান্না করলো সবাই খাওয়ার পর আরো অনেকগুলো বাসলো। আমরা কিন্তু কয়েক মিনিট ঘরের পরিবারের জন্য নিয়ে আসলাম ওইখান থেকে পার্সেল। আর ঐদিন গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে বিরানি খেয়ে এবং অনুষ্ঠান আমরা অনেকক্ষণ পর্যন্ত সবাই কথা বললাম আনন্দ করলাম। আর পারিবারিক বিয়েগুলো তো এমনিতে একটু আনন্দ বেশি হয়। আর জেঠাতো ভাইয়ের মেয়ে তাই আমরা কিন্তু ঐদিন গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান অনেকক্ষণ ছিলাম। অনেকক্ষণ পর্যন্ত আমরা ওইখানে সময় কাটালাম।
যদিও আমাদের জেঠাতো ভাই বিদেশ থাকে তার মেয়ের বিয়ের অনেক কাজ আমি নিজেও করে দিলাম। আর নিজস্ব ভাতিজির বিয়ের কারণে আমরা পরিবারের সবাই গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে গেলাম। সত্যি বলতে এরকম গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানগুলোতে গেলে এমনিতে ভালো লাগে। আর জ্যাঠাতো ভাইয়ের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে যেমন খাওয়া-দাওয়া করলাম তেমনি আনন্দ করলাম। আর গায়ে হলুদ সুন্দর মুহূর্ত তাই আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। আশা করি ভাতিজির গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানের এই পোস্ট দেখে আপনাদের অনেক ভালো লাগবে।
আমার পরিচয়
আমার নাম মোঃ জামাল উদ্দিন। আর আমার ইউজার নাম @jamal7। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। প্রথমত বাঙালি হিসেবে আমি নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করি। কারণ বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। তার সাথে ফটোগ্রাফি করা আমার অনেক শখ। আমি যে কোন কিছুর সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করি। তার সাথে ভ্রমণ করতেও ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে নতুন নতুন জায়গা ভ্রমণ করতে ভীষণ ভালো লাগে। তার সাথে লেখালেখি করতে ও ভীষণ ভালো লাগে। যে কোন বিষয় নিয়ে কিংবা যে কোন গল্প লিখতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আর সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা। নতুন ধরনের কিছু দেখলে করার চেষ্টা করি।














https://x.com/i/status/2012525338799079773