অনুভূতি :- মাদ্রাসায় সকাল বেলা নাস্তা।

in আমার বাংলা ব্লগ16 days ago

হ্যালো বন্ধুরা,

সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে খুবই ভাল আছি। আমি আজকে একটি লেখার পোস্ট এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো। কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে অথবা কোথাও ঘুরতে গেলে ওইসব বিষয় নিয়ে পোস্ট লিখতে অনেক ভালো লাগে। বেশিরভাগ সুন্দর মুহূর্ত গুলোর পোস্ট পড়তে এবং লিখতে অনেক ভালো লাগে। সব সময় চেষ্টা করি আমার সুন্দর মুহূর্তের অনুভূতি আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। ঘুরতে গেলে নিজে মনটাও ফ্রেশ থাকে। তাই সবসময় চেষ্টা করি কোথাও ঘুরতে যাওয়ার হাসিখুশির মুহূর্তটা আপনাদের মাঝেও শেয়ার করার জন্য। আশা করি আপনাদেরও পোস্টটি অনেক ভালো লাগবে।

IMG_20251218_075527.jpg

আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব কিছুদিন আগে সকালবেলা মাদ্রাসা নাস্তা করার মুহূর্ত। আমি আমাদের এলাকায় একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করি। আর মাদ্রাসায় মাঝেমধ্যে মিটিং হয় শিক্ষক নিয়ে। কিছুদিন আগে সকালবেলা বড় হুজুর মিটিং ডাকলেন। আর আমাদের মাদ্রাসায় মিটিংগুলো হয় বেশিরভাগ একদম সকাল বেলা। বলতে গেলে ফজরের নামাজের পর মিটিং বসে। আর অনেক সময় মিটিং হলে অনেকক্ষণ সময় পর্যন্ত মিটিং করে। আর মিটিং এর মধ্যে শিক্ষক সবাই উপস্থিত থাকতে হয়। আর উপস্থিত না থাকলেও বড় হুজুর সেটার ব্যবস্থা নেই। মাদ্রাসাটি আমাদের বাড়ির সামনে বিদায় আমি সবার আগে চলে যাই মিটিংয়ে।

IMG_20251218_075625.jpg

আর পরীক্ষার পর বন্ধ উপলক্ষে এবং পরামর্শ উপলক্ষে মাদ্রাসায় মিটিং বসলো। আর আমাদের মিটিং সকাল সাতটা বাজে বসলেন এবং ৯ টার আগ পর্যন্ত মিটিং হল। আর সেই সুবাদে শিক্ষকদেরকে মাদ্রাসায় নাস্তা করাবেন। যদিও একেক সময় একেক নাস্তা করাই আমাদেরকে। আর ঐদিন বড় হুজুর বলতে লাগলো মাদ্রাসায় সবাইকে নাস্তা করার জন্য। আর আমাদের এই মাদ্রাসায় হেফজখানা আছে বিদায় ওইখানে ছাত্র-ছাত্রী আছে মাসিক ভোটিংয়ে। আর ছাত্র-গুলো সব সময় খাওয়া-দাওয়া নাস্তা মাদ্রাসাই করে। যখন আমাদের মিটিং শেষ তখন পাশের রুমে তাড়াতাড়ি যেতে বললেন নাস্তা করার জন্য। যদিও ঐদিন আমাদের মাদ্রাসায় পরীক্ষা ছিল আমাদের।

IMG_20251218_075622.jpg

আর আমরা মিটিং শেষ করে শিক্ষক সবাই একসাথে ওই রোমে নাস্তা করতে গেলাম। আর গিয়ে দেখে আমরা সকালবেলা নাস্তা তৈরি করেছি বিরিয়ানী। দেখে আমরা বলতে লাগলাম সকাল সকাল বিরিয়ানী তৈরি করল। আর ওইখানে বোর্ডিং এর মধ্যে যে শিক্ষক ছিলেন সকালবেলা নামাজের পর সেই বিরিয়ানী তৈরি করেছেন ছাগলের মাংস দিয়ে। আর ছাত্রগুলো নাস্থাগুলো হিসেবে বিরিয়ানী গুলো সুন্দর করে সাজিয়ে দিলেন আমাদেরকে। তবে বিরিয়ানী গুলো খেতে বেশ মজা লাগলো। এদিকে সকাল বেলা কিছু খাওয়া হয়নাই অন্যদিকে বিরিয়ানী দেখে বেশ ভালো লাগলো। সত্যি বলতে ঐদিন সকালবেলা বিরিয়ানী দেখে খেতে অনেক ভালো লাগলো বিদায় আমি কয়েকবার বিরিয়ানী নিলাম।

IMG_20251218_075617.jpg

আর আমাদের মাদ্রাসায় মাঝেমধ্যে আমরা মিটিং বসলে সব সময় আমাদেরকে নাস্তা করানো হয়। আবার অনেক সময় দুপুর বেলা খাওয়া-দাওয়া করানো হয়। আর আমাদের সাথে মাদ্রাসায় কিছু ছাত্র একসাথে নাস্তা করলেন। মূলত নাস্তা বলতে সকালবেলা বিরিয়ানী দিয়ে নাস্তা করাছে বিদায় নাস্তা বললাম। আর বিরিয়ানী সকাল এবং সন্ধ্যা যেকোনো সময় খেতে বেশ ভালো লাগে। সত্যি বলতে এই ধরনের খাওয়া দাওয়া করার মজাই অন্যরকম। আমরা কয়েকজন শিক্ষক সুন্দর করে যতবার বিরিয়ানী লাগল নিয়ে খেলাম। আর ঐদিন আমাদের বড় হুজুরও ছিল বিধায় একসাথে নাস্তা করেছিলাম।

IMG_20251218_075612.jpg

IMG_20251218_075546.jpg

তবে আমাদের বড় হুজুর যেদিন শিক্ষক এর জন্য নাস্তা ব্যবস্থা করে ঐদিন ছাত্র গুলোর জন্য ব্যবস্থা করে। হেফজখানার মধ্যে কয়েকজন ছাত্র আছে বড় এদেরকে একসাথে শিক্ষকের সাথে নাস্তা করায়। সত্যি ওই দিন সকাল বেলা জরুরিভাবে মিটিং এবং খাওয়া-দাওয়া অন্যরকম ভালো লাগলো। আর বিরিয়ানী খেতে কিন্তু সবাই কিন্তু কমবেশি অনেক পছন্দ করে। যদিও ছাগলের মাংসের বিরিয়ানী অনেকে খেতে চাই না। তবে আমার কাছে খেতেও বেশ ভালো লাগে। আর আমরা খাওয়া দাওয়া মিটিং শেষ করে আবার মাদ্রাসায় চলে গেলাম ক্লাস এবং পরীক্ষা নেওয়ার জন্য। এই হচ্ছে মাদ্রাসায় নাস্তা করার মুহূর্ত।

IMG_20251218_075603.jpg

IMG_20251218_075559.jpg

IMG_20251218_075548.jpg

IMG_20251218_075542.jpg

IMG_20251218_075533.jpg

আমার পরিচয়

IMG_20221006_094439.jpg

আমার নাম মোঃ জামাল উদ্দিন। আর আমার ইউজার নাম @jamal7। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। প্রথমত বাঙালি হিসেবে আমি নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করি। কারণ বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। তার সাথে ফটোগ্রাফি করা আমার অনেক শখ। আমি যে কোন কিছুর সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করি। তার সাথে ভ্রমণ করতেও ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে নতুন নতুন জায়গা ভ্রমণ করতে ভীষণ ভালো লাগে। তার সাথে লেখালেখি করতে ও ভীষণ ভালো লাগে। যে কোন বিষয় নিয়ে কিংবা যে কোন গল্প লিখতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আর সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা। নতুন ধরনের কিছু দেখলে করার চেষ্টা করি।

35FHZ8gBpndbrF88KC8i6DmfoqNdVfSnhzJshZCJksDJs27YpCCUjp1oaP6ko3mLJbQtLE76ZKc5r3aFXKh8EK2Xg2XbxHP97436Dksrat...K3RRDcGvdyC6bx3TE39Zctd2ho1pJ1hm9nj6RC6gfhhSEVDEf6zHmiqsgBwDTEDG8onxfxrWKe5ZMmiwAvtnX6XvsCqykCT5aFqMFBq2wcdKNs74j1RgTuza3g.png

A5tMjLhTTnj4UJ3Q17DFR9PmiB5HnomwsPZ1BrfGqKbjde9gvbjDSDFUe2t87sHycAo9yh4cXNBQ2uKuZLC2jPzA8Qx5HRSqkJDxCm2F1P...XMCuWWrUK8WEzc1spvbtGymKcxp9cSaiY7YD7nmGv2yy3TJjQK1R5Bx6mMsJqHLdPZ4gBXB1M3ZGWR3ESWZxh8hd9tvb68pfdL8xHrioiqDnHuRUqd8FYt5aog.png

ধন্যবাদ সবাইকে

IMG-20240904-WA0000.jpg

Sort:  
 15 days ago 

Uploading image #1...

Congratulations!

Your post has been manually upvoted by the SteemPro team! 🚀

upvoted.png

This is an automated message.

💪 Let's strengthen the Steem ecosystem together!

🟩 Vote for witness faisalamin

https://steemitwallet.com/~witnesses
https://www.steempro.com/witnesses#faisalamin